সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গত ২০ জুন খবরটা সামনে এসেছিল। জানা যায়, মারণ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন অধিনায়ক মাশরাফি মোরতাজা (Mashrafe Mortaza)। তারপর থেকে হোম আইসোলেশনেই ছিলেন তিনি। কিন্তু ১৫ দিন পরও বিপদ কাটল না। ফের পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এল তাঁর।
সাধারণত ১৫ দিনের চিকিৎসা অথবা আইসোলেশনের পরই সুস্থ হয়ে উঠতে দেখা গিয়েছে করোনা আক্রান্তদের। কিন্তু মাশরাফির ক্ষেত্রে তেমনটা না হওয়ায় চিন্তায় তাঁর অনুরাগীরা। শনিবারই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (BCB) তরফে খবরটি নিশ্চিত করা হয়। বোর্ডের প্রধান ফিজিও দেবাশিস চৌধুরি জানান, এ নিয়ে অযথা দুশ্চিন্তা করার প্রয়োজন নেই। তিনি বলেন, “এতে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। আগামী ৮ জুলাই ওঁর আবার করোনা পরীক্ষা করা হবে। আশা করা যায় তখন রিপোর্ট নেগেটিভ আসবে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ১৪ দিনের মধ্যে করোনামুক্ত হয়ে যান রোগী। কিন্তু সেটা যে হবেই, তারও কোনও মানে নেই। একজনের বেশি সময় লাগতেই পারে।”
[আরও পড়ুন: কাকভোরে পথচারীকে পিষে দিল SUV, খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার শ্রীলঙ্কার তারকা ক্রিকেটার]
বাংলাদেশের অন্যতম সফল তারকাদের অন্যতম মাশরাফি। দেশের জার্সি গায়ে ২২০টি ওয়ানডে, ৩৬টি টেস্ট এবং ৫৪টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। বাইশ গজকে এখনও পর্যন্ত বিদায় জানাননি তিনি। তবে ইতিমধ্যেই পা রেখেছেন রাজনীতির ময়দানে। দেশের সাংসদ তিনি। নিজের দেশে বাড়তে থাকা সংক্রমণ নিয়ে বেশ চিন্তিতই ছিলেন বাংলাদেশি ফাস্ট বোলার। এমন পরিস্থিতিতে দুস্থদের পাশেও দাঁড়িয়েছিলেন। গত মার্চে করোনা আক্রান্ত ৩০০টি পরিবারের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন মোরতাজা। সেই তারকাই গত ২০ জুন পড়েন ভাইরাসের কবলে। মাশরাফির ভাই মোরসালিন মোরতাজাই দাদার করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর দিয়েছিলেন। জানিয়েছিলেন, দু’দিন ধরে জ্বর থাকায় করোনা (Coronavirus) পরীক্ষা করা হয়। রিপোর্ট পজিটিভ আসে। কিন্তু টানা ১৫ দিন হোম আইসোলেশনে থেকেও সুস্থ হলেন না বাংলাদেশি তারকা। সকলেই তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছেন।
উল্লেখ্য, মাশরাফির পাশাপাশি গত মাসেই কোভিড-১৯ পজিটিভ হয়েছিলেন প্রাক্তন বাংলাদেশি ক্রিকেটার তথা তামিম ইকবালের দাদা নাফিস ইকবাল এবং আরেক ক্রিকেটার নজমুল ইসলাম।