Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬

২.১ কিমি নয়, চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে ঢিলছোঁড়া দূরত্ব পর্যন্ত ইসরোর নিয়ন্ত্রণে ছিল বিক্রম!

বিক্রম নিয়ে ফের আশার কথা শোনাল ইসরো।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯, ২৩:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯, ২৩:২২

options
link
২.১ কিমি নয়, চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে ঢিলছোঁড়া দূরত্ব পর্যন্ত ইসরোর নিয়ন্ত্রণে ছিল বিক্রম! zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ল্যান্ডার বিক্রম নিয়ে আরও আশার কথা শোনাল ইসরো। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছিল, বিক্রম চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে ২.১ কিলোমিটার দূরে থাকাকালীন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। অরবিটার এবং ইসরোর গ্রাউন্ড স্টেশন থেকে সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায় ল্যান্ডার বিক্রমের। কিন্তু, বিশদ গবেষণার পর জানা গিয়েছে, ২.১ কিলোমিটার নয়, বরং চন্দ্রপৃষ্ঠের এক্কেবারে কাছে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে ল্যান্ডার। চন্দ্রপৃষ্ঠের ৪০০ মিটার দূর পর্যন্তও বিক্রমের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল ইসরোর।

[আরও পড়ুন: ল্যান্ডার বিক্রমের আয়ু মাত্র ১৪ দিন, কেন জানেন?]

ল্যান্ডার বিক্রমের সন্ধান পাওয়ার পর থেকেই তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে। কেন চন্দ্রযানের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হল, তা খুঁজে বের করার জন্য একটি গবেষকদলও গঠন করা হয়েছে। সেই গবেষকদল রেখাচিত্র গবেষণার পর জানিয়েছেন, ২.১ কিলোমিটার নয়। ইসরোর সঙ্গে ল্যান্ডারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ৪০০ মিটার উপরে। অর্থাৎ সফলভাবে চাঁদের মাটির এক্কেবারে ঢিলছোঁড়া দূরত্বে পৌঁছে যায় বিক্রম। এটা নিঃসন্দেহে বিরাট বড় সাফল্য।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

Vikram-V

[আরও পড়ুন: ‘চাঁদের দক্ষিণ মেরু বিপজ্জনক, ইতিহাস গড়েছে চন্দ্রযান’, ইসরোর প্রশংসায় ইউরোপ]

শুক্রবার রাতে যখন বিক্রমের সফট ল্যান্ডিং হচ্ছিল তখনই দেখা যায়, ২.১ কিলোমিটার পর্যন্ত নিখুঁতভাবে পৌঁছে গিয়েছে ল্যান্ডার। ইসরোর দেখানো রেখাচিত্রতেই দেখা গিয়েছিল, স্ক্রিনের উপর যে তিনটি রেখা ছিল তাঁর ঠিক মাঝের রেখা বরাবর (প্রত্যাশিতভাবে) নিচে নামছে বিক্রম। এই সময় বেশ কয়েক দফায় কমানো হয়েছে ল্যান্ডারের গতি। চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে ল্যান্ডারের দূরত্ব যখন ৩-৫ কিলোমিটার, তখন মাঝের লালরেখা থেকে সামান্য দূরে সরে যায় বিক্রমের সবুজ রেখা (উপরের ছবিতে দেখুন)। কিন্তু, তাতে খুব একটা সমস্যা হয়নি। ২.১ কিলোমিটার দূরত্বে আসার পর হঠাৎ মাঝের লাল রেখার থেকে অনেকটা নিচে নেমে যায় বিক্রমের সবুজ রেখা। অর্থাৎ তখনই নিয়ন্ত্রণ হারানো শুরু করে বিক্রম। তাঁর কয়েক সেকেন্ড পরই একটা সবুজ বিন্দুর মতো অবস্থান দেখা যায় বিক্রমের। তারপর থেকে আর খোঁজ পাওয়া যায়নি চন্দ্রযানের ল্যান্ডারের। অর্থাৎ, ওই বিন্দু পর্যন্ত ইসরোর সঙ্গে যোগাযোগ ছিল ল্যান্ডারের। পরে গবেষণা করে দেখা গিয়েছে, ওই বিন্দুটির সঙ্গে চন্দ্রপৃষ্ঠের দূরত্ব মাত্র ৪০০ মিটার। অর্থাৎ, মাত্র ৪০০ মিটার আগে নিয়ন্ত্রণ হারায় বিক্রম।
নতুন এই তথ্য সামনে আসার পর ফের আশায় বুক বাঁধছেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা। কারণ, মাত্র ৪০০ মিটার উপর থেকে পড়ার পর বিক্রমের খুব একটা ক্ষতি হওয়ার কথা নয়। তাই, বিক্রমের সঙ্গে যোগাযোগের একটা উপায় হলেও হতে পারে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.