সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাপের ছোবলে আজও বহু মানুষের মৃত্যু হয় এ দেশে। বিশেষত প্রত্যন্ত অঞ্চলে। তার প্রধান কারণ সঠিক চিকিৎসার অভাব। রোগীকে হাসপাতাল পর্যন্ত নিয়ে যেতে যেতেই ফুরিয়ে যায় গোল্ডেন আওয়ার। অর্থাৎ যে সময়ের মধ্যে প্রাণ বাঁচানো সম্ভব। জীবনদায়ী ওষুধ আবিষ্কৃত হলেও তার প্রয়োগ হয় না। এ পরিস্থিতিই বদলাতে পারে হিমাচলের এক অধ্যাপকের পরিকল্পনা।
[ ভোটে জিতলেই মিলবে উত্তম গোমাংস, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি এই বিজেপি নেতার ]
গোল্ডেন আওয়ারের মধ্যেই সাপে কাটা রোগীকে কীভাবে বাঁচানো যায় সে ব্যাপারে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন ডঃ ওমেশ কুমার ভারতী। সেখানে তিনি জানান, এমার্জেন্সি অ্যাম্বুল্যান্সেই থাক অ্যান্টি স্নেক ভেনম বা এএসভি। যাতে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই তা রোগীর শরীরে প্রয়োগ করা যায়। পরীক্ষামূলকভাবে তা প্রয়োগ করেও দেখা গিয়েছে। এবং ফল চমকপ্রদ। সঠিক সময়ে এএসএভি প্রয়োগের ফলে বহু মানুষের প্রাণ বেঁচে গিয়েছে। ওয়ার্ল্ড হেল্থ অরগানাইজেশনের সাম্প্রতিক গাইডলাইনেও এই পদ্ধতি স্বীকৃতি পেয়েছে।
[ ২০১৮ সালে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির হার হবে ৭.৭ শতাংশ: জেটলি ]
বেশ কিছুদিন আগেই এই কাজ শুরু করেছিলেন ওই অধ্যাপক ও তার সহযোগীরা। বিনামূল্যের অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবায় তা প্রয়োগ করা হয়েছিল। দেখা গিয়েছিল, অন্তত এক বছরে ৪২টি প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হয়েছে। এই মডেল অন্যান্য শহরেও কাজে লাগানো হয়। এবং বহু প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হয়। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চিকিৎসায় দেরি হওয়ার কারণে দেশে প্রায় ৫০,০০০ সাপে কাটা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। সেখানে ওই মডেলের সাফল্য প্রায় ৯০ শতাংশেরও বেশি। এই তথ্যই জানাচ্ছে ব্যাপক হারে বা সরকারি স্তরে এর প্রয়োগ হলে কত মানুষের প্রাণ বাঁচনো সম্ভব হবে। হু-এর গাইডলাইনেও তাই মিলেছে এই পদ্ধতির স্বীকৃতি।