Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২২ জুন ২০২৬
National Tourism Day 2024

চোখভরে দেশ দেখুন, পর্যটনকে চাঙ্গা করতে ‘ন্যাশনাল ট্যুরিজম ডে’ পালন, জেনে নিন এই দিনের ইতিহাস

পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে পরিষেবা উন্নয়ন করাই কেন্দ্র পর্যটন মন্ত্রকের অন্যতম লক্ষ্য।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৯, ২০২৪, ১৪:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৯, ২০২৪, ১৪:০২

options
link
চোখভরে দেশ দেখুন, পর্যটনকে চাঙ্গা করতে ‘ন্যাশনাল ট্যুরিজম ডে’ পালন, জেনে নিন এই দিনের ইতিহাস zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতবর্ষ মানেই হাজারো বৈচিত্র্যের। এদেশে বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য়ই। এই মন্ত্রেই দীক্ষিত ভারতের প্রতিটি মানুষ। দেশের নানা কোণায় সেজে উঠেছে নানা রঙে, নানা ভাষায়, নানা সংস্কৃতিতে। দেশের পর্যটনেও এর প্রতিফলন দেখা যায়। তাজমহলের পাশাপাশি দেশি-বিদেশি পর্যটকদের টানে দক্ষিণ ভারতের নানা মন্দির। আছে অজন্তা, ইলোরা। পাশাপাশি রয়েছে ভূ-স্বর্গ কাশ্মীর, ইতিহাসকে বয়ে নিয়ে চলা তীর্থভূমি বেনারস। কিংবা শৈলরানি দার্জিলিং। রাজস্থানের মরুপ্রান্তর থেকে হিমাচলের আঁকাবাঁকা পথ। জঙ্গল, পাহাড় মিলিয়ে মোটের ওপর ভারতে ঘুরে দেখার মতো আকর্ষণীয় স্থানের তালিকা বানাতে বসলে, শেষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। হয়তো গোটা একটা জন্ম লাগবে ভারতটাকেই ঘুরে দেখতে।

প্রতিবছর ২৫ জানুয়ারি দিনটিকে কেন্দ্রীয় পর্যটন মন্ত্রকের তরফে উদযাপিত করা হয়। ভারতবর্ষের সৌন্দর্য সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ভারতীয় অর্থনীতির বিকাশ এবং পর্যটনের গুরুত্বজনসাধারণের কাছে তুলে ধরতেই দিনটিকে পালন করা হয়। পর্যটন ক্ষেত্রকে আরও উন্নয়নশীল করে তুলতে পর্যটন ক্ষেত্রে বিভিন্ন সুবিধা প্রদান, পরিকাঠামো নির্মাণ, বিদেশিদের জন্য ভিসা সরলীকরণ এবং পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে পরিষেবা উন্নয়ন করাই কেন্দ্র পর্যটন মন্ত্রকের অন্যতম লক্ষ্য।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: রামলালার অযোধ্যায় মোদিই রাম, যোগী লক্ষ্মণ, বিরোধীদের ‘অ্যান্টিডোট’ কী?]

তা কবে থেকে শুরু হয় ন্যাশনাল ট্যুরিজম ডে?

১৯৪৮ সালে দেশে পর্যটন চাঙ্গা করতে একটি ট্যুরিস্ট ট্রাফিক কমিটি তৈরি করা হয়। কমিটির আঞ্চলিক দপ্তর প্রথম খোলা হয় দিল্লি, মুম্বইয়ে। তিন বছর বাদে, ১৯৫১ সালে আরও দপ্তর হয় কলকাতা ও চেন্নাইয়ে। তবে শুধুমাত্র পর্যটনের বিকাশকে মাথায় রেখে সম্পূর্ণ আলাদা একটি দপ্তর খোলা হয় ১৯৫৮ সালে, পর্যটন ও যোগাযোগ মন্ত্রকের অধীনে। যার মাথায় ছিলেন ডেপুটি জেনারেল স্তরের যু্গ্ম সচিব। দিনটির গুরুত্ব অত্যন্ত স্পষ্ট। দেশে পর্যটনের মূল্য, কীভাবে তা দেশের অর্থনীতির সমৃদ্ধির সম্ভাবনার ওপর প্রভাব ফেলে, তার ওপর আলোকপাত করা। দেশের প্রতিটি জায়গার আলাদা ঐতিহাসিক গুরুত্ব আছে । নানা ভাবে তার উদযাপন হয়। তাকে তুলে ধরার সবচেয়ে ভাল মাধ্যম পর্যটন। পাশাপাশি দেশে পর্যটনের ভূমিকার ব্যাপারেও দেশবাসীকে অবহিত, সচেতন করা হয়। এবছর জাতীয় পর্যটন দিবসের থিম হল দেখো আপনা দেশ অর্থাৎ নিজের দেশকে দেখুন। কোভিড-১৯ অতিমারী মোকাবিলায় চালু হওয়া লকডাউনে পর্যটন ব্যবসার বিরাট ক্ষতি হয়েছিল। ধীরে ধীরে সেই পরিস্থিতি বদলেছে। বেড়েছে পর্যটকের সংখ্যাও। দেশের মানুষ, সঙ্গে বিদেশি পর্যটকের কাছে ভারতকে তুলে ধরতে ন্যাশনাল ট্যুরিজম ডের গুরুত্ব রয়েছে।

[আরও পড়ুন: রামমন্দিরের গৃর্ভগৃহে রামলালা! ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনিতে মুখরিত অযোধ্যা]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.