সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লকডাউনের মধ্যে মাঠে অনুশীলনে নেমে বিপাকে পড়লেন ভারতীয় বোলার শার্দুল ঠাকুর। তিনি একা নন, আরও তিন ক্রিকেটার একই কাণ্ড করেছেন। যার জেরে তাঁদের মুম্বই ক্রিকেট সংস্থার (MCA) প্রশ্নের মুখে পড়তে হতে পারে।
একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, লকডাউনের চতুর্থ দফায় মাঠে প্র্যাকটিসে নেমে পড়েছিলেন শার্দুল। তাঁর সঙ্গী হয়েছিলেন আরও তিন ক্রিকেটার। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক অবশ্য লকডাউনের এই দফায় স্টেডিয়াম ও স্পোর্টস কমপ্লেক্স খোলার অনুমতি দিয়েছে। দর্শকশূন্য মাঠে খেলোয়াড়দের অনুশীলনেও সবুজ সংকেত রয়েছে। কিন্তু সমস্যা হল, কেন্দ্র জানালেও এখনও পর্যন্ত এ নিয়ে কোনও ঘোষণা করেনি ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (BCCI)। ক্রিকেটাররা কবে থেকে অনুশীলন করবেন, সে বিষয়ে এখনও কিছু চূড়ান্ত হয়নি। জারি হয়নি গাইডলাইনও। তার আগেই পালঘরে আউটডোর অনুশীলন শুরু করে দেন শার্দুল। তাঁর এলাকা রেড জোনের বাইরে ঠিকই, কিন্তু বিসিসিআইয়ের ঘোষণার আগে এমনটা করাতেই বিপাকে ভারতীয় পেসার। শোনা যাচ্ছে, শার্দুল ও বাকি তিন ক্রিকেটারের কাছ থেকে এ ব্যাপারে জবাবদিহি চাইতে পারে মুম্বই ক্রিকেট সংস্থা। এমনকী প্রয়োজনে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপও গ্রহণ করা হতে পারে।
[আরও পড়ুন: করোনা প্রতিষেধক বেরনোর পরই কি ছন্দে ফিরবে ক্রিকেট? মুখ খুললেন সৌরভ]
করোনা ভাইরাসে রীতিমতো বিধ্বস্ত মহারাষ্ট্র। দেশের মধ্যে সংক্রমণের হার সে রাজ্যে সবচেয়ে বেশি। এমন পরিস্থিতি ভারতীয় দল অনুশীলন শুরু করলেও রোহিত শর্মা-বিরাট কোহলিরা যোগ দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সন্দিহান বোর্ড। অথচ করোনাতঙ্ক ভুলে প্র্যাকটিসে নেমে পড়েছেন শার্দুল। ১১টি ওয়ানডে এবং ১৫টি টি-টোয়েন্টি খেলা তারকা বোর্ডের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ। গ্রেড সি ক্রিকেটার হিসেবে এক কোটি টাকা বেতন পান তিনি। সেই জন্য বোর্ডের নির্দেশিকা ছাড়াই আউটডোর ট্রেনিং করায় শাস্তির মুখে পড়তে পারেন।
উল্লেখ্য, মারণ ভাইরাসের দাপটে গত মার্চের মাঝামাঝি সময় থেকেই স্তব্ধ খেলার দুনিয়া। পিছিয়ে গিয়েছে আইপিএল। অনিশ্চয়তা মেঘ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আকাশেও। এই পরিস্থিতিতে কবে থেকে অনুশীলন শুরু, তা এখনও ঠিক করেনি বিসিসিআই। ক্রিকেটারদের সুরক্ষার তাদের কাছে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।