বাদ শচীন, উইজডেনের সর্বকালের ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট একাদশে কারা?
ক’জন ভারতীয় রয়েছেন একাদশে?
১৪ নভেম্বর থেকে শুরু হতে চলেছে ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট সিরিজ। দুই দল ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টিতেও মুখোমুখি হবে। তার আগে ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেটারদের নিয়ে সর্বকালের সেরা টেস্ট একাদশ বেছে নিল উইজডেন। অবাক করে দেওয়ার মতো তথ্য হল, সেই দলে স্থান পেলেন না শচীন তেণ্ডুলকর। কারা জায়গা পেলেন সেরা একাদশে? দেখে নেওয়া যাক।
আরও পড়ুন:
ডিন এলগার: ভারতের বিরুদ্ধে ১৫ টেস্টে তাঁর রান ১,০১২। গড় ৪০.৪৮। সর্বোচ্চ ১৮৫। তাছাড়াও ২৭.৬৭ গড়ে ৬ উইকেট রয়েছে। সেরা বোলিং ২২/৪। ২০২৩ সালের ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজের পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেন তিনি। বিদায়ী ম্যাচে বিরাট কোহলি এবং রোহিত শর্মা তাঁকে সম্মান জানান। কোহলি নিজের হাতে তাঁকে জার্সি তুলে দেন। পুরস্কার বিতরণীর মঞ্চে রোহিত শর্মাকে দেখা যায় ভারতীয় দলের ক্রিকেটারদের সই করা এলগারের হাতে...
আরও পড়ুন:
বিরাট কোহলি (অধিনায়ক): দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ১৬ টেস্টে তাঁর গড় ৫৪.১৫। রান সংখ্যা ১,৪০৮। তিনটি শতরান-সহ সর্বোচ্চ রান অপরাজিত ২৫৪। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে চারটি ভিন্ন সিরিজে তাঁর গড় কমপক্ষে ৪০ ছিল। ২০১৭/১৮ সালে সেঞ্চুরিয়নে ১৫৩ রান বিশেষভাবে উল্লেখ করার মতো। পুরো সিরিজে অন্য কোনও ভারতীয় ১৫৩ রান করতে পারেননি। ২০১৯ সালে পুণেতে তাঁর অপরাজিত ২৫৪ রানের বিরাট ইনিংস তো অনেকেরই মনে আছে।
এবি ডি ভিলিয়ার্স (উইকেটরক্ষক): ভারতের বিরুদ্ধে ২০ টেস্টে তাঁর রান ১,৩৩৪। গড়। সর্বোচ্চ অপরাজিত ২১৭। রয়েছে ৩টি সেঞ্চুরি। উইকেটকিপার হিসাবে খেলেছেন ৩টি টেস্ট। ৪১ গড়ে ২০৫ রান করেছেন। সর্বোচ্চ ১০৩। রয়েছে একটি সেঞ্চুরিও। ক্যাচ নিয়েছেন ১৫টি। ঘটনাচক্রে উইকেটকিপার হিসাবে কম ম্যাচ খেললেও তাঁর পরিসংখ্যানই অন্যদের থেকে তাঁকে এগিয়ে রেখেছে।
অনিল কুম্বলে: দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ২১ ম্যাচে ৩১.৭৯ গড়ে নিয়েছেন ৮৪ উইকেট। ১৯৯১-৯২ সালে জোহানেসবার্গে তাঁর অবিস্মরণীয় বোলিংয়ের কথা ক্রিকেট ইতিহাসে অমর। ৪৪-২২-৫৩-৬। অর্থাৎ ওভার পিছু ১ রানের সামান্য বেশি দিয়েছিলেন। তিনবার পাঁচ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্বও রয়েছে জাম্বোর। তাছাড়াও ১৫.৬১ গড়ে ৪৮৪ রানও করেছেন। সর্বোচ্চ ইডেন গার্ডেন্সে করা ৮৮ রান।
ডেল স্টেন: ১৪ ম্যাচে ২১.৫৩ গড়ে ৬৫ উইকেট রয়েছে এই পেসারের। সেরা বোলিং ৫১/৭। পাঁচবার পাঁচ উইকেট এবং ১০ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব রয়েছে তাঁর। ভারতের মতো স্পিনবান্ধব উইকেটেও তাঁর পেস আগুন ঝরিয়েছে। ২০০৮ সালে আহমেদাবাদে টেস্টের প্রথম সেশনে ২৩/৫ উইকেট নিয়ে ভারতীয় ইনিংসকে ভেঙে দিয়েছিলেন। দ্বিতীয় ইনিংসেও ৯১/৩ উইকেট পান। ২০১০ সালে নাগপুরে প্রথম ইনিংসে তাঁর বোলিংয়ে খোরকুটোর মতো ভেঙে যায় টিম ইন্ডিয়ার শক্তিশালী ব্যাটিং।...