সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নীরবতার মধ্যে দিয়ে খেলায় মনঃসংযোগ করেছিলেন দুই খেলোয়াড়৷ মেপে নিচ্ছিলেন একে-অপরকে৷ তারপর স্ট্র্যাটেজি বুঝে চলছে আক্রমণ-প্রতি আক্রমণ৷ আচমকাই ভেসে এল সঙ্গমের আওয়াজ৷ সত্যি নাকি! প্রথমে পাত্তা দেননি খেলোয়াড়রা৷ কিন্তু ক্রমশই বাড়তে থাকে শব্দের প্রাবল্য৷ রতিসুখে মহিলার চিৎকার এমন মাত্রায় পৌঁছায় যে শেষে খেলাই থামিয়ে দেন খেলোয়াড়রা৷
[ ফতোয়া কী? এদেশে ফতোয়া দেওয়া কি আইনি? ]
অদ্ভুত এই ঘটনা ফ্লোরিডার৷ এক টেনিস ম্যাচ চলাকালীন সঙ্গমের আওয়াজে নাস্তানাবুদ হলেন খেলোয়াড়রা৷ বেশ মন দিয়েই খেলছিলেন তাঁরা৷ নীরবতার মধ্যে শুধু ব়্যাকেটে বলের যাওয়া-আসার আওয়াজ এর মাঝেমধ্যে দর্শকদের বাহবা৷ সাধারণ টেনিস ম্যাচে যা হয় এখানেও তার ব্যতিক্রম ছিল না৷ আচমকাই সে পরিবেশ বানচাল৷ সকলেই খেয়াল করে দেখেন, কোথাও থেকে ভেসে আসছে সঙ্গমের আওয়াজ৷ প্রথমে ক্ষীণ, পরে বেশ জোরেই৷ মহিলা কণ্ঠের আওয়াজে মুহূর্তে সকলেই হতচকিত৷ কোথা থেকে এ শব্দ ভেসে আসছে, প্রথমে কেউ বুঝতেই পারেননি৷ কীসের শব্দ হতে পারে তাও আঁচ করা যায়নি৷ বোঝা যেতেই সকলের ঠোঁটে খেলে গেল হাসি৷ সকলেই ইতিউতি চাইছেন৷ এসব সত্ত্বেও অবশ্য খেলা চালানোর মরিয়া চেষ্টা করছিলেন খেলোয়াড়রা৷ কিন্তু একটা সময় তা এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে তাঁরা হাল ছেড়ে দেন৷ দর্শকদের মধ্যেও এ নিয়ে তীব্র চাপা কৌতূহল৷ এক বর্ষিয়ান মহিলা তো সন্তানকে কানে আঙুল চাপা দিতে বললেন৷ প্রথমে অনুমান করা হচ্ছিল, কারও ফোন থেকে বোধহয় আওয়াজ আসছে৷ কিন্তু ধারাভাষ্যকারদের অনুমান, পাশের কোনও অ্যাপার্টমেন্ট থেকেই ভেসে আসছে শব্দ৷
[ গো-রক্ষকদের ভগৎ সিংয়ের সঙ্গে তুলনা হিন্দু নেত্রীর ]
সম্প্রতি এ ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে নেটদুনিয়ায়৷ এত জোরে যে কেউ সঙ্গমসুখে আওয়াজ করতে পারেন, তা যেন কল্পনাই করতে পারেননি কেউ৷ শেষমেশ শব্দের তোড়ে খেলাই ভেস্তে যায়৷ ধারাভাষ্যকাররা মজা করে বললেন, খেলা তো মাটি হল৷ কিন্তু অন্তত কারও রাত্রি যে শুভ হয়েছে তা আওয়াজেই বোঝা যাচ্ছে৷
[ সোনু নিগমের পাশে দাঁড়িয়ে ইমামদের ‘মিথ্যাবাদী’ বললেন তসলিমা ]