সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্ট দেখিয়ে দিয়েছে ভারতীয় বোলিংয়ের দুরবস্থা। একা বুমরাহ রক্ষা করে টিম ইন্ডিয়ার বুঁদিগড়। মানে বুমরাহ চললে ভারত চলবে। তিনি থামলে বাকিরাও থামবে। এই অবস্থায় বুমরাহকে কি পাঁচ টেস্টেই খেলানো উচিত? গম্ভীরের উত্তরে কিন্তু ‘গোয়ার্তুমি’ই চোখে পড়ছে।
বুমরাহ প্রথম ইনিংসে তুলেছিলেন পাঁচ উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৯ ওভার হাত ঘুরিয়ে কোনও উইকেট পাননি। ৩৭১ রানের বিরাট লক্ষ্য তাড়া করে পাঁচ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় ইংল্যান্ড। দুই ইনিংস মিলিয়ে মহম্মদ সিরাজ ২, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ ৫, শার্দূল ঠাকুর ২ উইকেট পেয়েছেন। তাহলে কি বুমরাহই একমাত্র ভরসা? ওয়ার্কলোডের কথা না ভেবে পাঁচ টেস্টেই খেলানো হবে তাঁকে?
গম্ভীর বলছেন, “এখনও ঠিক করিনি আর কোন দুটো টেস্ট বুমরাহকে খেলানো হবে। কিন্তু এটা ঠিক যে ও তিনটে টেস্টই খেলবে। ওর ওয়ার্কলোডের বিষয়টাও আমাদের দেখতে হবে। স্কোরলাইন যাই বলুক না কেন, বুমরাহকে তিনটে টেস্টেই খেলানো হবে।” একই কথা অধিনায়ক শুভমান গিলের মুখেও। তিনি বলেন, “আমরা ম্যাচ ধরে ধরে ঠিক করব। পরের ম্যাচের আগে অনেক দিনের বিরতি আছে। ম্যাচ কাছে এলে বুমরাহর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।”
কিন্তু প্রশ্নটা হল ঘুরেফিরে বুমরাহকে নিয়েই এত কথা হবে কেন? তাঁর ‘ওয়ার্কলোড’-এর বিষয়টা তো সবাই জানে। বাকি বোলাররা যদি পর্যাপ্ত ‘সাহায্য’ করতেন, তাহলে বুমরাহকে প্রায় ৪৪ ওভার বল করতে হত না। ম্যাচ হারের পর গম্ভীর বলেছেন, ভবিষ্যতের জন্য পেস বিভাগ তৈরি করতে হবে। ঘটনা হচ্ছে, ভারতের বোলিং কোচ মর্নি মর্কেলকে নিয়ে এসেছেন গম্ভীরই। তিনি কী করছেন, সেই প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে।