Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

জুনিয়র ডার্বি ঘিরে মোহনবাগান মাঠে ধুন্ধুমার, আহত বেশ কয়েকজন

অভিযোগ, লাল-হলুদ ভক্তদের দিকে বাঁশ হাতে তেড়ে যান বাগান সমর্থকরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৬, ২০১৮, ১৮:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৬, ২০১৮, ১৮:০৭

options
link
জুনিয়র ডার্বি ঘিরে মোহনবাগান মাঠে ধুন্ধুমার, আহত বেশ কয়েকজন zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শনিবার আই লিগ অভিযান শুরু ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের সিনিয়র দলের। আর ঠিক তার আগের দিন জুনিয়র দলের আই লিগ ডার্বি ঘিরে ধুন্ধুমার কাণ্ড ময়দানে। অনূর্ধ্ব-১৮ আই লিগ ডার্বি চলাকালীন মোহনবাগান মাঠে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। ম্যাচ শেষে দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। ঘটনায় আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন ইস্টবেঙ্গল সমর্থক বলে খবর।

[পুণে যাওয়ার পথে বিপত্তি, বিমানবন্দরে ঢুকতে দেওয়া হল না বিরাটদের]

শুক্রবার ডার্বিতে বাগানকে দু’গোল দেয় ইস্টবেঙ্গলের জুনিয়ররা। অভিযোগ, আনন্দে আত্মহারা ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা সবুজ-মেরুন গ্যালারিতে বসেই মোহনবাগানের পতাকায় আগুন ধরিয়ে দেন। যা মেনে নিতে পারেননি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাবের সমর্থকরা। ফলে প্রথমে দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে শুরু হয় বচসা। যা হাতাহাতিতে পৌঁছে যায়। ম্যাচ শেষ হতেই লাল-হলুদ ভক্তদের দিকে বাঁশ হাতে তেড়ে যান বাগান সমর্থকরা। ভয়ে যে যার মতো ছুটতে শুরু করেন দর্শকরা। লাল-হলুদ সমর্থকরা ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের দিকে ছুটতে শুরু করেন। অনেকেই বাঁশের আঘাতে আহত হন। ফলে পরিস্থিতি চরম উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি সামাল দিতে মাউন্টেড পুলিশ নামানো হয়। তারাই কোনওরকম নিয়ন্ত্রণে আনে সবুজ-মেরুন সমর্থকদের।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তবে পতাকা জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন লাল-হলুদ সমর্থকরা। তাঁদের দাবি, ঘরের মাঠে মোহনবাগান ০-২ গোলে পিছিয়ে পড়াতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিপক্ষ সমর্থকরা। আর সেই রাগেই বাঁশ নিয়ে তাঁদের দিকে তাড়া করা হয়। ঘটনায় এক মহিলা সমর্থকও আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

[খারাপ পারফরম্যান্সের জের, পরের তিনটি ওয়ানডে দলে নেই শামি]

তবে এমন ঘটনার পর মাঠের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। ডার্বির মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে কীভাবে এত কম নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল। পর্যাপ্ত পরিমাণ পুলিশ থাকলে হয়তো এমন পরিস্থিতি এড়ানো যেত। প্রসঙ্গত, আগামী রবিবারই মোহনবাগান নির্বাচন। মাঠেই হবে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া। তার আগে এমন সংঘর্ষ গঙ্গাপারের ক্লাবের জন্য নিঃসন্দেহে খারাপ পোস্টার হয়ে রইল।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.