ডিজিটাল দুনিয়ায় অমর একাদশকে স্মরণ, ছবিতে দেখে নিন মোহনবাগানের সোনায় লেখা ইতিহাস
করোনার জেরে মোহনবাগান দিবসে সোশ্যাল মিডিয়াতেই দিনভর অনুষ্ঠান।
১৮৮৯ সালের ১৫ আগস্ট ‘মোহনবাগান স্পোর্টিং ক্লাব’-এর জন্ম। ১৮৯১ সালে তা ‘মোহনবাগান অ্যাথলেটিক ক্লাব’ রূপে আত্মপ্রকাশ করলেও বাঙালির মননে মোহনবাগান স্থায়ী জায়গা করে নেয় ১৯১১ সালের ২৯ জুলাই। ইস্ট ইয়র্কশায়ারকে হারিয়ে সবুজ-মেরুনের ‘আইএফএ’ শিল্ড জয়। ২০০১ সাল থেকে এই ঐতিহাসিক জয় স্মরণ করে দিনটিতে ‘মোহনবাগান দিবস’ পালন করা শুরু হয়। ছবি: সোশ্যাল মিডিয়া
আরও পড়ুন:
২০০৩। ক্লাবে হাইকোর্ট নির্দেশিত স্পেশাল অফিসার থাকা অবস্থায় সভাপতি স্বপনসাধন বোস মোহনবাগান দিবসের মাত্র কিছুদিন আগে মোহনবাগান সমর্থকদের উৎকণ্ঠা কাটিয়ে ঘোষণা করেন ১৯১১ সালে শিল্ড-জয়ী অধিনায়ক শিবদাস ভাদুড়ী-কে মরণোত্তর ‘মোহনবাগান রত্ন’ সম্মানে ভূষিত করার কথা। ক্লাব তাঁবুর অনুষ্ঠান মঞ্চে শিবদাস ভাদুড়ীর পরিবার-পরিজনের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন:
২০১০। ঐতিহাসিক শিল্ড বিজয়ের শতবর্ষে অধিনায়ক শিবদাস ভাদুড়ী বাদে (ইতিমধ্যে সম্মানিত) সেই দলের বাকি দশ সদস্যকে একযোগে ‘মোহনবাগান রত্ন’ প্রদান করা হয়। এই বছরের ‘মোহনবাগান দিবস’-কে কেন্দ্র করে তুমুল উন্মাদনার সৃষ্টি হয়েছিল। ক্লাবের তাঁবু বিশেষ আলোকসজ্জায় সাজানো হয়। ক্লাবের মূল প্রবেশপথে অমর একাদশের ছবি-সহ শিল্ডের প্রতিকৃতি অনুসারে বিশাল তোরণ করা হয়। শিল্ড জয়ের শতবর্ষের সূচনা হিসাবে ভারত সরকারের পোস্টাল বিভাগের তরফে প্রকাশিত স্পেশাল এনভেলপেরও উদ্বোধন...