সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গত বছর আইপিএল (IPL) থেকে চালু হয়েছে ‘ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার’ (Impact Player) খেলানোর নিয়ম। প্রতিটি দলই জেতার জন্য নিজেদের সুবিধা মতো ‘ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার’ খেলায়। কিন্তু খোদ ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক রোহিত শর্মা (Rohit Sharma) এই নিয়মের ভক্ত নন। বরং ক্রিকেটকে তিনি এগারো জনের খেলা হিসেবেই দেখতে চান।
কেন এমন মন্তব্য রোহিতের? কারণ এর ফলে অলরাউন্ডার তৈরি হচ্ছে না। যা আখেরে ভারতীয় ক্রিকেটের ক্ষতি। সম্প্রতি মাইকেল ভন ও অ্যাডাম গিলক্রিস্টের মতো প্রাক্তন ক্রিকেটারদের সঙ্গে একটি পডকাস্টে নিজের মতামত জানিয়েছেন মুম্বই (Mumbai Indians) ব্যাটার। তিনি বলেন, “আমি ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার নিয়মের একেবারেই ভক্ত নই। সামান্য বিনোদনের জন্য ক্রিকেটের একটা বড় বিষয় পিছনে পড়ে থাকছে।”
[আরও পড়ুন: ‘আইপিএল থেকে ওর কিছু শেখার নেই’, মুস্তাফিজুরকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য বাংলাদেশ ক্রিকেট কর্তার]
এই প্রসঙ্গে হিটম্যান তুলে আনেন শিবম দুবে, ওয়াশিংটন সুন্দরের মতো অলরাউন্ডারের কথা। যাঁরা ব্যাটে-বলে সমান ভাবে কার্যকরী। অথচ চলতি আইপিএলে সেভাবে বল করার সুযোগ পাচ্ছেন না দুবে। প্রায়ই ব্যাট করার পর তাঁকে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে বসিয়ে দেওয়া হয়। সেই নিয়ে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন রোহিত, “আমার সত্যিই মনে হয়, এই নিয়মে অলরাউন্ডারদের উন্নতি বাধা পাচ্ছে। কারণ ক্রিকেটটা এগারো জনের খেলা, বারো জনের নয়। আমি জানি না এই নিয়ে কী করা যায়, তবে আমি একেবারেই এর ভক্ত নই।”
[আরও পড়ুন: বড় ধাক্কা চেন্নাই শিবিরে, ভরা আইপিএলেই ছিটকে গেলেন তারকা ক্রিকেটার]
২০২৩-র আইপিএল সংস্করণে যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়েছিল ইমপ্যাক্ট প্লেয়ারের পদ্ধতি। যেখানে ইনিংসের মধ্যে বা বিরতিতে একজন ক্রিকেটারকে বসিয়ে অন্য একজনকে নামানোর সুযোগ থাকে। যার ফলে ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী টিমগুলো নিজেদের বোলিং বা ব্যাটিংয়ের শক্তি বাড়াতে পারে। তাতে মাঠে এগারো জন ক্রিকেটার থাকলেও, বারো জন খেলার সুযোগ পায়। অনেক সময় এই ইমপ্যাক্ট প্লেয়ারই খেলার মুখ ঘুরিয়ে দেয়।
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন