Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
QR code on a tomb

মৃত ছেলের সমাধিতে QR কোড বসালেন বাবা-মা! জানেন কেন?

কী বলছেন মৃতের অভিবাবকরা?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৪, ২০২৩, ২১:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৪, ২০২৩, ২১:৩৬

options
link
মৃত ছেলের সমাধিতে QR কোড বসালেন বাবা-মা! জানেন কেন? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মৃত ছেলেকে সকলের মাঝে বাঁচিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন। সেই ইচ্ছে থেকেই অদ্ভুত সিদ্ধান্ত এক দম্পতির। ছেলের সমাধির উপর বসালেন কিউআর কোড। ভাবছেন তো ব্যাপারটা কী?

মৃত যুবকের নাম আইভিন ফ্রান্সিস। তাঁর বাবা ওমানে একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। আর মা সেখানকারই একটি স্কুলে চাকরি করেন। বছর ২৬ এর আইভিন ডাক্তারি পাশ করেছিলেন। সুন্দর করে নিজের জীবন সাজানোর স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু তা অধরাই রয়ে গিয়েছে। কারণ ২০২১ সালে ব্যাডমিন্টন খেলতে গিয়ে মৃত্যু হয় আইভিনের। ত্রিচূড়ের কুরিয়াচিরার সেন্ট জোসেফ চার্চে সমাধিস্থ করা হয় দেহ। ছেলের মৃত্যুর পর থেকে তাঁর বাবা-মায়ের লক্ষ্য ছিল একটাই, মৃত সন্তানকে সকলের মাঝে বাঁচিয়ে রাখা।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: লোকালয়ে কুকুরের তাড়া খেয়ে পালাল হিংস্র সিংহ! ভাইরাল বিপাকে পড়া পশুরাজের ভিডিও]

এরপরই আলাপ আলোচনার মাধ্যে কিউআর কোড তৈরির বিষয়টা মাথায় আসে। একটি ওয়েবসাইট তৈরির সিদ্ধান্ত নেন ওই দম্পতি। সঙ্গে সঙ্গে ওয়েবসাইট তৈরির কাজ শুরু হয়। সেখানে রয়েছে আইভিনের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি, ভিডিও, পারফরম্যান্স। অর্থাৎ সমাধিস্থলের উপরে থাকা কিউআর কোড স্ক্যান করলেই ওই ওয়েবসাইটে থাকা আইভিনের সমস্ত কিছু দেখতে পারবেন যে কেউ।

এ বিষয়ে আইভিনের বাবা বলেন, “আমি ছেয়েছিলাম আইভিন সকলের কাছে জীবন্ত থাকুক। কিন্তু কীভাবে তা বুঝতে পারছিলাম না। আমারা মেয়েই তারপর বুদ্ধি দেয় কিউআর কোড ও ওয়েবসাইটের।”

[আরও পড়ুন: নার্সিংহোমে মশায় কামড়াচ্ছে স্ত্রীকে, নালিশ যুবকের, কী কাণ্ড ঘটাল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ?]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.