কামব্যাকের সঙ্গে অস্তিত্বের লড়াই, অজিভূমে গুচ্ছ রেকর্ডের সামনে রোহিত-কোহলি
শচীন-সৌরভদের ছাপিয়ে যেতে পারেন রো-কো।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৮, ২০২৫, ১৬:১৪
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৮, ২০২৫, ১৬:১৪
১১০
রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির কামব্যাক নিয়ে উন্মাদনা তুঙ্গে। তার মধ্যে জল্পনা রয়েছে, হয়তো ২০২৭-র বিশ্বকাপে নাও খেলতে পারেন দুই মহাতারকা। ফলে এই সিরিজে তাঁরা কীরকম খেলেন, সেদিকে নজর রয়েছে। পাশাপাশি রোহিত-কোহলির সামনে রয়েছে একাধিক রেকর্ড ভাঙার সুযোগও।
২১০
ওয়ানডেতে বিরাটের সেঞ্চুরি সংখ্যা ৫১। অন্যদিকে কিংবদন্তি শচীন তেণ্ডুলকর টেস্টে ৫১টি সেঞ্চুরি করেছেন। অর্থাৎ সিরিজের তিনটি ম্যাচের একটিতে কোহলি সেঞ্চুরি করলে মোট সংখ্যা দাঁড়াবে ৫২। একটি ফরম্যাটে সেঞ্চুরির নিরিখে শচীনকে ছাপিয়ে যাবেন কোহলি।
রোহিত এই সিরিজে যদি একটি ম্যাচে ভারতের প্রথম একাদশে থাকেন, তাহলে অনন্য রেকর্ড গড়বেন। শচীন তেণ্ডুলকর, মহেন্দ্র সিং ধোনি, বিরাট কোহলি ও রাহুল দ্রাবিড়ের পর রোহিতই পঞ্চম ভারতীয় ক্রিকেটার হবেন, যিনি ৫০০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলবেন।
৪১০
সাদা বলের ক্রিকেটে (ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি) কোহলির মোট রান ১৮,৩৬৯। সেখানে শচীন তেণ্ডুলকরের রান ১৮, ৪৩৬। অর্থাৎ মাত্র ৬৮ রান করলে তিনি শচীনের রেকর্ড ভেঙে সাদা বলের ক্রিকেটের ইতিহাসে রানের শীর্ষে পৌঁছবেন।
৫১০
রোহিত ২৭৩টি ওয়ানডে ম্যাচে মোট ৩৪৪টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন। তিনি যদি আর ৮টি ছক্কা মারেন, তাহলে শাহিদ আফ্রিদিকে ছাপিয়ে যাবেন। ওয়ানডেতে আফ্রিদি ৩৯৮টি ওডিআই ম্যাচে ৩৫১টি ছক্কা মেরেছিলেন। সেক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ছক্কার রেকর্ডের মালিক হবেন হিটম্যান।
বিরাট ওয়ানডেতে ১৩২৫টি চার ও ১৫২টি ছয় মেরেছেন। সব মিলিয়ে বাউন্ডারি সংখ্যা ১৪৭৭। ফলে আর মাত্র ২৩টি বাউন্ডারি মারলেই কোহলি ১৫০০ বাউন্ডারির ক্লাবে নাম লেখাবেন। এর আগে এই কীর্তি গড়েছেন শচীন তেণ্ডুলকর ও সনৎ জয়সূর্য।
৭১০
রোহিত এখন পর্যন্ত ভারতের হয়ে ২৭৩টি ওয়ানডেতে ১১,১৬৮ রান করেছেন। তিনি আর ৫৪ রান করলে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ১১,২২১ রানকে ছাপিয়ে ওয়ানডেতে ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হবেন। অস্ট্রেলিয়ায় আর ১০ রান করলে অস্ট্রেলিয়ায় ভারত-অস্ট্রেলিয়া ওডিআইতে ব্যক্তিগত ১০০০ রান পূর্ণ করবেন।
৮১০
ওয়ানডেতে কোহলির রান ১৪,১৮১। আর ৫৪ রান করলে শ্রীলঙ্কার কিংবদন্তি কুমার সঙ্গকারাকে (১৪,২৩৪ রান) পেছনে ফেলে ওয়ানডেতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় উঠে আসবেন।
৯১০
আর দুটি সেঞ্চুরি করলে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে রোহিতের ১০টি ওয়ানডে সেঞ্চুরি হবে। ভেঙে দেবেন শচীনের ৯টি সেঞ্চুরির রেকর্ড। তাছাড়া তিনি বিশ্বের প্রথম ব্যাটার হবেন যিনি অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ১০টি ওয়ানডে সেঞ্চুরি করবেন। রোহিত শচীন (১০০) ও কোহলি (৮২)-র পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৫০টি সেঞ্চুরি করা তৃতীয় ভারতীয় হবেন।
১০১০
রোহিত ভারতের জার্সিতে ৪৯৯টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে ১৯,৭০০ রান করেছেন। এই সিরিজে ৩০০ রান করতে পারলে চতুর্থ ভারতীয় হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২০,০০০ রানের নজির গড়বেন। এই তালিকায় তার আগে রয়েছেন- শচীন তেণ্ডুলকর, বিরাট কোহলি ও রাহুল দ্রাবিড়।
বিসর্জনের পর বাড়িতে রাখেন কালীর খাঁড়া? সামান্য ভুলেই হতে পারে ভয়ংকর পরিণতি!
অধিকাংশ শক্তি মূর্তির হাতেই প্রধান অস্ত্র হিসেবে থাকে এই খড়গ।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৮, ২০২৫, ১৫:৪৫
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৮, ২০২৫, ১৫:৪৫
১৯
কালী শক্তির প্রতীক। আর সেই শক্তির মূল আধার হল খড়গ। শাস্ত্রজ্ঞ পণ্ডিতদের অনেকেই দেবীর অস্ত্র সম্পর্কে ঠিক এই ব্যাখ্যাই দেন। তাই কালী মূর্তির মতো ভক্তিভরে পুজো করা হয় খড়গও। যেসব মন্দিরে বলির চল রয়েছে, সেখানে আলাদাভাবে খড়গ পুজোর নিয়মও রয়েছে। তাই অনেকেই মনে করেন দেবীর খড়গ বাড়িতে রেখে দেওয়া অত্যন্ত শুভ।
২৯
কিন্তু সত্যিই কি এমনটা করা উচিত? কথায় আছে, বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহুদূর। এক্ষেত্রেও কথাটি ভীষণভাবে প্রযোজ্য। তবে মূল প্রসঙ্গে আসার আগে জানতে হবে, দেবীর হাতের খড়গ আসেলে কি? শাস্ত্রে দেবীর এই অস্ত্রটিকে শক্তিরস্বরূপ হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এমনকি শ্রীশ্রী চন্ডীতেও বলা হয়েছে, ‘খড়্গ আমাদের রক্ষা করুক।’দেবী দুর্গার হাতেও এই অস্ত্র দেখা যায়। এমনকি অধিকাংশ শক্তি মূর্তির হাতেই প্রধান অস্ত্র হিসেবে থাকে এই খড়গ।
বলির খড়গ যে কোনও অবস্থায় বাড়িতে রাখা একেবারেই উচিত নয়। কারণ খোলা অবস্থায় খড়গ রেখে দিলে তার ধার নষ্ট হয়ে যায়। যাতে বলির সময় বাধা সৃষ্টি হতে পারে। শাস্ত্রমতে এমনটা হওয়া অত্যন্ত অশুভ। কিন্তু মণ্ডপে যে কালিমূর্তি থাকে, তার হাতে প্রতীকী খড়গ দেখা যায়। মূর্তি বিসর্জনের পর সেই খড়গ বাড়িতে এনে রাখা যেতেই পারে।
৪৯
মনে করা হয়, এমনটা করলে সারাবছর সব ধরনের বিপদের হাত থেকে ওই খড়গ রক্ষা করবে। যদিও শাস্ত্রমতে দেবীর বিসর্জনের সময় পুজোয় ব্যবহৃত যাবতীয় জিনিস জলে নিক্ষেপ করাই নিয়ম। সেইমতো খাঁড়াও জলে ফেলে দেওয়া উচিত।
৫৯
তবু অনেকেই সেকথা মাথায় না রেখে বাড়িতে খাঁড়া নিয়ে আসেন। সেই অর্থে মনের ভক্তি নিয়ে কেউ যদি এমনটা করেন, তাহলে ক্ষতির সম্ভাবনাও নেই।
শাস্ত্র যা মান্যতা দেয় না, তা করার আগে অনেকেই দুবার ভাবতে পারেন। তাই এক্ষেত্রে একটা উপায় হতে পারে। সম্ভব হলে, রুপো বা পিতলের একটি প্রতীকী খড়গ তৈরি করিয়ে নিন। কালীপুজোর দিনে সেটাই মায়ের হাতে রাখুন।
৭৯
সঙ্গে থাকুক সাধারণ মূর্তির সঙ্গে দেওয়া লোহার খড়গও। তবে বিসর্জনের সময় স্রেফ লোহার খড়গটাই মূর্তির সঙ্গে জলে ফেলুন। আর পিতল বা রুপোর খড়গ বাড়িতে রেখে দিন। তাতে শাস্ত্রের বিরোধিতাও হয় না, আবার পরিবারকে সবরকম বিপদের হাত থেকেও রক্ষা করা যায়।
৮৯
শাস্ত্রমতে সাধারণ কোনও অস্ত্র দিয়ে বলি দেওয়ার নিয়ম নেই। যে কোনও বলিতেই মূলত ব্যবহার করা হয় খড়গ। দেবী মূর্তিতে যে খড়গ দেখা যায়, বলির খড়গ তার থেকে আকারে অনেকটাই বড় হয়। পুজোর আগে সেই খড়গ ভালোভাবে পরিষ্কার করে দেবীর পায়ের কাছে রাখা হয়। তারপর পুজো চলাকালীন সেখানে থাকে খড়গ। বলির সময়, সিঁদুর দিয়ে বিশেষ কিছু চিহ্ন এঁকে দেওয়া হয় খড়গে। তারপর সেই খড়গ দিয়েই বলি...
৯৯
অনেক জায়াগতেই আজকাল পশুবলি নিষিদ্ধ। কিন্তু তাই বলে খড়গ পুজোর নিয়ম বদলায়নি এতটুকু। চালকুমড়ো বা আখ বলির আগেও একইভাবে পুজো করা হয় খড়গ। সুতরাং এই অস্ত্রের সঙ্গে শক্তির যোগ যে নিবিড় সেকথা বলাই বাহুল্য।
বঙ্গে শক্তি আরাধনা, কলকাতার নামী ৫ কালীপুজোর উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী
দেখে নিন ছবি।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৮, ২০২৫, ০০:৩৩
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৮, ২০২৫, ০০:৩৩
১৯
দুর্গোৎসব, বিজয়ার আমেজ কাটতে না কাটতেই বঙ্গে শক্তি আরাধনার তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছে। আগামী সপ্তাহেই কালীপুজো। তার প্রস্তুতি তুঙ্গে। তবে শহরে কালীপুজোর আবহ। শুক্রবারই কলকাতার ৫ টি নামী পুজোর উদ্বোধন হয়ে গেল মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরে। গিরিশ পার্ক থেকে শেক্সপিয়র সরণি - মণ্ডপ খুলে গেল দর্শনার্থীদের জন্য। নিজস্ব ছবি।
২৯
এখানকার প্রতিমা দীর্ঘদেহী। প্রতিমা সজ্জায় স্বর্ণালঙ্কার ছাড়াও অপূর্বভাবে ব্যবহার করা হয়েছে শ্যামাসঙ্গীত লেখা সামগ্রী। তাতেই আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছেন শ্যামা মা। এদিন কালী ঠাকুরের সামনে প্রদীপ জ্বালিয়ে পুজোর আনুষ্ঠানিক সূচনা করে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।নিজস্ব ছবি।
শুক্রবার দুপুরে মুখ্যমন্ত্রী প্রথমে যান গিরিশ পার্কের ফাইভ স্টার স্পোর্টিং ক্লাবের পুজো মণ্ডপে। তৃণমূলর কাউন্সিলর স্মিতা বক্সির পুজো এটি। সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে হাজির ছিলেন জুন মালিয়া, শ্রেয়া পাণ্ডে-সহ একঝাঁক সেলিব্রিটি। ছিলেন স্মিতা বক্সির পুত্রবধূ, ছোটপর্দার অভিনেত্রী সুদীপ্তাও।নিজস্ব ছবি।
৪৯
এই পুজো মণ্ডপ থেকে সকলকে দীপাবলি, কালীপুজোর শুভেচ্ছা জানানো ছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় কাউন্সিলরদের সতর্ক করেন। অভিযোগ তোলেন, বহিরাগতরা এখানে ঢুকে বড় বড় বহুতল উঠছে আর তার জেরে স্থানীয় বস্তিবাসীকে উচ্ছেদ হতে হচ্ছে। এ বিষয়ে স্থানীয় কাউন্সিলরদের নজরদারির নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। নিজস্ব ছবি।
৫৯
গিরিশ পার্কের এই মণ্ডপ থেকে মুখ্যমন্ত্রী চলে যান জানবাজারে। সেখানে কাউন্সিলর স্বর্ণকমল সাহার পুজো উদ্বোধন করেন। এই মণ্ডপেও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন সেলিব্রিটিরা। সকলকে আলোর উৎসবের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীকে জনসংযোগ সারতেও দেখা গেল। নিজস্ব ছবি।
শেক্সপিয়র সরণির অল ইউথ ফ্রেন্ডসে এবার কালীপুজোর আয়োজন বেশ জমজমাট। সেখানকার পুজোমণ্ডপ শুক্রবার দর্শনার্থীদের জন্য খুলে গেল মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরে। নিজস্ব ছবি।
৭৯
এখানকার পুজো উদ্বোধনের পাশাপাশি আরও এক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করলেন মুখ্যমন্ত্রী। পুজোর ঠিক আগে কলকাতায় টানা বৃষ্টিতে মৃতদের পরিবারের সদস্যদের হাতে পূর্বঘোষণা অনুযায়ী তুলে দেন চাকরির নিয়োগপত্র। তাঁদের হোমগার্ড হিসেবে নিয়োগ করছে রাজ্য সরকার। নিজস্ব ছবি।
৮৯
প্রতিশ্রুতিমতো আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের ১০ হাজার টাকা করে চেক দেওয়া হল এই মঞ্চ থেকেই। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, মেয়র ফিরহাদ হাকিম। ছিলেন পুলিশ কর্তারাও। নিজস্ব ছবি।
৯৯
সম্প্রতি উত্তরবঙ্গে ভয়াবহ বিপর্যয় মোকাবিলায় যাঁরা প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছেন, এদিনের মঞ্চ থেকে সেই সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে ভারচুয়াল মাধ্যমে যোগাযোগ করে তুলে দেওয়া হয়েছে সরকারি শংসাপত্র। আসলে এইসব মিলিয়েই তো আনন্দ, উৎসব! নিজস্ব ছবি।