সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্বপ্নপূরণ বিরাট কোহলির। আইপিএল জেতার পর সব আলো তাঁর উপরেই। কোহলি কাঁদছেন, হাসছেন, নাচছেন। কিন্তু তাঁর এই উচ্ছ্বাসের প্রবল আলোয় কি ঢাকা পড়ে যাচ্ছেন দুই মহানায়ক? একজন রজত পাতিদার। তাঁর নেতৃত্বেই ১৭ বছর অপেক্ষার অবসান ঘটেছে আরসিবি’র। আরেকজন ক্রুণাল পাণ্ডিয়া। ফাইনালের নায়ক। কিন্তু দুজনেই এখন ‘কাব্যে উপেক্ষিত’।
২০২২-এ আনসোল্ড ছিলেন পাতিদার। পরে তাঁকে বদলি হিসেবে নেয় আরসিবি। তারপর নিয়মিত পারফর্ম করেছেন। নিজেকে প্রমাণ করেছেন। এবছর তাঁকে অধিনায়ক করায় অনেকেই অবাক হয়েছিলেন। কিন্তু সব কিছুর জবাব দিলেন পাতিদার। তাঁর নেতৃত্বেই কোহলির হাতে বহুপ্রতীক্ষিত আইপিএল ট্রফি। ঠান্ডা মাথায় দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, ঠিক সময়ে ব্যাট হাতে জ্বলে উঠেছেন। ফাইনালেও ১৬ বলে ২৬ রান করেন।
ফাইনালের আগে বলেছিলেন কোহলির জন্য ট্রফি জিততে চান। আর ট্রফিজয়ের পর বলেন, “কোহলির থেকে বেশি এই ট্রফিটা আর কারও প্রাপ্য নয়। আমি কোহলির থেকে অনেক কিছু শিখেছি। এই মুহূর্তটা আমার কাছে, কোহলির কাছে, ভক্তদের কাছে স্পেশাল।” ভুলে গেলে চলবে না, এই পাতিদারই এর আগে আরসিবি’র হয়ে খেলার জন্য বিয়ের অনুষ্ঠান ছোট করে সেরেছিলেন।
শুধু পাতিদার নন, আরেকজনও আছেন। তিনি ক্রুণাল পাণ্ডিয়া। ফাইনালে পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে যখন অন্য বোলাররা রান দিচ্ছিলেন, তখন ম্যাজিক দেখান তিনি। ১৭ রানে ২ উইকেট দিয়ে ম্যাচের মোড়ই ঘুরিয়ে দেন। ফাইনালের সেরা হলেন। ক্রুণালই একমাত্র ক্রিকেটার, যিনি দুটি আইপিএল ফাইনালে ম্যাচের সেরা হলেন। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়েও একাধিক ট্রফি জিতেছিলেন। আরসিবি’কেও ট্রফি দিলেন। এটা তাঁর চতুর্থ শিরোপা। অন্যদিকে তাঁর ভাই হার্দিক পাণ্ডিয়া আইপিএল জিতেছেন ৫বার। অর্থাৎ বরোদার পাণ্ডিয়া ভাইদের পকেটে এখন ৯টা আইপিএল ট্রফি।