চেরিফুলের রংবাহার, হেমন্তে কালিম্পংয়ের এই গ্রামে যেন ভরা বসন্ত
ক্রমশ বাড়ছে পর্যটকদের ভিড়।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৯, ২০২৫, ১২:৫৫
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৯, ২০২৫, ১২:৫৫
১৭
শুধু সিকিম নয়। চেরিফুলের রংবাহারে যেন ভরা বসন্ত এখন কালিম্পং পাহাড়েও। সিকিমের টেমি চা বাগানের মতোই গোলাপি, লাল ও সাদা ফুলে সেজেছে কালিম্পংয়ের সামাবিয়ং গ্রাম।
২৭
সিকিমের মতো এখানে সরকারি উদ্যোগে উৎসবের আয়োজন না হলেও এমন নৈসর্গিক দৃশ্য উপভোগের সুযোগ হাতছাড়া হতে দিতে রাজি নয় অনেকেই। তাই ক্রমশ বাড়ছে পর্যটকদের ভিড়।
সিকিমের টেমি চা বাগান ও সংলগ্ন এলাকায় ২০১৭ সাল থেকে আয়োজিত হচ্ছে 'চেরি ব্লসম অটাম ফেস্টিভাল'। এবারও চলছে। সরকারিভাবে উৎসবের আয়োজন না হলেও কালিম্পং জেলার সামাবিয়ং চা বাগান ঘিরে একই আমেজ তৈরি হয়েছে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে সাড়ে ছয় হাজার ফুট উঁচু সামাবিয়ং চা বাগান এখন চেরিফুলের সমারোহে যেন রূপকথার দেশ।
৪৭
এখানেও শুরু হয়েছে অঘোষিত চেরি ব্লসম অটাম ফেস্টিভাল। আলগাড়া-২ ব্লকের সামাবিয়ং টি এস্টেটের সবুজ পাহাড়ি ঢাল জুড়ে গোলাপি চেরি ফুল। ক্যানভাসে আকা ছবির মতো ওই সৌন্দর্য উপভোগের জন্য ভিড় জমিয়েছেন অনেকেই। তবে সেটা সিকিমের টেমি চা বাগানের মতো নয়। প্রায় ৪০ ফুট উঁচু চেরি গাছে নভেম্বরের শুরু থেকে ফুল ফুটতে শুরু করে। রং লাল, সাদা এবং হালকা গোলাপি।
৫৭
অন্তত তিন সপ্তাহ ফুলে ঢেকে থাকে গাছ। ঝান্ডি থেকে শেরপাগাঁও হয়ে লাভা যাওয়ার পথও অপরূপ হয়ে ওঠে গোলাপি চেরির জন্য। ঝান্ডির রিসর্ট মালিক রাজেন প্রধান বলেন, "সিকিমের মতো এখনেও সরকারি ভাবে চেরি ব্লসম অটাম ফেস্টিভাল হলে দেশ-বিদেশের পর্যটকদের ভিড় বাড়বে। স্থানীয় বাসিন্দারা উপকৃত হবেন।"
যদিও রাজ্য ইকো ট্যুরিজম কমিটির চেয়ারম্যান রাজ বসু জানান, সামাবিয়ং গ্রাম শুধু নয়। লাভা, ঝাণ্ডি-সহ ওই এলাকার বিভিন্ন গ্রাম ঘিরে পর্যটন শিল্প বিকাশের জন্য রাজ্যের তরফে পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ চলছে। আগামী দিনে সেখানেও চেরি ব্লসম ফেস্টিভাল আয়োজনের যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।
৭৭
তিনি আরও বলেন, "এলাকাটি জিটিএর অধীন। সামাবিয়ং টি এস্টেটের চেরি ব্লসম নিয়ে উৎসব আয়োজনের বিষয়ে জিটিএ কর্তাদের সঙ্গে কিছু কথা হয়েছে। ওরা খুবই উৎসাহী। আবার কথা বলব। কারণ, এটা হলে ডুয়ার্সেও পর্যটকের সংখ্যা বাড়বে।"
প্রেম! সে তো অন্তরের হীরককুচিই। হিরের মতো ছোট্ট, নরম অংশ থেকেই হৃদয়জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে প্রেমের ওম। সেই উষ্ণতা আর আলো দিয়ে মনের মধ্যে গড়ে ওঠে প্রাসাদসম এক ঘর। যে ঘর জুড়ে এক থেকে দুই হওয়ার বিশাল জগৎ।
২৭
যাঁকে নিয়ে এতদিন ধরে ঘর বাঁধবেন বলে মনে মনে ভেবে রেখেছেন, তাঁকে আপনার মনের কথা খুলে বলেছেন কি? বুঝতেই পারছেন না কীভাবে কথাটি বলবেন? তবে তো বলতেই হয়, সাবেকিয়ানায় আস্থা রেখে আপনার সঙ্গী হোক অঙ্গুরীয়। আজকালকার দিনে ট্রেন্ডিং কিছু আংটির হদিশ রইল আপনার জন্য।
রকমারি নকশার সোনা, রুপো, প্ল্যাটিনাম, আরও দামি ধাতুর আংটি উপহার প্রেমিক বা প্রেমিকার হৃদয় জিতে নেওয়াটা বেশ সহজ। এমনটা ভেবে থাকলে কিন্তু ভুল ভাবছেন। এত নিশ্চিন্ত হবেন না মোটেই। বরং মনের মানুষের পছন্দটি চুপিসাড়ে বুঝে সেইমতো আংটি কিনে ফেলুন। ও হ্যাঁ মনে রাখবেন, প্রেমের প্রস্তাব দেওয়ার ক্ষেত্রে কিন্তু হিরেই সবচেয়ে বিশ্বস্ত আর আকর্ষণীয়।
৪৭
সোনার রিংয়ের মাঝে একটুকরো চৌকো হিরে বসানো আংটি - এই নকশা এখন পুরনো। এখন হালকা অথচ আভিজাত্যে ভরা আংটিই 'জেন G'র পছন্দ। সবসময়ে যে তা বহুমূল্য, তেমনটা কিন্তু নয়। বরং আপনার পকেট বুঝেই আজকাল ডিজাইনাররা তৈরি করে ফেলছেন পছন্দসই হিরের আংটি।
৫৭
এখন দারুণ ট্রেন্ডিং ইস্ট-ওয়েস্ট সলিটায়ার ডিজাইন। অর্থাৎ সরু সোনা বা প্ল্যাটিনাম রিংয়ের মাঝে গোলাকার হিরে অথবা অন্য কোনও মূল্যবান পাথর, যেমন রুবি, পান্না কিংবা নীলা বসানো। পাত্র-পাত্রী উভয়ের জন্য এই আংটি পাওয়া যায়। একে অপরের সঙ্গে এমন অঙ্গুরী বিনিময়ের পাশাপাশি হোক হৃদয়ের আদানপ্রদান।
একেবারে ভিন্ন কিছু ছাড়া যাঁদের কিছুই রোচে না, তাঁদের জন্য আদর্শ ডিজাইন 'টই এট মই'। নাম শুনে ঘাবড়ে যাবেন না। এটা একটা ফরাসি শব্দ, যার অর্থ 'আমি আর তুমি'। অর্থাৎ এক অঙ্গুরীয়ের মধ্যেই দুয়ের অধিষ্ঠান। এধরনের আংটি অন্তত দুটি বা তিনটি স্তর থাকে, স্তরগুলি ভিন্ন ভিন্ন ধাতুর। কোনওটা সোনার তো কোনওটা রুপো বা প্ল্যাটিনামের, কোনওটা আবার পুরোটাই খুদে খুদে হিরে বসানো। দেখতে ভারী সুন্দর হয়।...
৭৭
এছাড়া গবেষণাগারে তৈরি হিরের ছড়াছড়ি তো আছেই। এদের মোটেই হেলাফেলা করবেন না। বরং ভালোভাবে খুঁজে সাধারণ সব নকশার বাইরে গিয়ে নিজের মনের মতো ডিজাইনটি ঠিক পেয়ে যাবেন। কোনও আংটি হয়ত একটা প্রজাপতি, কোনওটা আবার ডিমের মতো আকার। এসব সাধারণত দেখা যায় না। আর হাজার রূপের মাঝে এমন অরূপই তো আপনার মনের মানুষের জন্য তৈরি হয়েছে।
হাসিনা একা নন, বিশ্ব ইতিহাসে চরম দণ্ড পেয়েছেন যে সব রাষ্ট্রনায়ক
একনজরে দেখে নেওয়া যায় ইতিহাসের সেইসব বিতর্কিত নেতাদের।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৮, ২০২৫, ১৭:৫৪
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৮, ২০২৫, ১৭:৫৪
১৭
২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডের সাজা ঘোষণা হয়েছে বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। ১৭ নভেম্বর সোমবার মহম্মদ ইউনুসের ‘ক্যাঙারু আদালত’ এই রায় দেয়। রায় ঘোষণার পর থেকে উত্তাল গোটা বাংলাদেশ। বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছে রাষ্ট্রসংঘ-সহ একাধিক আন্তর্জাতিক সংগঠন। তবে হাসিনা একা নন, বিশ্বের ইতিহাস খুঁড়লে দেখা যাবে বহু রাষ্ট্রপ্রধান ক্ষমতায় থাকাকালীন তাঁদের কৃতকর্ম, কিছু ক্ষেত্রে ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি পেয়েছেন।...
২৭
সাদ্দাম হোসেন (ইরাক): ১৯৭৯ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ছিলেন সাদ্দাম। অত্যন্ত নিষ্ঠুর শাসক হিসেবে পরিচিত। কুর্দ বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগ করে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেন। ইরাকে মার্কিন সেনার অভিযানের পর ২০০৩ সালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২০০৬ সালে ইরাকের আদালত ১৯৮২ সালের দাজাইল গণহত্যার অপরাধে তাঁর মৃত্যুদণ্ড দেয়। ওই বছরের ৩০ ডিসেম্বর তাঁকে ফাঁসি দেওয়া হয়।
মুয়াম্মার গদ্দাফি (লিবিয়া): লিবিয়ার এই স্বৈরাচারী শাসক ১৯৬৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন। তাঁর শাসনকালে খনিজ তেলের বিরাট মুনাফায় সমৃদ্ধ হয়েছিল লিবিয়া। একইসঙ্গে বিদ্রোহীদের দমন করতেও সিদ্ধহস্ত ছিলেন তিনি। ২০১১ সালে গদ্দাফির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ব্যাপক আকার নেয়। এরপর ন্যাটোর সাহায্যে গদ্দাফি সাম্রাজ্যের পতন ঘটে। গদ্দাফির নিজের শহর সিরতেতে বন্দি হন এই রাষ্ট্রপ্রধান। বিনা বিচারে বিদ্রোহীরা পিটিয়ে খুন করে গদ্দাফিকে।
৪৭
নিকোলাই চাউচেস্কো (রোমানিয়া): ১৯৬৫ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন রোমানিয়ান কমিউনিস্ট শাসক নিকোলাই চাউচেস্কো। তাঁর শাসনকালে চরম দারিদ্রে ডুবে যায় রোমানিয়া। অন্যদিকে, চরম বিলাসিতায় ডুবে ছিলেন নিকোলাই। এই অবস্থায় ১৯৮৯ সালে ভয়ংকর বিদ্রোহ শুরু হয় দেশে। রোমানিয়ার সেনাও বিদ্রোহীদের পক্ষ নেয়। বন্দি করা হয় নিকোলাই ও তাঁর স্ত্রীকে। দুর্নীতি ও অপরাধের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় তাঁকে। ওই বছরের ২৫ ডিসেম্বর গুলি করে হত্যা করা...
৫৭
চার্লস টেলর (লাইবেরিয়া): ১৯৯৭ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত লাইবেরিয়ার প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তাঁকে আফ্রিকার হীরক রাজাও বলা হয়। তাঁর শাসনে লাইবেরিয়ায় গৃহযুদ্ধ চরম আকার নেয়। মৃত্যু হয় লক্ষ লক্ষ মানুষের। ২০০৩ সালে বিদ্রোহীরা দেশ দখল করলে টেলর দেশ ছাড়েন। স্কটল্যান্ডের এক আদালত তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে। ২০১২ সালে তাঁর ৫০ বছরের কারাদণ্ড হয়।
পারভেজ মোশারফ (পাকিস্তান): পাকিস্তানের প্রাক্তন স্বৈরশাসক পারভেজ মোশারফ ছিলেন সেনাপ্রধান। ১৯৯৯ সালে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেন তিনি। ২০০৭ সালে সংবিধান অগ্রাহ্য করে জারি করেন জরুরি অবস্থা। ২০১৯ সালে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তবে, তিনি দুবাই পালিয়ে যাওয়ায় সাজা কার্যকর হয়নি। ২০২৩ সালে তাঁর মৃত্যু হয়।
৭৭
জুলফিকার আলি ভুট্টো (পাকিস্তান): ১৯৭৯ সালে জেনারেল জিয়া-উল-হকের সামরিক শাসনে খুনের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ওঠে ভুট্টোর বিরুদ্ধে। রাওয়ালপিন্ডিতে প্রাক্তন এই পাক প্রধানমন্ত্রীকে ফাঁসি দেওয়া হয়।