সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যুগের পর যুগ৷ কয়েক প্রজন্ম দেখেছে ১০০ বছরের প্রাচীন বটগাছকে৷ কিন্তু আচমকাই একদিন ভোরে স্থানীয়রা দেখলেন নিখোঁজ হয়ে গিয়েছে ওই বটগাছটি৷ একটি গাছ কীভাবে রাতারাতি নিখোঁজ হয়ে গেল তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা৷ রহস্য উদঘাটনে পুলিশের দ্বারস্থ স্থানীয়রা৷ যদিও বেঙ্গালুরুর এই ঘটনার সূত্রের খোঁজ করতে গিয়ে ধন্দে তদন্তকারীরা৷
[ক্যানসার আক্রান্তের ব্রাইডাল ফটোশুটে মশগুল নেটদুনিয়া]
বেঙ্গালুরুর ওই বটগাছটি প্রায় শতাব্দী প্রাচীন৷ স্থানীয়দের দাবি, শুক্রবার রাত পর্যন্ত ওই বটগাছটিকে দেখা গিয়েছিল৷ তবে পরেরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে বাড়ি থেকে বেরিয়ে স্তম্ভিত হয়ে যান স্থানীয়রা৷ তাঁরা দেখেন নির্দিষ্ট জায়গা থেকে উধাও হয়ে গিয়েছে বটগাছ৷ গাছের একটি শিকড়ও আর ওই জায়গায় দেখতে পাননি তাঁরা৷ লোকমুখে এই খবর রটতে সময় লাগেনি৷ মুহূর্তের মধ্যে ওই জায়গায় লোক জড়ো হয়ে যায়৷ রাতের অন্ধকারে অন্যান্য দামী জিনিসপত্রের মতোই শতাব্দী প্রাচীন বটগাছ চুরি হয়ে গেল নাকি? এই প্রশ্নই ঘুরপাক খেতে থাকে গোটা এলাকায়৷ গাছ উধাওয়ের অভিযোগ নিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হন এলাকাবাসী৷ পুলিশ আধিকারিকরাও এমন অভিযোগ পেয়ে রীতিমতো তাজ্জব৷ রাতের অন্ধকারে দামি জিনিসপত্র চুরি যাওয়ার মতো অভিযোগ আগেও পুলিশ আধিকারিকদের কাছে জমা পড়েছে৷ তবে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা থেকে শিকড়-সহ শতাব্দী প্রাচীন বটগাছ চুরির ঘটনায় ধন্দে তদন্তকারীরা৷
[সদ্যোজাতের নাম মিরাজ রাখলেন রাজস্থানের দম্পতি]
যদিও প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, কোনও কাঠ পাচারকারী চক্রের কারসাজিতে এমন রাতারাতি উধাও হয়ে গিয়েছে শতাব্দী প্রাচীন বটগাছ৷ তবে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা থেকে এক রাতের মধ্যে শিকড়-সহ গোটা গাছটি নিয়ে গেল পাচারকারীরা, সেই রহস্য কিছুতেই উদঘাটন করতে পারছেন না তদন্তকারীরা৷ কোনও অবৈধ নির্মাণের জেরে স্থানীয়দের যোগসাজশে গাছ নিখোঁজের মতো ঘটনা ঘটেছে কিনা তাও ভাবাচ্ছে পুলিশকে৷ গাছ উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ পরিবেশপ্রেমীরাও৷ যথাযথ তদন্ত করে রহস্যভেদের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা৷
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন