রক্তাক্ত ভূস্বর্গ! বারবার টার্গেট পর্যটন কেন্দ্রগুলি, এই ৯ হামলায় শিউরে উঠেছিলেন পর্যটকরা
কেন বেছে বেছে পর্যটন কেন্দ্রেই আক্রমণ?
পহেলগাঁও হামলা (২২ এপ্রিল, ২০২৫)- পহেলগাঁওয়ের বৈসরনে সবুজ উপত্যকায় পর্যটকদের উপর হামলা চালায় জঙ্গিরা। আইবি অফিসার, নৌসেনা আধিকারিক-সহ ২৬ জন পর্যটক নিহত হন। আহত হন আরও অনেকে। লশকর-ই-তইবার সংগঠন দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট এই হামলার দায় স্বীকার করে। এদিকে এই হামলার পর সন্ত্রাসবাদ দমনে আরও কড়া অবস্থান নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে ভারত সরকার। কিন্তু কেন বার বার পর্যটনস্থল গুলিতে হামলা চালাচ্ছে জঙ্গিরা। তবে কী সাধারণ মানুষের...
আরও পড়ুন:
পুণে জার্মান বেকারি বিস্ফোরণ ( ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১০)- পুণের জার্মান বেকারিতে বোমা বিস্ফোরণে ১৮ জন নিহত হন। আহত হন আরও ৬০ জন। ২০০৮ সালের মুম্বই হামলার পর এটাই ছিল ভারতে সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসবাদী হামলা।লস্কর-ই-তইবা এবং ইন্ডিয়ান মুজাহেদিন (স্টুডেন্স ইসলামিক মুভমেন্ট অফ ইন্ডিয়া) ছদ্মনামে এই হামলার দায় স্বীকার করে।
আরও পড়ুন:
২৬/১১ মুম্বই হামলা ( ২৬-২৯ নভেম্বর, ২০০৮)- লস্কর-ই-তইবার ১০ জন সশস্ত্র জঙ্গি মুম্বইয়ের বিভিন্ন জনবহুল এলাকায় হামলা চালায়। এই সন্ত্রাসবাদী হামলায় ১৬৪ জন সাধারণ নাগরিক প্রাণ হারান। আহত হন ৩০৮ জন। ৯ জন সন্ত্রাসবাদীকে গুলি করে খতম করা হয়। গ্রেপ্তার করা হয় একমাত্র জীবীত জঙ্গি আজমল কাসভকে। পরে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এই হামলা ভারতের বুকে সবচেয়ে বড় নাশকতামূলক হামলা ছিল। সারা বিশ্ব এই হামলার...