Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
People offering prayers in Baidyanath Dham

শিবকে ছুঁলেই অনুভূত হয় রাবণের পদচিহ্ন, দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গ বৈদ্যনাথ ধামের মাহাত্ম্য জানেন?

শিবরাত্রিতে বৈদ্যনাথ ধামে উপচে পড়ছে পুণ্যার্থীর ভিড়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৩, ১১:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৩, ১১:৪৮

options
link
শিবকে ছুঁলেই অনুভূত হয় রাবণের পদচিহ্ন, দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গ বৈদ্যনাথ ধামের মাহাত্ম্য জানেন? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শনিবার শিবরাত্রি। তিথি অনুযায়ী প্রতি বছরই ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণ চতুর্দশীতে শিবরাত্রি পালন করা হয়। এই বিশেষ দিনটিতে প্রায় প্রত্যেক শিবমন্দিরে ভিড় জমান ভক্তরা। ব্যতিক্রম নয় দেওঘরের বৈদ্যনাথ ধামও। কারণ, সতীর একান্ন পীঠের অন্যতম সতীপীঠের পাশাপাশি দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গের অন্যতম বৈদ্যনাথ ধাম। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে পুজোপাঠ।

প্রতিদিন ভোর চারটেয় খোলে বৈদ্যনাথ ধামের মন্দির। প্রথমে পান্ডারা শুধুমাত্র জল দিয়ে পুজো করেন। এরপর ষোড়শ উপাচারের পুজো হয়। তারপর ভক্তরা মন্দিরে প্রবেশ করেন। নিজের মতো করে তাঁরা পুজো করতে পারেন। দুপুরে রুদ্রাভিষেক হয়। বিকেলে মন্দিরের গর্ভগৃহ-সহ প্রায় সর্বত্র জল দিয়ে ধুয়ে ফেলা হয়। সন্ধেয় মন্দিরে আরতির আয়োজন করা হয়। তা দেখতে ভিড় জমান অগণিত পুণ্যার্থী।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এছাড়া সাংসারিক শান্তি এবং দাম্পত্য জীবনে সুখ নিশ্চিত করতেও নানা রীতি রয়েছে বৈদ্যনাথধামে।বৈদ্যনাথ মন্দিরের চূড়া থেকে জয়দুর্গার মন্দিরের চূড়ায় গাঁটছড়া বাঁধার রেওয়াজ শিবরাত্রিতে। ডিভোর্স এড়াবার মোক্ষম দাওয়াই নাকি এই ‘গাঁটবন্ধন’। 

[আরও পড়ুন: শিবরাত্রিতে উপবাস করছেন? জেনে নিন কোন কোন নিয়ম অবশ্য পালনীয়]

বৈদ্যনাথ ধামের রয়েছে আলাদা মাহাত্ম্য। পৌরাণিক কাহিনি অনুযায়ী, রাবণের নিত্যপুজোয় খুশি হন শিব। তাই কৈলাস ছেড়ে লঙ্কায় যেতে রাজি হন। তবে শিব রাবণকে শর্ত দেন। জানান, মাথায় করে নিয়ে যেতে হবে তাঁকে। পথে কোথাও রাখা যাবে না। শিব কৈলাস ছেড়ে যাবেন, তা আবার মানতে পারেননি পার্বতী। তাই ফন্দি আঁটেন পার্বতী। তাঁর নির্দেশে স্বয়ং বরুণদেব আচমনের জলে রাবণের উদরস্থ হন। প্রস্রাবরূপে বেরতে চান। তাতেই রাবণ মহাবিপদে পড়ে।

এবার শ্রীবিষ্ণু রাখাল সেজে রাবণের সামনে হাজির হন। তাঁকে শিলাটি ধরতে দেন রাবণ। বসেন শৌচকর্মে। রাবণ শৌচ সেরে ফিরে এসে দেখেন শিব আর নেই। তাই রাবণ আর শিবকে লঙ্কায় নিয়ে যেতে পারেননি। রাবণ শিবকে মাটি থেকে তুলতে না পেরে তাঁর মাথায় আঘাত করে। আর তাই কথিত আছে এখানে শিবের মাথায় হাত বোলালে রাবণের আঙুলের চিহ্ন অনুভূত হয়।

[আরও পড়ুন: শিবরাত্রিতে উপবাস করছেন? জেনে নিন কোন কোন নিয়ম অবশ্য পালনীয়]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.