বলিউড থেকে দক্ষিণী বিনোদুনিয়া, এই হিট ছবিগুলির ‘সিক্যুয়েল’ও বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে, কেন?
কোন ছবি বিশ্বব্যাপী কত ব্যবসা করেছে জেনে নিন।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: অক্টোবর ১২, ২০২৫, ১৯:৩৮
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: অক্টোবর ১২, ২০২৫, ১৯:৩৮
১৭
প্রিক্যুয়েল হোক বা সিক্যুয়েল 'পুষ্পা' সবসময়ই হিট। আল্লুর আদাহতে মজে দর্শক-অনুরাগীরা। উল্লেখ্য, 'পুষ্পা ২' বিশ্বব্যাপী বক্স অফিসে ব্যাবসা করেছিল ১৭৮০ কোটি টাকা। যা অনায়াসে যে কোনও ছবির বক্স অফিস কালেকশনকে টেক্কা দিতে পারে।
২৭
সাম্প্রতিককালে মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি 'কান্তারা: চ্যাপ্টার ১' একইভাবে দর্শকের মনে ছাপ ফেলেছে। ২০২২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি 'কান্তারা'র এই সিক্যুয়েল ইতিমধ্যেই দর্শকমনে ছাপ ফেলেছে এবং ইতিমধ্যেই বিশ্বব্যাপী ৫০০ কোটির ব্যবসা করেছে এই ছবি।
প্রথম ফ্রাঞ্চাইজি হোক বা পার্ট থ্রি, সবেতেই ভুলভুলাইয়া সেরা। প্রতিবারই অক্ষয়কুমার বা কার্তিক আরিয়ান অভিনীত চরিত্র এই ছবিতে আলাদা মাত্রা যোগ করেছে বলা যায়। ছবির পার্ট থ্রি-ও একইভাবে বক্স অফিসে ছাপ ফেলেছিল। বিশ্বব্যাপী 'ভুলভুলাইয়া ৩' ছবির বক্স অফিস কালেকশন হয়েছিল ৪২১ কোটি টাকা।
৪৭
'ধুম ৩'র কথা প্রসঙ্গে বলতে হয় প্রথম ফ্র্যাঞ্চাইজি থেকেই এই ছবির জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। জন আব্রাহাম হোন বা হৃতিক রোশন বা আমির খান সব ফ্রাঞ্চাইজিই হিট। 'ধুম ৩' ছবিতেও নজর কেড়েছিলেন আমির খান, ক্যাটরিনা কাইফ। সঙ্গে ছিলেন উদয় চোপড়া, অভিষেক বচ্চন প্রমুখ। বিশ্বব্যাপী এই ছবির বক্স অফিস কালেকশন হয়েছিল ৫৫৮ কোটি টাকা।
৫৭
২০২৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি 'স্ত্রী ২' বক্স অফিসে বেশ সাড়া ফেলেছিল। রাজকুমার রাও ও শ্রদ্ধা কাপুর অভিনীত এই ছবির প্রথমটি যেমন পছন্দ করেছিলেন দর্শক ঠিক সেভাবেই এই সিক্যুয়েলকেও একইরকম ভালোবাসা দিয়েছিলেন। তার ছাপ পড়েছিল বক্স অফিসেও। বিশ্বব্যাপী এই ছবির বক্স অফিস কালেকশন ছিল ৮৮০ কোটি টাকা।
চলতি বছরেই মুক্তি পেয়েছে 'হাউজফুল ৫', একঝাঁক তারকা সমাবেশ চাক্ষুষ করেছেন এই ছবিতে দর্শক। বিশ্বব্যাপী এই ছবির বক্স অফিস কালেকশন ছিল ৩০৪ কোটি টাকা।
৭৭
'২ অক্টোবর কো ক্যায়া হুয়া থা?' এই সংলাপ বললে বুঝতে আর বাকি থাকে না কোন ছবির কথা বলা হচ্ছে। কথা হচ্ছে 'দৃশ্যম'র। প্রথম পার্টের মতো ছবির দ্বিতীয় পার্ট অর্থাৎ সিক্যুয়েলও সমান জনপ্রিয়তা পেয়েছে ও বক্স অফিসে বেশ দাপটের সঙ্গে ব্যবসা করেছে। 'দৃশ্যম ২' ছবির বক্স অফিস কালেকশন ছিল প্রায় ৩৪৫ কোটি টাকা।
নিম্নচাপের ভয়াবহ বৃষ্টি ও ভুটানের জলে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ পুনর্গঠনের কাজ খতিয়ে দেখতে ফের সেখানে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ দুপুরের পরই মুখ্যমন্ত্রী উত্তরবঙ্গে পৌঁছন। এদিন তিনি আলিপুরদুয়ারের সুভাষিণী চা বাগানে যান। তথ্য ও ছবি: রাজ কুমার
২৮
এদিন দুপুরে উত্তরবঙ্গের হাঁসিমারা সেনাছাউনিতে নামেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের নীলপাড়া কমিউনিটি হলে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে প্রশাসনিক কর্তাদের নিয়ে বিপর্যয় পরিস্থিতি, মোকাবিলা নিয়ে বৈঠক করেন তিনি। সেখানেই বিপর্যয়ের সময় ভালো কাজ করার জন্য আটজনকে এদিন পুরষ্কার করা হয়। মঞ্চে তাঁদের ডেকে নেওয়া হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন। তথ্য ও ছবি: রাজ কুমার
প্রশাসনিক বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী রওনা হন সুভাষিণী চা বাগানের উদ্দেশ্যে। ওই এলাকার মানুষজনও দুর্যোগে বিপর্যস্ত হয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীকে দেখে ঘিরে ধরেন চা বাগানের মহিলা বাসিন্দারা। তথ্য ও ছবি: রাজ কুমার
৪৮
মুখ্যমন্ত্রী ওই এলাকায় গিয়ে মানুষের ভিড়ে মিশে যান। দুর্গত মানুষদের সঙ্গে কথা বলেন। গত শনিবার দুর্যোগের রাতে ঠিক কী হয়েছিল, জল-প্রকৃতি কতটা ভয়াবহ রূপ নিয়েছিল, সেসব কথা বলেন বাসিন্দারা। তথ্য ও ছবি: রাজ কুমার
৫৮
মুখ্যমন্ত্রীকে সামনে পেয়ে বাসিন্দারাও তাঁদের কথা বলেন। কোন পরিস্থিতিতে তাঁরা আছেন, সমস্যার কথা জানানো হয়। মুখ্যমন্ত্রীও মন দিয়ে তাঁদের কথা শোনেন। দ্রুত পরিস্থিতি উন্নতির আশ্বাসও দেওয়া হয়। হাসিমারা সেনাছাউনি থেকে গাড়িতে রওনা হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। একজন রাস্তার ধারে উত্তরীয় নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী গাড়ি থেকে হাত বাড়িতে সেই উত্তরীয় গ্রহণ করেন। তথ্য ও ছবি: রাজ কুমার
এলাকার বাসিন্দাদের জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, শাড়ি উপহার হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী নিয়ে গিয়েছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই সেসব স্থানীয়দের হাতে তুলে দেন। বাচ্চাদের জন্য ছিল টেডি বিয়ার ও পড়াশোনার উপকরণ। সেসব পেয়ে ছোটরাও যথেষ্ঠ খুশি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলে স্বস্তি পেয়েছেন এলাকার মহিলারাও। তথ্য ও ছবি: রাজ কুমার
৭৮
সেখান থেকে বেরিয়ে আলিপুরদুয়ারের মালঙ্গী টুরিস্ট লজে পৌঁছন। সেখানেই রাতে থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামী কয়েক দিন মুখ্যমন্ত্রী পাহাড়ে থাকবেন। সোমবার নাগরাকাটায় যাবেন, মঙ্গলবার যাবেন মিরিকে। দার্জিলিং, কালিম্পং জেলা নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করবেন। বুধ, বৃহস্পতিও দার্জিলিংয়ের একাধিক স্থান পরিদর্শন করার কথা মুখ্যমন্ত্রীর। শুক্রবার তিনি কলকাতায় ফিরবেন। তথ্য ও ছবি: রাজ কুমার
৮৮
কলকাতা বিমানবন্দরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "আমরা কেন্দ্রের সাহায্যের আশায় বসে থাকি না। আমাদের যা সামর্থ্য, তা দিয়েই মানুষকে যতটা সম্ভব সাহায্য করছি। এখানকার বিপর্যয়ে মোকাবিলায় আগেই নানা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। প্রচুর রাস্তা, সেতু ভেঙে গিয়েছে। সেইসব সারানোর কাজ চলছে। যত দ্রুত সম্ভব, আবার সব ঠিক করে দেওয়া হবে।" তথ্য ও ছবি: রাজ কুমার
ভবেশ কালী থেকে ‘বড়মা’, নৈহাটির দীর্ঘদেহী কালী প্রতিমার ইতিহাস জানেন?
ছবিতে জেনে নিন নৈহাটির 'বড়মা'-কাহিনি।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৩, ২০২৫, ০৯:৩৭
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৩, ২০২৫, ০৯:৩৭
১৮
কালীপুজো মানেই উত্তর ২৪ পরগনা নৈহাটি, বারাসতের নাম। এখানকার কালী প্রতিমা থেকে শুরু করে মণ্ডপসজ্জা, থিম, আলো টানে সুদূরের জেলাগুলি থেকেও ভিড় করেন দর্শকরা। নৈহাটি-বারাসতের কয়েকটি কালীপুজো দর্শন না করে যেন আলোর উৎসব অসম্পূর্ণ থেকে যায়। তারই মধ্যে অন্যতম নৈহাটির বিখ্যাত ‘বড়মা’।
২৮
এবছর বড়মার পুজো ১০২ বছরে পদার্পণ করতে চলেছে। বেড়েছে ভক্ত সমাগমও। জাঁকজমক থেকে নিয়মের কড়াকড়ি, এবছর আরও বেশি। কিন্তু কেন এখানকার দেবী সকলের 'বড়মা'? তাঁর মাহাত্ম্যই বা কী?
‘বড়মা’ নামের আরও এক তাৎপর্য আছে। অনেকেই শনি দেবতাকে ‘বড় ঠাকুর’ বলে থাকেন। তেমনি নৈহাটির বড়মার নামকরণ হয়েছে বিশেষ কারণে। এই কালী মূর্তির উচ্চতা প্রায় ২২ ফুট। তাই তাঁর নাম 'বড়মা'। খুব জাগ্রত বলে মুখে মুখে তাঁর নাম ছড়িয়ে পড়ে কাছ থেকে দূর, আরও দূরে।
৪৮
তিথি ও রীতি মেনে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন নৈহাটিতে বড়মার মন্দিরে দেবীর কাঠামো পুজো হয়। এবছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। মহা ধুমধামেই সেই অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
৫৮
এবছর নৈহাটির শিল্পী শুভেন্দু সরকার 'বড়মা'র প্রতিমা তৈরি করছেন। কালীপুজোর দিন সুউচ্চ ‘বড়মা’কে সোনা ও রুপোর গয়না দিয়ে সাজানো হবে। এই মূর্তির পাশাপাশি ২২ ফুট উঁচু বড়মার মূর্তিও পুজো করা হবে।
নৈহাটি বড়কালী পুজো সমিতির কমিটির সম্পাদক তাপস ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, ২০ অক্টোবর কালীপুজোর সাতদিন আগে অর্থাৎ ১৩ তারিখ থেকে পুজো নেওয়ার জন্য কাউন্টার খুলে যাবে। ১৯ তারিখ ২৪ ঘন্টা কাউন্টার খোলা থাকবে।
৭৮
বড়মার মন্দিরে ফি দিন পূজার্ঘ্য হিসেবে প্রচুর ফুল, ফল, কাপড় এখানে জমা পড়ে। কালী প্রতিমা রোজ সেজে ওঠেন ভক্তদের দেওয়ায় নানারকম সামগ্রীতে।
৮৮
২০২৩ সালে বড়মার মন্দির নতুন করে সংস্কারের পর থেকেই ভক্ত সমাগম বেড়েছে সেখানে। প্রতি মঙ্গলবার এবং শনি-রবিবার উপচে পড়ে ভিড়। তবে মন্দির কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতায় সকলেই মন ভরে বড়মার পুজো দিয়ে ফেরেন। ব্যবস্থাপনায় আপ্লুত তাঁরা।