রাজার প্রাসাদ থেকে শাহরুখের ড্রিম হোম, এককালের ‘জন্নত’ কীভাবে হল কিং খানের ‘মন্নত’?
মন্নতের এই ইতিহাস জানেন কি?
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৬, ২০২৫, ১৯:৫৭
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৬, ২০২৫, ১৯:৫৭
১১০
দিল্লি থেকে মুম্বই এসে মায়ানগরীতে টিকে থাকা, অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকের মনের রাস্তা খোঁজা স্ট্রাগলার ছেলেটা স্বপ্ন দেখেছিল মুম্বইয়ের চোখ ধাঁধানো প্রাসাদটা কেনার। কার কথা বলছি নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন? তিনি আর কেউ নন, বলিউডের 'কিং খান' শাহরুখ খান।
২১০
কীভাবে মুম্বইয়ের বুকে মন্নতের মতো প্রাসাদোপম বাংলোর মালিক হলেন শাহরুখ? স্বপ্ন দেখার শুরুই বা কোথায় জানেন? শাহরুখ তখন জার্নি শুরু করেছেন বলিউডে। বাদশা হয়ে ওঠা তখনও হয়নি তাঁর। ইন্ডাস্ট্রিতে নিজেকে প্রমাণ করার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। এমন সময় 'ইয়েস বস' ছবির একটি গানের শুটিং হয়েছিল তাঁর আজকের মন্নতের সামনে। সেই সময় সেই প্রাসাদ দেখে মুগ্ধ শাহরুখ বলেছিলেন, "একদিন আমি এই প্রাসাদ কিনব।"
এরপর বয়ে গিয়েছে অনেক জল। মুম্বইয়ের অন্যতম 'ল্যান্ডমার্ক' এখন মন্নত বহু হাত বদল হয়ে এসেছিল শাহরুখের কাছে। কিন্তু জানেন কি শাহরুখের আগে এই প্রাসাদোপম বাংলোর মালিক কে ছিলেন? কীভাবে তা তৈরি হয়েছিল?
৪১০
ইতিহাস ঘাঁটলে জানা যায় ১৯১৪ সাল নাগাদ তৈরি হয়েছিল এই প্রাসাদ। হিমাচল প্রদেশের মান্ডির রাজা বিজয় সেন তাঁর রাজত্বকালে নির্মাণ করেছিলেন অধুনা 'মন্নত'। রাজা বিজয় সেন তাঁর স্ত্রী অর্থাৎ তাঁর রানির জন্যই নাকি তা তৈরি করেছিলেন।
Advertisement
৫১০
রাজা বিজয় সেনের মৃত্যুর পর এই প্রাসাদ কেনেন এক পার্সি সঙ্গীত অনুরাগী। নাম দেন 'ভিলা ভিয়েনা'। ভিয়েনা ক্লাসিক্যাল সঙ্গীতের প্রতি তাঁর অনুরাগ থেকে এই আজকের মন্নতের নামকরণ হয় 'ভিলা ভিয়েনা'। এরপর তাঁর মৃত্যুর পর এই প্রাসাদ দেখাশোনার সমস্ত দায়িত্বভার পান তাঁর পৌত্র।
পরবর্তীতে ১৯৯০ সালের শেষের দিকে এই বাংলো কেনেন ভরত শাহ নামে এক প্রযোজক। যিনি ছিলেন বিপুল ধনসম্পত্তির অধিকারী। সেই সময়েই কাকতালীয় ভাবে শাহরুখের তাঁর এই ড্রিম হাউসকে চাক্ষুষ করা। এই বাড়ি একদিন তাঁর হবে সেই স্বপ্ন বোনার শুরু।
Advertisement
৭১০
তবে বেশিদিন তার জন্য অপেক্ষা করতে হয়নি। ২০০১ সালে মুম্বইয়ের বুকে নিজের ড্রিম হাউস কেনেন শাহরুখ ও গৌরী। এককালের রাজার প্রাসাদ হয়ে ওঠে বলিউডের কিং'এর 'মন্নত'।
৮১০
যদিও জানা যায় যে, প্রথমে মন্নত নয়, শাহরুখ ও গৌরী স্বর্গের সমান এই বাংলোর নাম রেখেছিলেন জন্নত। পরবর্তীকালে সেই নাম তাঁরা পরিবর্তন করে রাখেন মন্নত। ১৩ কোটি টাকার বিনিময়ে ২০০১ সালে এই প্রাসাদোপম বাংলো কেনেন বাদশা।
৯১০
বর্তমানে বাড়ছে মন্নতের কলেবর। চলছে শাহরুখের বাড়ির অন্দরে জোরকদমে কাজ। নতুনভাবে নিজের বাসস্থানকে সাজিয়ে তুলছেন বাদশা।
১০১০
দিল্লির ভূমিপুত্র শাহরুখ বেড়ে ওঠার সময় দেখেছেন রাজধানীতে অধিকাংশ মানুষের বাংলো রয়েছে। সেখান থেকেই নাকি তাঁর বাংলো কেনার স্বপ্ন দেখার শুরু। আর ঠিক তাঁর সেই সিনেমার সংলাপের মতোই বলতে হয় 'কিসি চিজ কো সিদ্ধত সে চাহো তো...', অর্থাৎ মন থেকে চাইলে, স্বপ্ন দেখলে তা সত্যিও হয়। ছবি: সোশাল মিডিয়া।
পর্যটকদের জন্য দারুণ খবর, অনলাইনেই মিলবে নাথু লা-লাচেন-লাচুং-জুলুকের পারমিট! কীভাবে?
নয়া এই সিস্টেম হবে সম্পূর্ণ ডিজিটাল।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৬, ২০২৫, ১৬:১৭
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৬, ২০২৫, ১৬:১৭
১৭
সামনেই নতুন বছর। তার আগে বছর শেষের ছুটিতে অনেকেই বেড়াতে যান। বিশেষ করে সিকিমের নাথু-লা, ছাঙ্গু উপত্যকা, লাচেন, লাচুং, জুলুকের মতো জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রগুলো ভ্রমণ পিপাসুদের প্রথম পছন্দের তালিকায় থাকে। অনেক ক্ষেত্রে যদিও এই সমস্ত জায়গায় যাওয়ার ক্ষেত্রে পারমিটের জন্য অপেক্ষা করতে হয় পর্যটকদের। গাড়ি চালকদের উপর ভরসা করতে হয়। তবে এবার স্বস্তির খবর। পারমিট পেতে আর লাইনে দাঁড়াতে হবে না পর্যটকদের। অনলাইনেই মিলবে পরিষেবা।...
২৭
নয়া এই সিস্টেম হবে সম্পূর্ণ ডিজিটাল। আধিকারিকরা মনে করছেন, পাহাড়ের উঁচু পর্যটন কেন্দ্রগুলির জন্য পারমিট চালু হলে খুব সহজেই কলকাতায় বসে কোনও পর্যটক পারমিট জোগাড় করে নিতে পারবেন। এজন্য কোথাও ছুটতে হবে না। পুরো প্রক্রিয়া হবে সরকার। এক্ষেত্রে একদিকে যেমন পর্যটকদের সুবিধা হবে, অন্যদিকে আয় অনেকটাই বাড়বে বলেও মনে করছে সিকিম সরকার।
সিকিম রাজ্য পর্যটন বিভাগের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব সিএস রাও বলেন, "নাথু-লা , ছাঙ্গু উপত্যকা, লাচেন, লাচুং এবং জুলুকের মতো জনপ্রিয় উঁচু এলাকাগুলোতে ভ্রমণ সহজ এবং দ্রুত করার জন্য অনলাইন পারমিটের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।" কিন্তু কীভাবে হবে?
৪৭
সিএস রাও এই প্রসঙ্গে আরও জানিয়েছেন, ''পর্যটকরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। পুরোটাই হবে কিউআর কোডের মাধ্যমে। আর তা স্ক্যান করে একদিকে দ্রুত যাচাই পর্ব শেষ করা সম্ভব হবে।'' অন্যদিকে চেকপয়েন্টগুলিতে মসৃণ ক্লিয়ারেন্স নিশ্চিত পাওয়া সম্ভব হবে বলেও জানিয়েছেন সিকিম রাজ্য পর্যটন বিভাগের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব। তাঁর কথায়, ''সিকিমের পর্যটন শিল্পে আধুনিকীকরণের জন্য যে সমস্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে ডিজিটাল পারমিট সিস্টেম তার অন্যতম। এরফলে পর্যটকদের আরও উন্নত...
৫৭
পারমিট পাওয়ার জন্য আর কোথাও ছোটাছুটি করার প্রয়োজন হবে না। দেশের যে কোনও প্রান্ত থেকেই নির্দিষ্ট ব্যবস্থার মাধ্যমেই অনলাইনে পারমিটের জন্য আবেদন করা যাবে। সিএস রাও জানিয়েছেন, ''এই অবস্থায় আগামী দিনে সিকিম ভ্রমণে ম্যানুয়াল নথিপত্রের প্রয়োজন হবে না। সবটাই হবে ডিজিটাল ব্যবস্থায়।'' শুধু তাই নয়, নতুন ব্যবস্থায় সীমাবদ্ধ অঞ্চল পারমিট এবং সুরক্ষিত অঞ্চল পারমিট দেওয়ার ব্যবস্থাও থাকবে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা।
সিকিমের পর্যটন ও বেসামরিক বিমান পরিবহন দপ্তরের মন্ত্রী টিটি ভুটিয়া জানান, সিকিমে পর্যটন শিল্পে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী সার্কিট, আধ্যাত্মিক ও যুদ্ধক্ষেত্র পর্যটন, অ্যাডভেঞ্চার কার্যক্রম এবং পরিবেশবান্ধব গ্রামীণ পর্যটন। তিনি যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের প্রসঙ্গে জানান, ''পাকিয়ং বিমানবন্দরের পরিকাঠামো সম্পূর্ণ হলেও বিমান চলাচল এখনও শুরু হয়নি। তবে বাগডোগরা ও গ্যাংটকের মধ্যে এম-১২ হেলিকপ্টার পরিষেবা রয়েছে।''
৭৭
মন্ত্রী জানান, ''সিকিম রাজ্য পর্যটন দপ্তর বুকিং ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন চালু করেছে। এর মাধ্যমে পর্যটকরা সরাসরি হোমস্টে এবং স্থানীয় গাইডের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন।'' এছাড়াও পর্যটকদের নিরাপত্তাতেও জোর দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন টিটি ভুটিয়া। তাঁর কথায়, ''ট্যুরিস্ট পুলিশ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সোরেং জেলায় প্যারাগ্লাইডিং এবং বোল্ডারিংয়ের মতো অ্যাডভেঞ্চারের সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।'' একগুচ্ছ নয়া ব্যবস্থায় আগামী ছুটির মরশুমে পর্যটক সংখ্যা বাড়বে বলেই মনে করছে সিকিম...
ঘরের মাঠে নিজেদের পছন্দমতো পিচ বানিয়েও লজ্জার হার ভুগেছে ভারতীয় দল।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৬, ২০২৫, ১৪:১৭
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৬, ২০২৫, ১৪:১৭
১১০
ইডেনের পর গুয়াহাটি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে আবারও লজ্জার হার ভারতের। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট ৪০৮ রানে হেরেছেন ঋষভ পন্থরা।
২১০
এই হারের পর বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে পয়েন্ট টেবিলে পঞ্চম স্থানে নেমে গিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের নতুন চক্রে এখন পর্যন্ত ৯ ম্যাচ খেলেছে টিম ইন্ডিয়া।
এর মধ্যে ৪ টেস্টে জয় পেলেও চারটিতে হেরে গিয়েছেন শুভমান গিলরা। একটি ম্যাচ ড্র করেছে ভারত। ভারতের পয়েন্টের শতাংশের হার ৫৪.১৭ থেকে নেমে ৪৮.১৫-তে পৌঁছেছে।
৪১০
চলতি WTC সাইকেলে এখনও পর্যন্ত ৯টি টেস্ট খেলেছে টিম ইন্ডিয়া। আরও ৯টি টেস্ট খেলবেন ঋষভ পন্থরা। তার মধ্যে ৫টি টেস্ট ঘরের মাঠে, ৪টি বিদেশের মাটিতে।
৫১০
বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালে ওঠার দৌড়ে ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের ভাবাচ্ছে কোচ গৌতম গম্ভীরের লজ্জার রেকর্ড। তাঁর অধীনে ১৮ ম্যাচ খেলে মাত্র ৭টি জিততে পেরেছে ভারত।
গত বছর বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ২-০ জিতেছিল ভারত। কিন্তু তার কয়েকদিন পরেই ঘরের মাঠে মুখ থুবড়ে পড়ে ভারত। দীর্ঘ ২৪ বছর পর ঘরের মাঠে চুনকামের লজ্জা সইতে হয় ভারতীয় ক্রিকেটকে।
৮১০
অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়েও ভারতের সঙ্গী লজ্জা। পারথ টেস্টে জিতলেও সিরিজে দুরন্ত কামব্যাক করেন প্যাট কামিন্সরা। শেষ পর্যন্ত ১-৩ হেরে অস্ট্রেলিয়া থেকে ফেরে ভারত।
৯১০
বিরাট কোহলি-রোহিত শর্মাদের অবসর নেওয়ার পর ইংল্যান্ড সফরে গিয়ে ২-২ ড্র করে ভারত। দেশে ফিরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ২-০ জয় আসে শুভমান গিলদের ঝুলিতে।
১০১০
কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ভারতীয় টেস্টের কঙ্কালসার চেহারা আবারও বেরিয়ে পড়ল। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধে ০-২ পর্যুদস্ত ভারত। শঙ্কা বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠা নিয়ে।