বলিউডের যৌন কেলেঙ্কারি! বিতর্কে জেরবার হয়েছিলেন যে তারকারা
মায়ানগরীর গ্ল্যামারের আড়ালে অন্ধকার!
আরও পড়ুন:
শক্তি কাপুর: ২০০৫ সাল। এক স্টিং অপারেশনে খ্যাতনামা খলনায়ক ও কমেডি অভিনেতা শক্তি কাপুর ফেঁসে যান কাস্টিং কাউচ কেলেঙ্কারিতে। ভিডিওয় দেখা গিয়েছিল একজন উচ্চাকাঙ্ক্ষী অভিনেত্রী তাঁর কাছে সুযোগ চাইছেন। বিনিময়ে তাঁকে যৌনতার প্রস্তাব দেন শক্তি। ঘুণাক্ষরেও টের পাননি যাঁর সঙ্গে কথা বলছেন তিনি একজন আন্ডারকভার রিপোর্টার। এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছিল বলিউডে। অভিনেতা অবশ্য জানান, এই অভিযোগ সত্যি নয়। তাঁকে ফাঁসানো হচ্ছে।
আমন বর্মা: ২০০৩ সালে (কোনও কোনও সূত্রের দাবি ২০০৫) এক বেসরকারি টিভি চ্যানেলে একটি ভিডিও সম্প্রচারিত হয়। সেখানে দেখা যায় বিখ্যাত টিভি অভিনেতা আমন বর্মা এক উচ্চাকাঙ্ক্ষী অভিনেত্রীকে সুযোগ করে দেওয়ার বিনিময়ে যৌনতার প্রস্তাব দিচ্ছেন। এক্ষেত্রেও ওই অভিনেত্রী ছিলেন ছদ্মবেশী সাংবাদিক। এই ঘটনায় বড়সড় ধাক্কা খায় আমনের কেরিয়ার। তিনিও অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন।
নানা পাটেকর: জনপ্রিয় এই অভিনেতার বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ এনেছিলেন অভিনেত্রী তনুশ্রী দত্ত। তাঁর দাবি ছিল, 'হর্ন ওকে প্লিস' (২০০৮) ছবির শুটিং চলাকালীন নানা পাটেকর তাঁর যৌন হেনস্তা করেন। শুরু থেকেই অভিযোগ অস্বীকার করেন অভিনেতা। পরে ২০১৮ সালে তনুশ্রী এফআইআরও দায়ের করেছিলেন তাঁর বিরুদ্ধে। নানা ছাড়াও কোরিওগ্রাফার গণেশ আচার্য-সহ আরও তিনজনের বিরুদ্ধেও পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন তিনি। যদিও পরে আদালতে মামলা খারিজ হয়ে যায়।
আরও পড়ুন:
অলোক নাথ: অভিনেতা হিসেবে পর্দায় তাঁর বিশেষ খ্যাতি ছিল। 'ম্যায়নে প্যার কিয়া' থেকে 'পরদেশ', ঝুলিতে ছিল বহু ছবি। কিন্তু এক লহমায় সব খ্যাতি অন্ধকারে ঢাকা পড়ে যায় প্রযোজক বিনতা নন্দা তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করায়। পরে আরও দুই অভিনেত্রী একই অভিযোগ করেন। অলোক নাথ সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি পালটা বিনতার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন। আদালতে আগাম জামিনও পেয়ে যান তিনি।