সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পুলিশ মানেই খাকি উর্দিধারী। ব্যতিক্রম কলকাতা শহর পুলিশের সাদা পোশাক। তাই বলে গেরুয়া বসন পরবেন আইনরক্ষকরা? রীতিমতো গেরুয়া ধুতি-পাঞ্জাবি, কপালে তিলক, গলায় রুদ্রাক্ষের মালা! না, ‘সাদা পোশাকে’র কথা হচ্ছে না। এবার থেকে ধর্মীয় গন্ধে ভরা এমন রূপেই দেখা যাবে বারাণসীর কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের (Kashi Vishwanath Temple) গর্ভগৃহের দায়িত্বে থাকা পুলিশকর্মীদের। সূত্রের খবর, খুব শিগগির এই ‘ড্রেস কোড’ চালু হতে চলেছে। প্রশ্ন হল, কেন এমন সিদ্ধান্ত?
ভূবনখ্যাত মন্দিরের দায়িত্বে থাকা বারাণসী পুলিশের বক্তব্য, প্রতিদিন ভক্তের জোয়ারে ভাসে ভগবানের মন্দির। এক সময় গর্ভগৃহের শৃঙ্খলা ভেঙে পড়ে। সেখানে দায়িত্বে থাকা পুলিশকর্মীদের কথা শুনতে চান না ভক্ত, সাধু, সন্তরা। বরং পুরোহিতদের কথা তাঁরা মান্য করেন বেশি। সেই কারণেই পুলিশের পোশাকে বৈপ্লবিক এই পরিবর্তন। বারাণসীর পুলিশ কমিশনার মোহিত আগরওয়াল জানান, দূরদূরান্ত থেকে আসা পুণ্যার্থীদের সামলাতে হয় মন্দিরের দায়িত্বে থাকা পুলিশকর্মীদের। তাই মন্দির চত্বরে পুলিশি ব্যবস্থা অন্য রকম হওয়া উচিত। সেই ব্যবস্থা মন্দিরের পরিবেশের সঙ্গে তাল মিলিয়েই হওয়া উচিত।
[আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে CBI, শাহজাহান বলছেন, ‘ইডি হলে সবচেয়ে ভালো’]
বারাণসী পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এবার থেকে গেরুয়া ধুতি-পাঞ্জাবি, কপালে তিলক, গলায় রুদ্রাক্ষের মালা পরা পুলিশকর্মীরা থাকবেন কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের গর্ভগৃহে দায়িত্বে। মন্দিরে সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে এরাই কাজ করবেন। পুলিশ কমিশনার আরও জানান, নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি পুণ্যার্থীদের সতর্কতার পাঠও দেবেন এই পুলিশকর্মীরা। গোটা দেশের ভক্তদের সামলাতে হবে এই আইনরক্ষকদের, সেকথা মাথায় রেখে একাধিক ভাষার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
[আরও পড়ুন: ৩৭০ বাতিলে কাশ্মীরে ফিরেছে শান্তি? ‘মনের কথা’ জানালেন মোদি]