Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
India

‘এই দেশেতেই মরি’, ভারত সফরে প্রয়াত অস্ট্রেলিয়ার নবতিপর সমাধিস্থ মুঙ্গেরে

উইলে লিখে গিয়েছিলেন মৃত্যুর পর তাঁকে যেন ভারতে সমাধিস্থ করা হয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৫, ২০:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৫, ২০:১৩

options
link
‘এই দেশেতেই মরি’, ভারত সফরে প্রয়াত অস্ট্রেলিয়ার নবতিপর সমাধিস্থ মুঙ্গেরে zoom
সমাধিস্থ করা হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক ডোনাল্ড স্যামসকে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জন্ম অস্ট্রেলিয়ায় হলেও ভারতকে মায়ের মতো ভালবেসেছিলেন তিনি। তাই বারবার ফিরে আসতেন প্রিয় দেশ ভারতে। প্রিয়জনকে জানিয়েছিলেন মৃত্যুর পর তাকে যেন ভারতের মাটিতে সমাধিস্থ করা হয়। সেই ইচ্ছে পূর্ণ হল অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন কূটনীতিক ডোনাল্ড স্যামসের। দ্বাদশবার ভারত সফরে এসে এখানেই মৃত্যু হল ৯১ বছর বয়সে ডোনাল্ডের। তাঁর শেষ ইচ্ছেকে সম্মান জানিয়ে এখানেই সমাধিস্থ করা হল তাঁকে।

ভারতের টানে এর আগে ১১ বার এদেশে এসেছেন ডোনাল্ড। দ্বাদশবার অস্ট্রেলিয়ার ৪২ জনের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে এদেশে এসেছিলেন তিনি। বিহারের সুলতানগঞ্জ থেকে গঙ্গায় লঞ্চে করে যাচ্ছিলেন পাটনায়। পথে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। দ্রুত তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় মুঙ্গেরের এক হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় সরকারি নিয়ম মেনে কেন্দ্রীয় সরকারকে বিষয়টি জানায় জেলা প্রশাসন। কেন্দ্রের তরফে যোগাযোগ করা হয় অস্ট্রেলিয়ার দূতাবাসের সঙ্গে। এরপর দূতাবাস ও ডোনাল্ডের স্ত্রী অ্যালিসের অনুমতিতে মুঙ্গেরে খ্রিস্টান রীতি মেনে সমাধিস্থ করা হয় তাঁর মরদেহ। মুঙ্গেরে জেলাশাসক অবিনাশকুমার সিং জানান, অস্ট্রেলিয়ার দূতাবাসের পরামর্শ মতোই মুঙ্গেরে চূড়াম্বায় খ্রিস্টান যাজকের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে ডোনাল্ডের। পাশাপাশি তাঁর স্ত্রীর অনুরোধে মৃতদেহের ময়নাতদন্তও করা হয়নি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

দীর্ঘ বছর অস্ট্রেলিয়ার হাই কমিশনে চাকরি করেছেন ডোনাল্ড। তাঁর সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক অবশ্য অনেক গভীর। ভারতে ব্রিটিশ শাসন চলাকালীন অসমের উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মী হিসেবে চাকরি করতেন ডোনাল্ডের বাবা। বাবার কর্মক্ষেত্রে বেড়াতে এসে এদেশের প্রেমে পড়ে যান ডোনাল্ড। এর আগে যতবার তিনি ভারতে এসেছেন ঘুরে গিয়েছেন অসম। সে টান এতটাই ছিল যে নিজের উইলে তিনি লিখে গিয়েছিলেন মৃত্যুর পর তাঁকে যেন ভারতে সমাধিস্থ করা হয়। অবশেষে পূরণ হল তাঁর শেষ ইচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.