Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Rohit Sharma

কাঁটা বিছানো পথ পেরিয়ে কোন মন্ত্রে কামব্যাক? সেঞ্চুরির পর রহস্য ফাঁস রোহিতের

ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলেও রোহিত সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন দলের জয়কে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৫, ০৮:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৫, ০৮:৫৭

options
link
কাঁটা বিছানো পথ পেরিয়ে কোন মন্ত্রে কামব্যাক? সেঞ্চুরির পর রহস্য ফাঁস রোহিতের zoom
সেঞ্চুরির পর রোহিত শর্মা। ছবি: অমিত মৌলিক

স্টাফ রিপোর্টার: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর থেকেই সেভাবে রান নেই তাঁর ব্যাটে। অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট সিরিজে চূড়ান্ত ব্যর্থ। ঘরোয়া ক্রিকেটেও ছবিটা বদলায়নি। এমনকী ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজের প্রথম ম্যাচের পর প্রশ্ন উঠে গিয়েছিল, কেন এখনও দলে থাকছেন রোহিত শর্মা?

তা সেই প্রশ্নের জবাব দিলেন রোহিত। ভালোমতোই দিলেন। মহানদীর পাড়ে, বরাবাটি স্টেডিয়ামে। জবাব দিলেন ৯০ বলে ১১৯ রানের দুরন্ত এক ইনিংস খেলে। জবাব দিলেন দুরন্ত ব্যাটিংয়ে ভারতকে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ জিতিয়ে। জবাব দিলেন ম্যাচের সেরা হয়ে। কোন মন্ত্রে বদলে গেলেন রোহিত? ম্যাচ শেষে ভারত অধিনায়ক বলছিলেন, “কীভাবে ব্যাট করতে চাই সেটা আমি কয়েকটা ভাগে ভেঙে দেখেছি। কী করতে চাই, সেটা ভেবে দেখা খুব জরুরি ছিল। আমি সেটাই করেছি। মাঠে একবার সেট হয়ে গেলে দীর্ঘক্ষণ ব্যাট করাই উদ্দেশ্য ছিল।”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তবে সব কিছুর উপর গুরুত্ব দিচ্ছেন দলের জয়কে। তাঁর বক্তব্য, “গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ ছিল। ফলে দলকে জেতাতে পেরে ভালো লাগছে। আমি এখানে রান করার উপর জোর দিয়েছিলাম। কালো মাটির উইকেটে বল স্কিড করে অনেক সময়। ফলে ঠিকঠাক কানেক্ট করা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।” মার্ক উড হোক বা গাস অ্যাটকিনসন- নিজের ৩২ নম্বর ওডিআই সেঞ্চুরি করার পথে প্রতিপক্ষের কোনও বোলারকেই রেয়াত করেননি ‘হিটম্যান’। ৪৮৭ দিন পর এল ওয়ানডে সেঞ্চুরি। সেই সঙ্গে শুনিয়ে গেলেন, “ইংল্যান্ড আমার শরীর লক্ষ্য করে বল করার স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিল। ভেবেছিল, তাতে আমি মারার জায়গা পাব না। তবে আমিও তৈরি ছিলাম।” তিনি যে তৈরি ছিলেন, এক ডজন চার আর সাতটা ছক্কায় সাজানো ইনিংসটা তারই প্রমাণ।

প্রথমে শুভমান গিল। পরে শ্রেয়স আইয়ার। রোহিতের সঙ্গে দুই তরুণের জুটিই জয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয় ভারতকে। ম্যাচ শেষে তাঁদের প্রশংসা করেছেন ভারত অধিনায়ক। “গিল আর শ্রেয়স আমাকে অনেকটা সাহায্য করেছে। ওদের সঙ্গে ব্যাট করতে ভালো লাগে। আর গিল খুবই ভালো ব্যাটার। সামনে থেকেই দেখলাম, পরিস্থিতির চাপে পড়ে গুটিয়ে যায় না।” ৬০ রানে ফেরেন গিল। শ্রেয়স করেন ৪৪ রান।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.