একই দলে সুনীল ও উসেইন বোল্ট! ফুটবল মাঠে আবেগে ভাসলেন দর্শকরা
ম্যাচের পর কী বললেন বিশ্বের ‘দ্রুততম মানব’?
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: অক্টোবর ২, ২০২৫, ১৮:১১
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: অক্টোবর ২, ২০২৫, ১৮:১১
১৮
অলিম্পিকে আট সোনার মালিক তিনি। সেই উসেইন বোল্টকে কখনও পাস দিচ্ছেন সুনীল ছেত্রী। কখনও বা সুনীলকে ক্রস বাড়াচ্ছেন কিংবদন্তি স্প্রিন্টারকে। মুম্বইয়ে প্রীতি ম্যাচে এমনই দৃশ্য। যা দেখে দর্শকরা খুশিতে ডগমগ
২৮
বুধবার বেঙ্গালুরু এফসি'র জার্সি গায়ে ফুটবল খেললেন বিশ্বের 'দ্রুততম মানব'। ফাইভ-এ-সাইড এই ম্যাচে বোল্টের প্রতিপক্ষ দল ছিল মুম্বই সিটি এফসি।
তিনি সতীর্থ হিসাবে পেলেন সুনীল ছেত্রী, গুরপ্রীত সিং সান্ধুদের। দলে ছিলেন সতীর্থ ছিলেন বেঙ্গালুরু এফসি'র মালিক পার্থ জিন্দালও।
৪৮
পুমা কোম্পানি ছিল ম্যাচটির আয়োজক। এই ম্যাচে মুম্বই সিটি এফসি, বেঙ্গালুরু এফসি'র ফুটবলাররা তো বটেই, অংশ নিয়েছিলেন বলিউড অভিনেতারাও।
Advertisement
৫৮
পুমার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর কিংবদন্তি স্প্রিন্টার উসেইন বোল্ট বলেন, "ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড আমার প্রথম পছন্দ। এরপর ফুটবলও আমার খুব প্রিয়। এখানে খেলার অভিজ্ঞতা অসাধারণ ছিল। এই ম্যাচ ঘিরে দারুণ একটা আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। তাই খেলা শেষের বাঁশি বাজার পরেও এর রেশ থেকে যাবে।"
পুমার অ্যাম্বাসেডর সুরেশ ওয়াংজাম, আকাশ মিশ্র এবং ফুরবা লাচেনপা-ও এই ম্যাচে অংশ নিয়েছিলেন। খেলেছিলেন দিনো মোরিয়া, অপারশক্তি খুরানার মতো অভিনেতারাও।
Advertisement
৭৮
বলিউড ডিভা এবং পুমার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর কারিনা কাপুর খান টস করতে আসেন। গোটা ম্যাচে তিনি মাঠের পাশে থেকে দুই দলকেই উৎসাহিত করেন।
৮৮
পুমা ইন্ডিয়ার ম্যানেজিং ডিরেক্টর কার্তিক বালাগোপালন বলেন, "আমরা বোল্টকে এনে খেলাধুলার আনন্দ উদযাপন করতে চেয়েছি। আশা করি, এমন অভিজ্ঞতা ভক্তরা চিরকাল মনে রাখবে। এই অনন্য ফুটবল ম্যাচের মাধ্যমে খেলাধুলা এবং বিনোদন জগতের আইকনদের এক মঞ্চে একত্রিত করেছে পুমা। মুম্বই সিটি এবং বেঙ্গালুরু এফসি এই আনন্দ উদযাপনকে বিশেষ করে তুলেছে।"
সঙ্গে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: অক্টোবর ১, ২০২৫, ২০:৩৩
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: অক্টোবর ১, ২০২৫, ২০:৩৩
১৭
নবমীর সন্ধ্যায় মানুষের ঢল নেমেছে কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন অংশের দুর্গাপুজোর মণ্ডপগুলিতে। উৎসব, আনন্দের পরিবেশ বাংলায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বেরিয়ে পড়লেন বাড়ি থেকে।
২৭
এদিন সন্ধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী পৌঁছে যান কালীঘাটের মন্দিরে। তাঁকে দেখে উৎসাহিত হয়ে ওঠেন মন্দির চত্বর ও আশপাশে থাকা সাধারণ মানুষজন। তিনিও রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় সাধারণদের উদ্দেশ্যে হাত নাড়েন।
আসি আসি করে পুজো আসতেই যেন শেষ। চোখের নিমেষে এবার পালা উমা বিদায়ের। আর মা দুর্গার বিদায় মানে সিঁদুরখেলা। প্রায় প্রতিটি বাঙালি বিবাহিত মহিলা বিজয়া দশমীতে মেতে ওঠেন সিঁদুরখেলা। দেবী প্রতিমাকে বরণের পর একে অপরকে সিঁদুর মাখিয়ে দেন।
২১০
চিরাচরিত এই রীতিতে অংশ নিতে প্রায় প্রত্যেক বিবাহিত মহিলারা বিশেষ উৎসাহী। উমা বিদায়ে মনখারাপ হয় ঠিকই, তবে সাজগোজে কোনও খামতি যেন না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখেন সকলেই।
সাদা-লাল পাড় তাঁত কিংবা সুতির শাড়িও পরতে পারেন। তাতে সিঁদুরের দাগ লেগে গেলে তোলার সমস্যা কম।
৫১০
মন চাইলে সিঁদুরখেলায় লাল বেনারসিও পরতে পারেন। তার সঙ্গে মানানসই গয়নাগাটি পরলে মন্দ লাগবে না। তবে অবশ্যই সিঁদুরখেলার পর বেনারসি ড্রাই ওয়াশ করাতে ভুলবেন না। তাতে শাড়ির ক্ষতি হবে।