Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
WTC Final

‘আউট’ হয়েও বেঁচে গেলেন প্রোটিয়া ক্রিকেটার, নেপথ্যে অস্ট্রেলিয়ার ‘বিরল’ সৌজন্য

সেই সময় ৩১ রানে ব্যাট করছিলেন প্রোটিয়া তারকা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৩, ২০২৫, ১৮:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৩, ২০২৫, ১৮:৩৭

options
link
‘আউট’ হয়েও বেঁচে গেলেন প্রোটিয়া ক্রিকেটার, নেপথ্যে অস্ট্রেলিয়ার ‘বিরল’ সৌজন্য zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে আলোচনায় দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যান ডেভিড বেডিংহাম। দ্বিতীয় দিনের একটি ঘটনাই তাঁকে শিরোনামে নিয়ে এসেছে। ‘হ্যান্ডলিং দ্য বল’ করেও অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটারদের বেঁচে যান তিনি। আর এতেই বেডিংহাম তো বটেই, গোটা ঘটনাই চর্চায়।

ঠিক কী ঘটেছিল? তখন বল করছিলেন বিউ ওয়েবস্টার। তাঁর বল বেডিংহামের ব্যাটে লেগে প্যাডে ঢুকে যায়। সঙ্গে সঙ্গে তিনি হাত দিয়ে বল মাটিতে ফেলে দেন ক্যাচ আউট হওয়ার আশঙ্কায়। ছাড়বার পাত্র ছিলেন না অজি উইকেটকিপার অ্যালেক্স ক্যারি। চকিতে ‘হ্যান্ডলিং দ্য বল’-এর আবেদন করেন তিনি। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সেই সময় ৩১ রানে ব্যাট করছিলেন প্রোটিয়া তারকা। অনেকেই মনে করছেন, বেডিংহাম এভাবে আউট হয়ে গেলে ফাইনালের মতো মঞ্চে ক্রিকেটীয় স্পিরিট নষ্ট হত। কিন্তু কেন এমন ঘটনা ঘটালেন ৩১ বছরের এই দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটার? বেডিংহাম বলছেন, “কিছুটা তো ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। ক্যারি আমার ঠিক পিছনেই দাঁড়িয়েছিল। আর একটু হলে বলটা মাটিতে পড়ে যেতে পারত। তাই চটজলদি বলটা প্যাডের মধ্যে থেকে হাত দিয়ে সরিয়ে মাটিতে ফেলে দিই। পরে আমার মনে হয়, কাজটা হয়তো ঠিক করিনি। যদিও আম্পায়াররা ডেড বল দেওয়ায় বিপদ হয়নি।”

তবে ম্যাচ পরবর্তী সাংবাদিক সম্মেলনে অজি অধিনায়ক প্যাট কামিন্স জানান, আম্পায়াররা যাই সিদ্ধান্ত দিক না কেন, তাঁরা আবেদন ফিরিয়ে নিতেন। কামিন্সের কথায়, “আম্পায়াররা ডেড বল ঘোষণা করেন। সেই কারণে আমাদের বিশেষ কিছু করতে হয়নি। যদি সেটা না হত, তাহলে আউটের আবেদন আমরা ফিরিয়ে নিতাম।” প্রসঙ্গত, দু’বছর আগে অ্যাশেজে হ্যান্ডেলিং দ্য বলের আবেদন ফিরিয়ে নেননি তিনি। সেই কারণেই ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অস্ট্রেলিয়ার এই সৌজন্য ‘বিরল’। 

যাই হোক, অস্ট্রেলিয়ার এই সিদ্ধান্তে মুগ্ধ বেডিংহ্যাম। তিনি বলেছেন, “আমি খুশি যে ওরা আবেদন ফিরিয়ে নিয়েছে। এই ব্যাপারটা নিয়ে যে কোনও বিতর্ক হয়নি, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সেই সময় স্লিপের ফিল্ডাররাই তো বলছিল বলটাকে ছেড়ে দিতে। আমি খামকাই ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম।” উল্লেখ্য, দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে ২৮২ রানের লক্ষ্য রেখেছে অস্ট্রেলিয়া।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.