Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সাপ

অস্ট্রেলিয়ার রাস্তায় দেখা মিলল ত্রিনয়নী পাইথনের

প্রাকৃতিক পরিবর্তনের ফলেই ঘটেছে এই ঘটনা, বলছেন সর্প বিশেষজ্ঞরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২, ২০১৯, ২০:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২, ২০১৯, ২০:১৮

options
link
অস্ট্রেলিয়ার রাস্তায় দেখা মিলল ত্রিনয়নী পাইথনের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ার রাস্তায় দেখা পাওয়া গেল তিন চোখ সাপের। সাধারণ সাপের মতো দুটি চোখের পাশাপাশি এর মাথার উপরেও অতিরিক্ত একটি চোখ রয়েছে। এবং মজার বিষয় হল বাকি দুটি চোখের মতো এটি কাজও করছে। অদ্ভুত দেখতে এই সাপটি দেখা গিয়েছে উত্তর অস্ট্রেলিয়ার ডারউইন শহরের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত হামটি ডো শহরে।বুধবার নর্দান টেরিটরি পার্কস ও বন্যপ্রাণ-এর তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় সাপের ছবিটি পোস্ট করার পরেই ভাইরাল হয়েছে। আট হাজার জন মন্তব্য করার পাশাপাশি ১৩,০০০ জন শেয়ারও করেছেন।

একটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুয়ায়ী, অস্ট্রেলিয়ার বন্যপ্রাণ মন্ত্রক ও নর্দান টেরিটরি পার্কের তরফে এই বিষয়টিকে অদ্ভুত আবিষ্কার বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আরও বলা হয়েছে যে গত মার্চে তিনমাস বয়সী ওই কার্পেট পাইথনটিকে রাস্তায় ঘুরতে দেখা গিয়েছিল। এরপর হলিউড সিনেমার একটি জনপ্রিয় চরিত্র মন্টি পাইথনের নামে সাপটির নামকরণও করা হয়। তবে দুঃখের বিষয় হল সন্ধান পাওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সাপটি মাত্র মারা যায়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন- জোড়া মাথা সদ্যোজাতের! জন্মের কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যুতে চাঞ্চল্য পূর্ব মেদিনীপুরে]

পাইথনটির মাথার উপরে থাকা ওই চোখটি প্রাকৃতিক পরিবর্তনের একটি উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করছেন সর্প বিশেষজ্ঞরা। স্থানীয় রেঞ্জার রে ছাট্টো বলেন, শারীরিক পরিবর্তনের জন্য ১৫ ইঞ্চি লম্বা ওই সাপটিকে খাবার জোগাড়ের জন্য অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে। মাথায় তিনটি চোখ থাকার কারণে সাপটির খেতে অসুবিধা হচ্ছিল। এই কারণেই তার মৃত্যু হয়।

[আরও পড়ুন- নাক দিয়ে দুধ পান করে চোখের জলে ছবি আঁকছেন ব্যক্তি! ভাইরাল ভিডিও]

জানা গিয়েছে, ওই সাপটির মাথায় এক্সরে করা হয়েছিল। তাতে দেখা গিয়েছে যে, সাপটির মাথার খুলিতে অতিরিক্ত একটি চোখের গর্ত রয়েছে। এবং কোষ বিভাজনের ফলেই এটি সৃষ্টি হয়েছে।

এপ্রসঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত সর্প বিশেষজ্ঞ ও কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বাইরন ফ্রাই বলেন, প্রাকৃতিক বিবর্তনের ফলে প্রতিটি সাপের শরীরে এমন অনেক পরিবর্তন হতে পারে। তবে, ওই সাপটি ব্যতিক্রম। আগে কোনওদিন ৩ চোখের সাপ আমি দেখিনি। আমার মনে হয় এটা ওই সাপটির দুটি মাথার একটি অংশ। যার শেষ চিহ্ন হিসেবে চোখটি রয়ে গিয়েছিল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.