উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট পড়ল ৯৮ শতাংশের বেশি, ক্রস ভোটিং হল কি?
জয়ের ব্যবধান কত হবে? সংশয়ে গেরুয়া শিবির।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৫, ১৯:২৭
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৫, ১৯:২৭
১১০
সম্পন্ন হল ১৪ তম উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন। নির্ধারিত সময়সূচি অনুসারে সকাল ১০টা থেকে সংসদ ভবনের এফ-১০১ কক্ষে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। সকাল সকাল ভোট দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ছবি: পিটিআই।
২১০
উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এনডিএ সমর্থিত প্রার্থী তথা মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন রাজ্যপাল সিপি রাধাকৃষ্ণন এবং বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’ সমর্থিত প্রার্থী তথা সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বি সুদর্শন রেড্ডি। ছবি: পিটিআই।
এদিন সন্ধে ৬ টায় শেষ হয় ভোটগ্রহণ। নজিরবিহীনভাবে ভোট পড়েছে ৯৮ শতাংশের বেশি। ছবি: পিটিআই।
৪১০
এবারের উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ইলেকটোরাল কলেজ অর্থাৎ নির্বাচকমণ্ডলীর সদস্য ৭৮১ জন। এই নির্বাচকমণ্ডলীর মধ্যে রয়েছেন রাজ্যসভার ২৩৩ জন নির্বাচিত সাংসদ, ১২ জন মনোনীত সাংসদ এবং লোকসভার ৫৪৩ জন নির্বাচিত সাংসদ। ছবি: পিটিআই।
৫১০
উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটদানে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওড়িশার বিজেডি, তেলেঙ্গানার বিআরএস এবং পাঞ্জাবের শিরোমণি অকালি দল। সব মিলিয়ে ১৩ জন সাংসদ ভোট দেননি। যার অর্থ নির্বাচকমণ্ডলী কমে দাঁড়াচ্ছে ৭৬৮ জন। সেক্ষেত্রে ম্যজিক ফিগার হতে পারে ৩৮৫।
খাতায়কলমে শাসকজোট এনডিএ-র পক্ষে রয়েছে ৪২৫টি ভোট। জোটসঙ্গীদের পাশাপাশি অতিরিক্ত ওয়াইএসআর কংগ্রেসের ভোট পাচ্ছে এনডিএ শিবির। কয়েকজন নির্দল সাংসদও সমর্থন করবে এনডিএকেই। ছবি: পিটিআই।
৭১০
তৃণমূলের তরফে এদিন সব সাংসদ ভোটদানের জন্য সংসদে উপস্থিত ছিলেন। নেতৃত্বে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অসুস্থতা উড়িয়ে ভোট দেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌগত রায়ও। ছবি: পিটিআই।
৮১০
ভোটদানের শেষে বিরোধী শিবিরের দাবি, নজিরবিহীনভাবে ইন্ডিয়া জোটের সব সাংসদ ভোট দিয়েছেন। তবে সূত্রের দাবি, আপের বিক্ষুব্ধ সাংসদ স্বাতী মালিওয়াল ভোট দিয়েছেন এনডিএ প্রার্থীর পক্ষে। ছবি: পিটিআই।
৯১০
সরকারের আশা ছিল ক্রস ভোটের। তবে এখনও ক্রস ভোটের খবর নেই। সংসদে সৌহার্দ্যের আবহেই ভোট দিয়েছেন শাসক ও বিরোধী শিবিরের নেতারা। ছবি: পিটিআই।
১০১০
এবারের নির্বাচনেও এনডিএর জয় নিয়ে সংশয় নেই। তবে ২০২২ সালে ধনকড়ের নির্বাচনের তুলনায় এবার ব্যবধান অনেকটাই কমতে পারে। ২০২২ সালে এনডিএ-র প্রার্থী ধনখড় বিরোধীদের প্রার্থী মার্গারেট আলভাকে ৩৪৬ ভোটে পরাজিত করেছিলেন। এবার ব্যবধান কত হয় সেটাই দেখার। ছবি: পিটিআই।
পুজোয় শহর থেকে দূরে যাবেন ভাবছেন? নতুন রেলপথে ঘুরে আসুন মিজোরাম
এই পুজোর সফর জমে উঠুক উত্তর-পূর্ব ভারতের মিজোরামে।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৫, ১৮:৪৭
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৫, ১৮:৪৭
১৮
রেল পরিষেবায় কার্যত বিপ্লব হতে চলেছে উত্তর-পূর্ব ভারতে। এই প্রথম রেলপথে যুক্ত হতে চলেছে কলকাতা ও মিজোরাম। খুব শীঘ্রই মিজোরামের সাইরাং পর্যন্ত রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। সব ঠিক থাকলে পুজোর আগেই তিলোত্তমা থেকে এক্সপ্রেস ছুটবে ‘পূর্ব ভারতের স্কটল্যান্ডে’র পথে।
২৮
এতে রাজধানী আইজলের সঙ্গে দূরত্ব আরও কমে গেল। সাইরাং থেকে আইজল মাত্র ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে। এই নতুন ট্রেনের হাত ধরে দুর্গাপুজোর ছুটিতে পর্যটন আরও ফুলেফেঁপে উঠবে বলে আশায় বুক বাঁধছে মিজোরামবাসী। তাই এই পুজোয় আপনার ডেস্টিনেশন যদি হয় মিজোরাম, সেক্ষেত্রে এখানকার কোন কোন জায়গায় ঘুরে দেখতে পারেন জেনে নিন।
মিজোরাম বেড়াতে গেলে অবশ্যই ঘুরে দেখুন লুংলেই। 'লুংলেই' শব্দের অর্থ পাথরের সেতু। তলাং নদীর উপর অবস্থিত একটি সেতু আকৃতির পাথর থেকেই এই নামকরণ। এই ছোট্ট শহরটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত। এখানে গেলে ট্রেকিং, জঙ্গল সাফারি-সহ একাধিক অ্যাডভেঞ্চারের সুযোগ রয়েছে পর্যটকদের জন্য।
৪৮
মিজোরাম বেড়াতে গেলে অবশ্যই ঘুরে দেখতে হবে রেইক। এটি হল মিজোরামের সর্ব্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ। এখান থেকে মিজোরামের রাজধানী আইজল-সহ বিস্তীর্ণ এলাকা চোখে পড়ে। সঙ্গে মন-প্রাণ জুড়ানো প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তো রয়েছেই। একইসঙ্গে আপনি পেয়ে যাবেন ট্রেকিংয়ের সুবিধাও। ছোট ছোট গ্রাম, সঙ্গে প্রকৃতি, নানা প্রজাতির পাখি সবমিলিয়ে রেইক এক অন্য রূপে ধরা দেবে।
৫৮
ভানতাওং জলপ্রপাত, মিজোরামের সর্ব্বোচ্চ জলপ্রপাত। শুধু তাই নয়, সমগ্র উত্তর-পূর্ব ভারতের মধ্যে এটি ত্রয়োদশতম উচ্চতম জলপ্রপাত। ভানতাওং জলপ্রপাতকে বলা চলে এখানকার 'হিডেন জেম'।
ভানতাওং জলপ্রপাত, মিজোরামের সর্ব্বোচ্চ জলপ্রপাত। শুধু তাই নয়, সমগ্র উত্তর-পূর্ব ভারতের মধ্যে এটি ত্রয়োদশতম উচ্চতম জলপ্রপাত। ভানতাওং জলপ্রপাতকে বলা চলে এখানকার 'হিডেন জেম'।
৭৮
রেল সূত্রে খবর, মিজোরামের ভৈরবী থেকে সাইরাং পর্যন্ত ৫১ কিলোমিটারের বেশি ব্রডগেজ লাইন বসানো হয়েছে। এই প্রকল্প ২০০৮ সালের। ২০১৪ সাল থেকে রেললাইন পাতার কাজ শুরু হয়। সদ্যই তা শেষ হওয়ায় অসম-মিজোরাম সীমানা লাগোয়া সাইরাং স্টেশন পর্যন্ত রেল পরিষেবা চালু হতে চলেছে। জানা যাচ্ছে, শিগগিরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তার উদ্বোধন করবেন।
৮৮
কলকাতা থেকে সোজা সাইরাং পর্যন্ত এক্সপ্রেস ট্রেন ছুটবে। রেল বোর্ডের ডিরেক্টর সঞ্জয় আর নীলমের দেওয়া বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১৩৪৬ কিলোমিটার দূরত্ব এবার এক ট্রেনেই পৌঁছে যাওয়া যাবে। সময় লাগবে ৩১ ঘণ্টার একটু বেশি। কলকাতা স্টেশন থেকে রওনা হয়ে ট্রেনটি মালদহ টাউনে দাঁড়াবে। তারপর সোজা সাইরাং স্টেশন।