মাহেশের জগন্নাথদেব ট্রাস্টি বোর্ডের সম্পাদক পিয়াল অধিকারী বলেন, "পবিত্র অষ্টধাতুর তৈরি এই নীলচক্রটি দিন পনেরো আগে মাহেশে আনা হয়েছে পুরীধাম থেকে। এই নীলচক্র আমি নিজে পুরীতে গিয়ে নিয়ে আসি।"
পিয়ালবাবু আরও বলেন, "ভক্তদের বিশ্বাস এই চক্রের ঐশ্বরিক ক্ষমতা রয়েছে। এই নীলচক্র থাকলে মন্দির নিরাপদ থাকবে বলেই মনে করা হয়।"
Advertisement
৭৮
কথিত আছে, পুরীর জগন্নাথদেবের মন্দিরের চূড়ার আশপাশ দিয়ে দিয়ে কোনও বিমান বা পাখি যাতায়াত করতে পারে না। প্রভু জগন্নাথের আশীর্বাদে নীলচক্র মন্দিরের নিরাপত্তা দেয়। এছাড়াও এই নীলচক্র মানসিক শান্তির প্রতীক। যদি কোনও ভক্ত এই নীল চক্রের দিকে তাকিয়ে প্রার্থনা করেন, তার মানসিক শান্তি আসবেই। কোনও খারাপ চিন্তা মনে বাসা বাঁধে না।
৮৮
জগন্নাথদেব, বলরাম এবং সুভদ্রার মাহেশে এই নীলচক্র স্থাপনে গর্বিত মাহেশবাসী।
সমস্ত ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেন বিশ্বকাপ জয়ী স্পিনার পীযূষ চাওলা। এদিন ইনস্টাগ্রামে একটি কার্ড পোস্ট করে তিনি এই ঘোষণা করেছেন। ভারতের হয়ে তিনি শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছিলেন প্রায় ১৩ বছর আগে। এরপর চুটিয়ে খেলেছেন আইপিএল।
২৮
তাঁর নামের পাশে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে নানান রেকর্ড। আইপিএলের ইতিহাসে তিনবার সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী তিনি। ভারতের হয়ে সংক্ষিপ্ত কেরিয়ার সত্ত্বেও, চাওলা টিম ইন্ডিয়ার হয়ে দু'টি বিশ্বকাপ জিতেছেন, ২০০৭ এবং ২০১১ বিশ্বকাপ।
৩৬ বছরের এই স্পিনার লেখেন, 'দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ক্রিকেট উপভোগ করার পর সুন্দর এই খেলাটিকে বিদায় জানানোর সময় এসেছে। সর্বোচ্চ স্তরে ভারতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করেছি। ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০১১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ী দলের অংশ হওয়া আশীর্বাদের চেয়ে কম কিছু নয়। এই স্মৃতিগুলি চিরকাল আমার হৃদয়ে গেঁথে থাকবে।'
৪৮
'আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজিদের (পাঞ্জাব কিংস, কলকাতা নাইট রাইডার্স, চেন্নাই সুপার কিংস এবং মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স) যারা আমার উপর আস্থা রেখেছে, তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ। আমার কেরিয়ারের বিশেষ অধ্যায় আইপিএল।'
৫৮
'আমার কোচ শ্রী কে.কে. গৌতম এবং প্রয়াত শ্রীপঙ্কজ সারস্বতের প্রতি কৃতজ্ঞ। আমার ক্রিকেটার হয়ে হওয়ার পিছনে তাঁদের ভূমিকা অনস্বীকার্য।'
'পরিবার আমার কাছে শক্তির স্তম্ভ। তাদের সমর্থন সব সময় শক্তি ও সাহস জুগিয়েছে। বাবার প্রতিও অনেক কৃতজ্ঞ। তিনি আমার পথকে আলোকিত করেছেন। তাঁকে ছাড়া এই যাত্রা কখনওই সম্ভব হত না।'
৭৮
'বিসিসিআই, ইউপিসিএ (উত্তরপ্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন) এবং জিসিএ (গুজরাট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন)-কেও ধন্যবাদ জানাই। তারা আমাকে একজন ক্রিকেটার হিসেবে নিজেকে বিকশিত করার সুযোগ দিয়েছে।'
৮৮
'আমার কাছে এটা একটা গভীর আবেগঘন দিন। সমস্ত ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর ঘোষণা করছি। ২২ গজ থেকে সরে গেলেও, ক্রিকেট ছেড়ে বাঁচতে পারব না। হয়তো ক্রিকেট নিয়েই নতুন কোনও যাত্রা শুরু করব।'
কুতুব মিনারের থেকে পাঁচগুণ উঁচু, ভাঙবে না ভূমিকম্পেও! চেনাব সেতুর এই বৈশিষ্ট্যগুলি ভারতের গর্ব
বিশ্বের উচ্চতম রেলসেতুতে ছুটবে শ্রীনগর-কাটরা বন্দে ভারত।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: জুন ৬, ২০২৫, ১৩:২০
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: জুন ৬, ২০২৫, ১৩:২০
১৯
জম্মু-কাশ্মীরের চেনাব ব্রিজ গোটা বিশ্বের উঁচুতে অবস্থিত রেলওয়ে সেতু। যা কিনা আইফেল টাওয়ারের থেকেও উঁচু। জম্মুর কাটরা থেকে শ্রীনগরের কাউরি পর্যন্ত বিস্তৃত এই ব্রিজ।
২৯
চেনাব নদী থেকে ৩৫৯ মিটার উঁচুতে অবস্থিত এই সেতু। আইফেল টাওয়ারের থেকে ৩৫ মিটার বেশি এই সেতুর উচ্চতা। এছাড়াও দিল্লির কুতুব মিনারের তুলনায় এই সেতুর উচ্চতা পাঁচগুণ বেশি। ১৩১৫ মিটার দৈর্ঘ্যের এই ব্রিজটি উধমপুর-শ্রীনগর-বারামুলা রেল লিঙ্কের অংশ।
১৪০ কোটি টাকা খরচ করে তৈরি হয়েছে এই সেতু। ২০০২ সালে এই প্রকল্পে সিলমোহর পড়ে। তবে সেতু তৈরির কাজ শুরু হয় ২০১৭ সাল থেকে। ২০২২ সালের মধ্যে শেষ হয় সেতু তৈরির কাজ।
৪৯
পরের বছরই নতুন সেতুর উপর রেলপথ তৈরির কাজ শুরু হয়। একবছর পর অর্থাৎ ২০২৪ সাল থেকে চেনাব সেতুর উপরে শুরু হয় রেলের ট্রায়াল রান। চলতি বছর জানুয়ারি মাসেই সফলভাবে এই সেতুর উপরে ট্রায়াল রান শেষ করে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস।
৫৯
জম্মু কাশ্মীরের রিয়াসি জেলার চন্দ্রভাগা নদীর উপর তৈরি হয়েছে এই ব্রিজ। ব্রিজটি স্টিল ও কংক্রিট দিয়ে এমন ভাবে তৈরি যা রিখটার স্কেলের ৮ মাত্রার ভূমিকম্পেও ক্ষতির মুখে পড়বে না। বড়সড় বিস্ফোরণেও ক্ষতির সম্ভবনা কম।
চেনাব ব্রিজ এবং সেখানে অবস্থিত রেলপথের মাধ্যমে সরাসরি জুড়ে গিয়েছে শ্রীনগর এবং কাটরা। নতুন লাইনে এক জোড়া বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালাবে রেল। এর ফলে শ্রীনগর থেকে বৈষ্ণোদেবী মন্দিরে নিকটবর্তী কাটরা স্টেশনে যাওয়া যাবে মাত্র ৩ ঘণ্টায়।
৭৯
শুক্রবার সকালে চেনাব ব্রিজের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গত এপ্রিলের ১৯ তারিখ প্রধানমন্ত্রীর এই কর্মসূচি ছিল। কিন্তু আবহাওয়ার প্রতিকূলতায় সেদিন তা স্থগিত হয়ে যায়।
৮৯
তাৎপর্যপূর্ণভাবে ব্রিজটির উদ্বোধন করে জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে সেটার উপর হাঁটতেও দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীকে। উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা এবং উপরাজ্যপাল মনোজ সিনহা উপস্থিত ছিলেন। ছিলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।
৯৯
প্রধানমন্ত্রী চেনাব ব্রিজ উদ্বোধন করার কিছুক্ষণ পরেই যাত্রা শুরু করে এই লাইনের প্রথম বন্দে ভারত।