Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
Jasprit Bumrah

‘মুখ খুললে কষ্টের রোজগারের টাকা কেটে নেবে’, লর্ডসে পাঁচ উইকেটের পরই বিস্ফোরক বুমরাহ

লর্ডসে প্রথম ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিয়ে অনার্স বোর্ডে নাম তুলেছেন বুমরাহ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১২, ২০২৫, ১৫:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১২, ২০২৫, ১৫:৫৮

options
link
‘মুখ খুললে কষ্টের রোজগারের টাকা কেটে নেবে’, লর্ডসে পাঁচ উইকেটের পরই বিস্ফোরক বুমরাহ zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইংল্যান্ডে চলতি অ্যান্ডারসন- তেণ্ডুলকর  ট্রফিতে বারবারই বিতর্ক হচ্ছে বল নিয়ে। লর্ডস টেস্টে (Lords Test) দ্বিতীয় দিনে যেন সীমা ছাড়ল সেই বিতর্ক। ভারত অধিনায়ক শুভমান গিলকে বারবার দেখা গেল আম্পায়ারদের সঙ্গে বল নিয়ে কথা বলছেন। ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মহম্মদ সিরাজ। কিন্তু বল বিতর্কে মুখ খুলতে নারাজ টিম ইন্ডিয়ার তারকা বোলার জশপ্রীত বুমরাহ (Jasprit Bumrah)। দ্বিতীয় দিনের শেষে বল বিতর্ক নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বুমরাহ বলছেন, “আমি এ নিয়ে কিছু বলতে চাই না। এসব নিয়ে বললে ম্যাচ ফি কেটে নেবে। অনেক কষ্ট করে রোজগার করি।”

আসলে টেস্টে নতুন বল দেওয়া হয় মোটামুটি ৮০ ওভারের শেষে। কিন্তু লর্ডস টেস্টে ৮০ বলও টিকছে না বল, যার নির্মাতা ডিউকস। শুক্রবার প্রথমে মাত্র ৬৪ ডেলিভারির পরই বদলে দিতে একটা নতুন বল। আবার সেই নতুন বলও স্থায়ী হল মাত্র ৪৮ ডেলিভারির জন্য।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আগেই ঋষভ পন্থ মুখ খুলেছিলেন নতুন বল দ্রুত নরম হয়ে যাওয়া নিয়ে। এদিন ম্যাচ চলাকালীন ভারত অধিনায়কও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। কিন্তু পাঁচ উইকেট পাওয়া জশপ্রীত বুমরাহ সেই বিতর্ক নিয়ে বিশেষ উচ্চবাচ্চ করলেন না। ভারতীয় পেস বিভাগের নেতা খানিক রসিকতার সুরেই বললেন, “বল বারবার বদলানো হচ্ছে। এতে আমাদের কিছু করার নেই। আমি এসব নিয়ে মুখ খুলে আমার ম্যাচ ফির টাকাটা হারাতে চাই না। বড্ড কষ্ট করে বল করে টাকা রোজগার করি। বিতর্কিত কিছু বললেই ম্যাচ ফি কেটে নেবে।”

ডিউক বলের আকার বদলে যাওয়া এবং বারবার বল বদল করা যে অসুবিধার সেটা অবশ্য গোপন করেননি লর্ডসে পাঁচ উইকেট পাওয়া পেসার। ভারতীয় পেস বিভাগের নেতা বলছেন, “পিচের থেকেও সমস্যা হচ্ছে বলের বদলে। কিন্তু সেটা আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না।” বুমরাহর কথায়, “এবার বলটা আলাদা। আগের সফরগুলিতে এভাবে বারবার বল বদলাতে হয়নি। আগের বলটা দীর্ঘক্ষণ শক্ত থাকত। কিন্তু এখন শক্ত পিচ, গরম আবহাওয়া। হয়তো এসবের জন্য বল বারবার নরম হয়ে যাচ্ছে।” বুমরাহর সাফ কথা, বল শক্ত থাকলে সেটা নড়াচড়া করে। কিন্তু নরম বলে তা হচ্ছে না। এটা বড় পার্থক্য করে দিচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.