Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
সমুদ্রের জলতল বৃদ্ধি

সমুদ্রের জলতল বৃদ্ধির অভিশাপ, আগামী শতকে ঘর হারানোর আশঙ্কা মার্কিনীদের

সাম্প্রতিক গবেষণা রিপোর্টে আশঙ্কা প্রকাশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৬, ২০২০, ১৯:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৬, ২০২০, ১৯:৫৩

options
link
সমুদ্রের জলতল বৃদ্ধির অভিশাপ, আগামী শতকে ঘর হারানোর আশঙ্কা মার্কিনীদের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সমুদ্রের জলতল বেড়ে ঘরবাড়ি ভেসে যাবে। দলে দলে মানুষজনকে উচ্ছেদ হতে হবে। আগামী শতকের মধ্যেই বিশ্বের অন্যতম বড় উদ্বাস্তু সমস্যার মধ্যে পড়বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। রিপোর্ট প্রকাশ করে উদ্বেগ বাড়াল একটি গবেষণা। বিপদের মধ্যে আটলান্টা, হাউস্টন, ডালাস, ডেনভার, লাস ভেগাস। ২১০০ সালের মধ্যে এসব প্রদেশের অন্তত ১৩ মিলিয়ন মানুষকে ডুবন্ত অবস্থা থেকে বাঁচতে ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র পাড়ি জমাতে হবে বলে রিপোর্টে উল্লেখ।

sea-level-migration

Advertisement

এই প্রথম মেশিন লার্নিং নামে একটি প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে সমুদ্রের জলতল বৃদ্ধি নিয়ে গবেষণা করেছে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি দল। গবেষণার রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই আমেরিকায় এই নিয়ে শুরু হয়েছে জোরদার আলোচনা। এর আগে ২০১৭ সালে হারিকেন হার্ভে তছনছ করে দিয়েছিল টেক্সাসের উপকূল এলাকা। প্রচুর মানুষজন নিজেদের বাড়ি ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন। যদিও তাঁরা দেশের মধ্যে অন্যত্র নতুন বসতি গড়ে তুলছিলেন। নয়া গবেষণায় সেই পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনা করে এর নেতৃত্বে থাকা কম্পিউটার সায়েন্সের অধ্যাপক বিস্ত্রা দিলকিনার কথায়, “আগামী শতকে এই সমস্যা আরও বাড়বে। সমুদ্রের জলতল বেড়ে যাওয়াই এর জন্য দায়ী হতে চলেছে। আমেরিকার প্রতিটি প্রদেশই এর জন্য কমবেশি প্রভাবিত হবে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

[আরও পড়ুন: মাছের পেটে প্লাস্টিক ব্যাগ! ভাইরাল ভিডিও চিন্তা বাড়াচ্ছে পরিবেশপ্রেমীদের]

এই মেশিন লার্নিংয়ের মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলে কেমন প্রভাব ফেলবে এই সমস্যা, তা বেশ ভালভাবে বোঝা গিয়েছে বলে দাবি গবেষকদের। বলা হচ্ছে, তুলনায় ছোট এলাকাগুলি থেকে শ’য়ে শ’য়ে মানুষ চলে যেতে বাধ্য হবেন বড় জায়গায়। ঠাঁই খোঁজার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাবে। বাড়বে জমি,বাড়ির দাম। চাকরিবাকরির বাজারে প্রতিযোগিতা বেড়ে যাবে।

এতদিন মেক্সিকো ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশ থেকে অত্যাচারিত হয়ে কিংবা গৃহযুদ্ধের শিকার হয়ে পালিয়ে আমেরিকা ও ইউরোপের অন্যান্য দেশে আশ্রয় নিয়েছেন। শরণার্থী সমস্যা একটা সময়ে যেভাবে বেড়ে গিয়েছে, তাতে নতুন করে অভিবাসন নীতি তৈরির পথে হাঁটতে হয়েছে সেসব দেশের প্রশাসন। ট্রাম্প প্রশাসনও মেক্সিকো থেকে শরণার্থী আটকাতে পাঁচিল তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। যদিও সকলে সহমত না হওয়ায় সেই কাজ স্থগিত হয়ে গিয়েছে। এমন পদক্ষেপ নিতে চলা আমেরিকা এখন নিজের দেশেই পরবাসী হওয়ার উপক্রম। যার নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ নয়, রয়েছে বিশ্ব উষ্ণায়নের মতো প্রাকৃতিক কারণ। সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, ফ্লোরিডা, নর্থ ক্যারোলিনা, ভার্জিনিয়া, বস্টন, নিউ অরলিন্স এলাকায় সমুদ্রের জলতল গড়ে ৬ ফুট করে বেড়ে যাবে। হিমবাহ গলা জলে চাপা পড়ে যাবে অনেক কিছুই। আর সেই দিন খুব বেশি দূরে নয়। ২১০০ সালেই এমন ভয়াবহ বিপদের মুখে পড়বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

[আরও পড়ুন: মিশন গগনযানের প্রস্তুতি তুঙ্গে, যন্ত্রমানবী ‘ব্যোমমিত্র’কে মহাকাশে পাঠাবে ইসরো]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.