Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
যুবরাজ সিং

বধূ নির্যাতনের মামলা থেকে রেহাই পেলেন যুবরাজ সিং

গুরুগ্রাম আদালতে মামলা দায়ের করেছিলেন বিগ বস প্রতিযোগী আকাঙ্খা শর্মা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৯, ০৯:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৯, ০৯:৫৩

options
link
বধূ নির্যাতনের মামলা থেকে রেহাই পেলেন যুবরাজ সিং zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বধূ নির্যাতনের মামলা থেকে নিষ্কৃতি পেলেন ক্রিকেটার যুবরাজ সিং ও তাঁর পরিবারের লোকজন। বিগ বস ১০-এর প্রতিযোগী আকাঙ্খা শর্মা দু’বছর আগে তাঁর স্বামী জোরাবর সিং, যুবরাজ সিং, শবনম সিংয়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। যুবরাজের ভাই জোরাবর। আকাঙ্খা অভিযোগ করেছিলেন, জোরাবর ও পরিবারের লোকজন তাঁর উপর মানসিক নির্যাতন করতেন। আকাঙ্খা এও অভিযোগ করেছিলেন, যুবরাজও তাঁর উপর মানসিক নির্যাতন চালাতেন। মামলা গড়ায় আদালত পর্যন্ত।

প্রসঙ্গত, আকাঙ্খা ও জোরাবরের বিবাহবিচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এদিকে, যুবরাজ ও তাঁর পরিবারের উপর থেকে যাবতীয় অভিযোগ তুলে নিয়েছেন আকাঙ্খা। আকাঙ্খা বলেছেন, ”আমার জন্য যুবরাজ ও তাঁর পরিবারের কারও সম্মানহানি হলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী। আদালত আমার দাম্পত্য জীবনে বিচ্ছেদের সম্মতি দিয়েছে। সব জায়গায় নিজের অভিযোগ জানানো হয়তো আমার উচিত হয়নি।” আদালতের বাইরে যুবির পরিবারের লোকজনের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন আকাঙ্খা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জনপ্রিয় রিয়ালিটি শো ‘বিস বস’-এর দশম মরশুমের প্রতিযোগী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিলেন আকাঙক্ষা৷ তখনই পারিবারিক হেনস্তার কথা জানিয়েছিলেন তিনি৷ সে সময়ও এ নিয়ে সরব হয়েছিলেন৷ যদিও পরে গোটা বিষয়টি চাপা পড়ে যায়৷ কিন্তু ২০১৭ সালে অক্টোবর মাসে ভাসুর যুবরাজ, শাশুড়ি শবনম সিং এবং স্বামী জোরাবর সিংয়ের বিরুদ্ধে গুরুগ্রাম আদালতে পারিবারিক নির্যাতনের মামলা দায়ের করেন আকাঙ্খা শর্মা৷

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.