Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬

ভারতের এই রাজপ্রাসাদগুলোয় লুকানো অকল্পনীয় ঐশ্বর্য!

স্বাধীনতা দিবসে যখন ব্রিটিশ শাসকের হাত থেকে ক্ষমতা দখলের স্মৃতি ফিরে আসছে, তখন একটু তাকানো উচিত ভারতের রাজপ্রাসাদের দিকেও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১২, ২০১৮, ১৬:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১২, ২০১৮, ১৬:১৬

options
link
ভারতের এই রাজপ্রাসাদগুলোয় লুকানো অকল্পনীয় ঐশ্বর্য! zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজকীয় আড়ম্বর কাকে বলে, তা পৃথিবীকে একমাত্র দেখাতে পেরেছে ভারতই! অতুল্য এই ভারতের সম্পদের যদি খতিয়ান করতে হয়, তবে সেই তালিকায় নাম যুক্ত হওয়া উচিত রাজপ্রাসাদগুলোরও! শুধুই সমৃদ্ধির জন্য নয়, সৌন্দর্যের জন্যও! একটি দেশে এত পরিমাণ প্রাসাদের সংখ্যা পৃথিবীর কোথাওই নজরে পড়বে না। প্রত্যেকটি তার অপরটির চেয়ে স্থাপত্যে, বিলাসে, ঐশ্বর্যে আলাদা। স্বাধীনতা দিবসে যখন ব্রিটিশ শাসকের হাত থেকে ক্ষমতা দখলের স্মৃতি ফিরে আসছে, তখন একটু তাকানো উচিত ভারতের রাজপ্রাসাদের দিকেও। এই প্রাসাদে থেকেই একদিন ভারতের একেকটি অঞ্চল শাসন করতেন রাজারা। ব্রিটিশ হস্তক্ষেপে সেই সুখের দিন ধূলিসাৎ হয়। তবে, এখনও গৌরবের সঙ্গে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে রয়েছে প্রাসাদেরা। অতুলনীয় ঐশ্বর্যে চোখ ঝলসে দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছে পর্যটকদের। যেন বা তারা সাধারণের রাজা সাজার ইচ্ছাপূরণের শপথ নিয়েছে!

• ব্যাঙ্গালোর প্যালেস:

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

bangalore-palace
বেঙ্গালুরুর এই রাজপ্রাসাদ স্থাপত্যের দিক থেকে একটু ইউরোপ ঘেঁষা। উইন্ডসর ক্যাসেল আর টিউডর স্থাপত্যের যুগলবন্দিতে গড়ে উঠেছিল এর কায়া। মজার ব্যাপার, এই প্রাসাদের প্রত্যেকটি ঘরই হলুদরঙা। তার সঙ্গেই মিশেছে নীল, লাল, সবুজ ঝাড়বাতির বর্ণালি। ওয়াদিয়ার রাজপরিবার এখনও বাস করেন এই প্রাসাদে। তবে প্রাসাদের কিছুটা সাধারণের প্রবেশের জন্য উন্মুক্ত। রোজ সকাল ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে ব্যাঙ্গালোর প্যালেস। প্রবেশমূল্য ২৭৫ টাকা।

• চৌমহল্লা প্রাসাদ:

chowmahalla
হায়দরাবাদের এই প্রাসাদ এখনও মাথা উঁচু করে বলে চলেছে নিজাম এবং তাঁর স্বর্ণযুগের কথা। ইন্দো-পার্শি স্থাপত্যের মিশেলে এই প্রাসাদ পর্যটককে বিস্ময়ে বিহ্বল করে তোলে। লম্বা করিডর আর গম্বুজের মিলমিশ, উনিশটি ঝাড়বাতিওয়ালা দরবার হল চৌমহল্লা প্রাসাদের বিশেষত্ব। শনি-বৃহস্পতি, সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মাত্র ৫০ টাকার বিনিময়ে ঘুরে আসা যায় এখানে।

• রয়্যাল প্যালেস:

Thanjavur_Maratha_Palace_Da
তাঞ্জাভুর, তামিল নাড়ুর এই প্রাসাদ তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল নায়ক শাসকদের হাতে। পরে যখন মারাঠাদের কাছে হেরে যান তাঁরা, তখন মারাঠারা প্রাসাদ নির্মাণের কাজ শেষ করেন। এই প্রাসাদে পা রাখলেই বোঝা যায়, রাজকীয় জীবন কতটা রঙিন হতে পারে। এই প্রাসাদের বৈশিষ্ট্যই অন্দরস্থাপত্যের রংবাহারে। এছাড়া আছে এক গ্রন্থাগার, যেখানে দেখতে পাবেন বহু পুরনো পুঁথি। সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত রোজ খোলা থাকে এই প্রাসাদ। সামান্য বিরতির পরে আবার ৩টে থেকে ৬টা পর্যন্ত পর্যটকের জন্য দ্বার উন্মুক্ত হয়। প্রবেশমূল্য ৫০ টাকা।

• উজ্জয়ন্ত প্রাসাদ:

UJJAYANTA-PALACE-Tripura
বিশাল শ্বেতমর্মরের এই সৌধের সঙ্গে জড়িয়ে আছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি। তিনিই ত্রিপুরার মাণিক্য রাজবংশের এই প্রাসাদের নাম রেখেছিলেন উজ্জয়ন্ত। এই প্রাসাদের একটি ঘর তৈরি হয়েছিল চিনা স্থপতিদের হাতে। সেই ঘরটি তো বটেই, এছাড়াও দরবার, অভিষেক কক্ষ, গ্রন্থাগারের জৌলুস অভিভূত করবে। রোজ সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে এই প্রাসাদ। দর্শনী ১০ টাকা।

• লক্ষ্মীবিলাস প্রাসাদ:

laxmi-vilas-palace1
নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে, এই প্রাসাদ সাক্ষাৎ ধনদেবীর আবাসস্থল! ১৮৬০ সালে বরোদার মহারাজা সয়াজিরাও গায়কোয়াড় এই প্রাসাদটি নির্মাণ করান। মুঘল গম্বুজ, জৈন মন্দিরস্থাপত্য এবং রাজস্থানি ঝরোখা- এই তিনের অপরূপ মিশেল দেখা যায় লক্ষ্মীবিলাসের কায়ায়। সব মিলিয়ে প্রাসাদের বহির্ভাগ যেমন চোখ টানে, তেমনই চোখ ঝলসে দেয় ইতালিয়ান মার্বেলে মোড়া অন্দরমহল এবং তার সাজ। প্রাসাদে রাজবংশ থাকলেও একটা অংশ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত। মঙ্গল-রবি, সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ২২৫ টাকার বিনিময়ে দেখে নেওয়া যায় লক্ষ্মীবিলাস প্রাসাদের রূপরাশি।

• পুতেনমালিকা প্রাসাদ:

Puthenmalika-Palace
লোকমুখে একে বলা হয় অশ্ব-প্রাসাদ। কারণ এই প্রাসাদের স্থাপত্যে যুক্ত হয়েছে অনেকগুলো ঘোড়ার মূর্তি। সব চেয়ে বড় কথা, তিরুঅনন্তপুরমের এই প্রাসাদের জৌলুস মূল্যবান কাঠে! কেরলের কাষ্ঠশিল্প এবং ধ্রুপদী স্থাপত্যরীতি সম্বল করেই গড়ে উঠেছে এর কায়া। কাঠ এবং তার কারুকাজ যে এত নয়নাভিরাম হতে পারে, তা এখানে না এলে উপলব্ধি করা যায় না। মঙ্গল থেকে রবি ১০ টাকার বিনিময়ে এই প্রাসাদে প্রবেশাধিকার মেলে। সকাল সাড়ে ৮টা থেকে দুপুর ১টা এবং বিকেল ৩টে থেকে ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে এই প্রাসাদ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.