Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
Ranji Trophy Bengal

শামি-শাহবাজ ম্যাজিকে বদলে গেল ম্যাচের রং, ইডেনে গুজরাটকে হারিয়ে ৬ পয়েন্ট বাংলার

রনজিতে টানা দুই ম্যাচ জিতল বাংলা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৮, ২০২৫, ১৫:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৮, ২০২৫, ১৫:০৬

options
link
শামি-শাহবাজ ম্যাজিকে বদলে গেল ম্যাচের রং, ইডেনে গুজরাটকে হারিয়ে ৬ পয়েন্ট বাংলার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জাতীয় দলে অনেকে তাঁকে ‘ব্রাত্য’ বলে মনে করতে পারেন। কিন্তু ম্যাচের রং কীভাবে ঘুরিয়ে দিতে হয় তা ভালো মতোই জানেন মহম্মদ শামি। প্রথম ম্যাচে ৭ উইকেট তোলার পর দ্বিতীয় ম্যাচে গুজরাটের বিরুদ্ধে ৮ উইকেট তুললেন তারকা পেসার। তার মধ্যে দ্বিতীয় ইনিংসে রইল ‘পাঞ্জা’ অর্থাৎ ৫ উইকেট। অন্যদিকে চোট সারিয়ে কামব্যাক করে ম্যাচে ৯ উইকেট শাহবাজ আহমেদের। দুই বোলারের দাপটে গুজরাটকে ১৪১ রানে হারিয়ে ফের ৬ পয়েন্ট ঘরে তুলল বাংলা।

চতুর্থ দিনে গুজরাটের উর্ভিল ও জয়মিত জুটি গড়ে বাংলার জন্য পরিস্থিতি কঠিন করে তুলেছিলেন। তবে আচমকা চোট পান উর্ভিল। তিনি রিটায়ার্ড হার্ট হলে নামেন উমং কুমার। তাঁকে শাহবাজ ফেরাতেই গুজরাটের যাবতীয় লড়াই শেষ হয়ে যায়। বাকি ম্যাজিক শামির। শেষের দিকে টানা ৩ উইকেট তুলে খেলা ঘুরিয়ে দিলেন। উর্ভিল (১০৯) ফিরে এসেও শেষরক্ষা করতে পারেননি। বাংলার জন্য কঠিন হতে থাকা ম্যাচকে অনায়াসে সহজ করে দিলেন শামি-শাহবাজরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ইডেন গার্ডেন্সে প্রথম ইনিংসে বাংলা ২৭৯ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল। সুমন্ত গুপ্ত ৬৩, অভিষেক পোড়েল ৫১ ও সুদীপ কুমার ঘরামি ৫৬ রান করেন। জবাবে গুজরাটকে একেবারেই স্বস্তিতে থাকতে দেয়নি বাংলার বোলিং। একমাত্র মনন হিংরাজিয়া (৮০) ছাড়া কেউই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেননি। চোট সারিয়ে ফিরে ৩৪ রানে ৬ উইকেট নেন শাহবাজ আহমেদ। গুজরাটের ইনিংস থামে ১৬৭ রানে। ১১২ রানের বিরাট লিড ছিল বাংলার হাতে।

দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলার ধীর গতির ব্যাটিং নিয়ে খানিক সমালোচনা হয়েছিল। হাফসেঞ্চুরি করেন সুদীপ ও অনুষ্টুপ মজুমদার। দুই ইনিংসেই হাফসেঞ্চুরি করলেন সুদীপ। কিন্তু কেন আরও দ্রুতগতিতে রান করল না সেই প্রশ্ন উঠছিল। যেখানে বৃষ্টির সম্ভাবনা ছিল এবং প্রতিদিনই খারাপ আলোর জন্য তাড়াতাড়ি ম্যাচ শেষ হয়ে যাচ্ছিল। এমনকী চতুর্থ দিনেও ৬ ওভার ব্যাট করে বাংলা। গুজরাটের জন্য লক্ষ্য ছিল ৩২৭ রান। একটু বেশিই কি রক্ষণাত্মক নীতি নিয়ে ফেলেছিল বাংলা?

বিশেষ করে গুজরাটের ব্যাটার উর্ভিল প্যাটেল ঝড়ের গতিতে রান করছিলেন, তাতে মনে হচ্ছিল ম্যাচ ড্র হয়ে যেতে পারে। যদিও বাংলার বোলাররা ইনিংসের শুরুতেই ধাক্কা দিয়েছিলেন। প্রথম বলেই অভিষেক দেশাইকে ফেরান শামি। আর্য দেশাইকে ফেরান আকাশ দীপ। সপ্তম ওভারে আউট মননও। কিন্তু সেখান থেকে গুজরাটকে টানা শুরু করেন উর্ভিল ও জয়মিত প্যাটেল। দুজনে বড় জুটিও গড়েন। সেখান থেকে বাংলাকে ম্যাচে ফেরান শাহবাজ। তারপর গুজরাট ব্যাটিংকে ধসিয়ে দিলেন শামি। তিনি ৩৮ রানে দিয়ে ৫ উইকেট তোলেন। ম্যাচে ৮ উইকেট। অন্যদিকে শাহবাজ এই ইনিংসে ৩ উইকেট-সহ মোট ৯ উইকেট তোলেন। বাংলা ম্যাচ জিতল ১৪১ রানে। টানা দুই ম্যাচ জিতে ১২ পয়েন্ট বাংলার। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.