জিমে যাওয়ার দরকার নেই, পুজোর আগে ওজন কমাতে মেনে চলুন এই ডায়েট
এই নিয়ম মেনে চললে কমবে ৪-৫ কেজি ওজন।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২৫, ১৫:৩২
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২৫, ১৫:৩২
১১০
আর কয়েকদিন! তারপরেই চারদিকে উৎসবের আমেজ। বাঙালির সেরা উৎসব দুর্গাপুজো। আর এই উৎসবকে ঘিরেই চলে হাজারো প্রস্তুতি। একদিকে যেমন চলে জামাকাপড় কেনার ধুম। অন্যদিকে থাকে নিজেকে ছিপছিপে করে গড়ে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা।
২১০
কিন্তু সারাদিনের ব্যস্ততায় আর সময় কোথায়! অফিসের হাজারো চাপ সামলে দিন শেষে আলাদা করে শরীরচর্চার উৎসাহটাই হারিয়ে যায়। ধারাবাহিক শরীরচর্চার সময় নেই? কুছ পরোয়া নেহি। এই ডায়েট মেনে চললেই পুজোর আগে ওজন কমবে। এই পদ্ধতিতে প্রায় ৪-৫ কেজি ওজন কমানো সম্ভব।
সকালে ঘুম থেকে উঠেই ডিটক্স পানীয় খাওয়া শুরু করুন। ডিটক্স পানীয় শুধু হজম ক্ষমতা বাড়ায় না। একইসঙ্গে শরীরকে ডিটক্সিফাই করে। ফলে দেহে মেদ জমতে পারে না। মেদ ঝরাতেও এই পানীয়ের জুরি মেলা ভার। হালকা উষ্ণ জলে লেবু ও মধু কিংবা মেথি-মৌরি ভেজানো জলও এক্ষেত্রে বেশ উপকারী। গ্রিন টি-ও পান করতে পারেন।
৪১০
আপনি যদি নিয়ম করে সপ্তাহে ৩দিন ত্রিফলা ভেজানো জল খেতে পারেন, তাহলে হাতেনাতে দ্রুত ফল পাবেন। বাজারে বিভিন্ন কোম্পানির ত্রিফলা চূর্ণ পাওয়া গেলেও আমলকী, হরিতকী ও বহেড়া শুকনো গোটা ফল কিনে এনে সারারাত ভিজিয়ে সকালে খালিপেটে খান। ত্রিফলা শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমতে দেয় না। এছাড়া ওজন কমাতে ত্রিফলার কোনও বিকল্প নেই।
৫১০
সকালের প্রথম টিফিনে ছোলা, বাদাম কিংবা সোয়াবিনের দানা ভিজিয়ে খেতে পারেন। সঙ্গে আদাকুচি দেবেন। এছাড়া একটা ডিমসিদ্ধ প্রতিদিনের রুটিনে রাখবেন। এতে পুষ্টিও বজায় থাকবে আবার শরীরে ফ্যাট জমার সম্ভাবনাও থাকবে না।
ওজন কমাতে তেল-মশলা যুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। এমনকী যেকোনও ভাজাভুজি ত্যাগ করা বাঞ্ছনীয়। সবুজ শাকসবজি, ফল, টক দই, ওটস প্রভৃতি খাদ্যতালিকায় রাখুন। পেঁপে, মুসাম্বি, গোটা শস্য এবং চর্বিহীন প্রোটিন গ্রহণ করুন। চিনি ও ফাস্ট ফুড এড়িয়ে চলুন।
৭১০
দুপুরে আঁটোসাঁট খাওয়ার অভ্যেস পালটাতে হবে। অল্প ভাত, এক কাপ ডাল, সঙ্গে বেশি করে সবজি ও এক পিস মাছ যথেষ্ট। ডায়েটে রোজ স্যালাড রাখুন। সপ্তাহে একদিন কচি মুরগির মাংস খেতে পারেন। তবে দু'পিসের বেশি নয়।
৮১০
রাত্রি ৮টার মধ্যেই ডিনার সেরে ফেলুন। রাতে হাতে গড়া দুটি রুটি খান। ময়দা ভুলেও খাবেন না। পাতে বেশি করে সবজি রাখুন। ভাত খেলে পরিমাণ এক কাপের বেশি এগোবেন না। হালকা মাছের ঝোল বা চিকেন স্টু রাখতে পারেন। খাওয়া শেষে এক টুকরো হরিতকি মুখে দিন।
৯১০
তাড়াতাড়ি ডিনার সেরে ফেলুন। ঘুমোবার আগে ১০ মিনিটের জন্য বজ্রাসনে বসুন। এতে অন্ত্রের স্বাস্থ্য বজায় থাকবে। হজমে কোনও গোলমাল হবে না। এছাড়া পেট বা নিম্নাংশে চর্বি জমার সম্ভাবনাও কমবে।
১০১০
এভাবে নিয়ম মেনে চললে এক মাসের মধ্যেই ঝরিয়ে ফেলতে পারবেন মেদ। হয়ে উঠবেন আকর্ষণীয়। তাই, সাতপাঁচ না ভেবে পুজোর আগেই হয়ে উঠুন তন্বী।
পুজোয় পাহাড়-সমুদ্রে যেতে পারছেন না? কলকাতার কাছেই রয়েছে ৫ ‘হট ডেস্টিনেশন’
এক-দু' দিনের জন্য সদলবলে ঘুরে আসুন। খানাপিনা সহযোগে আড্ডা জমবেই!
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: আগস্ট ২৯, ২০২৫, ১৫:৫০
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: আগস্ট ২৯, ২০২৫, ১৫:৫০
১১১
পুজোয় পাহাড়ে যাওয়ার প্ল্যান কষেছিলেন, কিন্তু বুকিং পাননি? কিংবা যে কোনও কারণে সেই বুকিং ক্যানসেল করতে হয়েছে? মন খারাপের কিছু নেই। কলকাতার কাছেই রয়েছে বেশ কিছু গন্তব্য যেখানে গিয়ে নিশ্চিন্তে এক দু' দিন কাটিয়ে আসতে পারেন। আর আপনি যদি ছবি তুলতে ভালোবাসেন, তাহলে তো কথাই নেই। যেসমস্ত রিসর্টে 'কিং সাইজ' লাইফস্টাইল দেখিয়ে মনের সুখে চুটিয়ে ছবি তুলতে পারবেন, সেরকমই ৫ 'হট ডেস্টিনেশন' -এর হদিশ রইল...
২১১
নিশ্চয়ই জানতে ইচ্ছে করছে জায়গাগুলির নাম? যে ৫টি জায়গার নাম বলব সেখানে চারদিকে চোখ ফেরালেই ছবি তোলার জন্য একেবারে আদর্শ জায়গা। বোলপুরের আনন্দ রিসর্টও এক্ষেত্রে দারুণ অপশন হতে পারে। এটি শান্তিনিকেতনে অবস্থিত একটি বিলাসবহুল হোটেল।
গ্রিসের সান্তোরিনির আদলে তৈরি এই রিসর্টে শুধুই নীল-সাদার ছোঁয়া। তারমাঝে রিসর্টের পথে ইতিউতি ছড়িয়ে বোগেনভেলিয়া গাছ। যা এই জায়গাটিকে আরও সুন্দর করে তুলেছে। পুলসাইডের রোদস্নান থেকে ঠান্ডা পানীয়তে চুমুক, পঞ্চব্যাঞ্জনে ভুরিভোজ, সবরকম ব্যবস্থাপনাই রয়েছে এই রিসর্টে। খরচও সাধ্যের মধ্যেই।
৪১১
কলকাতা থেকে মাত্র আধ ঘণ্টা, ৪৫ মিনিটের দূরত্বে হাওড়ার পাঁচলায় রয়েছে আরেক বিলাসবহুল আশ্রয়ের সন্ধান। নিরিবিলিতে ১ দিনে জন্য কান্ট্রি রোডস রিসর্টে কাটিয়েই আসতে পারেন। সুইমিং পুলে বন্ধুবান্ধব কিংবা পরিবারের সঙ্গে জলকেলি করার সুযোগ ছাড়াও এই হোটেলের অন্যতম ইউএসপি আতিথেয়তা। ঠিক ততোধিক সুন্দর হোটেলের রুমের সাজসজ্জা।
৫১১
কলকাতা থেকে ঢিলছোড়া দূরত্বে! মাত্র ২৬ কিমি দূরে। ধর্মতলা থেকে বাসও পেয়ে যাবেন। কিংবা সদলবলে গেলে গাড়ি নিয়েই চলে যান। সুইমিং পুলের নীল জল কিংবা পুল লাগোয়া এড়িয়ার পাশাপাশি গোটা রিসর্টের সাজসজ্জা আপনাকে মুগ্ধ করবে। বাঙালি থেকে চাইনিজ খানাপিনার বন্দোবস্তও দারুণ। তবে এক্ষেত্রে পকেট ভারী থাকা আবশ্যক।
শহরের কোলাহল, কংক্রিটের বন্দিদশা আর যান্ত্রিক জীবনের একঘেয়েমি কাটিয়ে প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যেতে চান? গাঢ় সবুজের মাঝে বুনো পাখির কলতান উপভোগ করতে চান? তাহলে ঘুরে আসুন বর্ধমানের কেতুগ্রামের বেলুন গ্রামে।
৭১১
প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্যের মেলবন্ধনে যেখানে গড়ে উঠেছে এক অপূর্ব ইকো রিসর্ট 'জলবাড়ি'। শিবাই নদীর তীরে প্রায় ৩০ বিঘা জমির উপর গড়ে ওঠা এই প্রকৃতি সংরক্ষণ কেন্দ্র একাধারে বন্যপ্রাণীদের নিরাপদ আশ্রয়, আবার প্রকৃতিপ্রেমী ও পর্যটকদের জন্যও এক অনন্য স্বর্গরাজ্য।
৮১১
কথাতেই আছে, পুরনো চাল ভাতে বাড়ে! রায়চক এফ ফোর্ট রিসর্টের কথা হয়তো অনেকেই অনেকবার গিয়েছেন। কিন্তু ফটো তোলার ক্ষেত্রে এই রিসর্টের সাজসজ্জা কিংবা আশাপাশের জায়গাগুলোকে কতটা ব্যবহার করতে পেরেছেন? কলকাতার কোলাহল থেকে এ যেন ‘নিশ্চিন্তিপুরের’ গ্রাম। ক্যামেরার কেতবাজি দেখিয়ে এখানেও দিব্যি ভালো ভালো ফ্রেম পেয়ে যেতে পারেন।
৯১১
শান্ত নিরিবিলি এই রিসর্টের পরিবেশে আপনি মন চাঙ্গা করার পাশাপাশি প্রচুর ছবিও তুলতে পারবেন। কলকাতা থেকে মাত্র ৫২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। পরিবার কিংবা বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে বেড়িয়ে পড়তেই পারেন। ফোর্টের লালচে হেরিটেজ প্যাটার্ন কিংবা বাঁশের সাঁকো ফটোর ব্যাকগ্রাউন্ড হিসেবে নেহাত মন্দ হবে না।
১০১১
সুন্দরবন টাইগার ক্যাম্প আরেকটা ডেস্টিনেশন। বাঘ দেখার শখপূরণের পাশাপাশি প্রকৃতির কোলে ছবি তোলাও হবে। কলকাতা থেকে প্রায় ৯০ কিমি দূরত্বে গাড়ি নিয়েই বেরিয়ে পড়তে পারেন।
১১১১
কে বলতে পারে, কপালজোড়ে এখানেই হয়তো দক্ষিণরায়ের দেখা পেয়ে যেতে পারেন। প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য পুজোর ছুটিতে দিন দুয়েক কাটানোর সবথেকে ভালো অপশন। রিসর্টের প্রবেশপথেই যে বসার জায়গা রয়েছে, সেখান থেকে যেদিকে দুচোখ যায়, শুধু জল আর পাড়ে গা ঘেঁষে থাকা ম্যানগ্রোভের জঙ্গল।