Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Indian

বিজ্ঞান ও পরিবেশে অনন্য গবেষণা, আমেরিকার সর্বোচ্চ প্রযুক্তি সম্মান ২ ভারতীয় বংশোদ্ভূতকে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন পুরস্কৃত করেন তাঁদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৬, ২০২৩, ০৯:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৬, ২০২৩, ০৯:৩৮

options
link
বিজ্ঞান ও পরিবেশে অনন্য গবেষণা, আমেরিকার সর্বোচ্চ প্রযুক্তি সম্মান ২ ভারতীয় বংশোদ্ভূতকে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আমেরিকায় আরও দুই ভারতীয় বংশোদ্ভূতের মাথায় উঠল সাফল্যের মুকুট। প্রযুক্তি ক্ষেত্রে অনন‌্য অবদানের জন‌্য আমেরিকার সর্বোচ্চ সম্মান ‘ন‌্যাশনাল মেডেল অফ টেকনোলজি অ‌্যান্ড ইনোভেশন’পেলেন অশোক গাডগিল ও সুব্রা সুরেশ। দুই পুরস্কার প্রাপকেরই জন্ম মুম্বইয়ে।

সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, গত মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden) পুরস্কৃত করেন অশোক গাডগিল ও সুব্রা সুরেশকে। কম খরচে আবিষ্কার ও প্রযুক্তির নানা কাজের জন‌্য পুরস্কৃত হয়েছেন ক‌্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটির অধ‌্যাপক ও লরেন্স বার্কলে ন‌্যাশনাল ল‌্যাবরেটরির বিজ্ঞানী গাডগিল। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে জল বিশুদ্ধকরণ, বিদ্যুৎ ও নিকাশি ক্ষেত্রে উন্নতির কথা মাথায় রেখে তিনি গবেষণা করেন। তাঁর তৈরি এই প্রযুক্তি প্রশংসিত হয়েছ সর্বত্র। বহু দেশ থেকেই বিশেষজ্ঞরা তাঁদের কাজের বিপুল প্রশংসা করেছেন। অশোক গাডগিলের জন্ম  মুম্বইয়ে (Mumbai)। তিনি মুম্বই বিশ্ববিদ‌্যালয় থেকে পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতক হন। এর পর আইআইটি কানপুর থেকে স্নাতকোত্তর পাস করেন। ক‌্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি (PHD) করেন।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: মার্কিন মুলুকে বড়সড় হামলা, খেলার আসরে বন্দুকবাজের এলোপাথাড়ি গুলিতে মৃত ২২]

অশোক গাডগিলের মতো সুব্রা সুরেশের জন্মও মুম্বইয়ে। তিনি আইআইটি মাদ্রাজ থেকে বিটেক করেন। আইওয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে মেকানিক‌্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মাস্টার্স করার পরে কেমব্রিজের ম‌্যাসাচুসেটস ইনস্টিটউট অফ টেকনোলজি থেকে পিএইচডি করেন। বর্তমানে সুরেশ বায়োইঞ্জিনিয়ার, মেটেরিয়ালস সায়েন্টিস্ট ও এমআইটির প্রফেসর এমিরেটাস। ইঞ্জিনিয়ারিং (Engineering), পদার্থবিজ্ঞান ও জীববিজ্ঞান ও চিকিৎসা বিজ্ঞানের সংযোগস্থল নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষণা করেছেন তিনি। তিনিই প্রথম এশীয় বংশোদ্ভূত অধ‌্যাপক, যিনি এমআইটির পাঁচটি স্কুলের মধ্যে একটি পরিচালনা করেছেন।  

[আরও পড়ুন: ছি ছি এত্তা জঞ্জাল! ওজোন স্তরের বিপন্নতা বাড়াচ্ছে মহাকাশের ‘বর্জ্য’]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.