Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Shubman Gill

চোট নাকি অন্য কারণ? গিলের বাদ যাওয়া নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় বিস্ফোরিত নেটিজেনরা

নেপথ্যে অন্য গল্প খুঁজছেন নেট নাগরিকরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৮, ২০২৫, ২০:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৮, ২০২৫, ২০:১১

options
link
চোট নাকি অন্য কারণ? গিলের বাদ যাওয়া নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় বিস্ফোরিত নেটিজেনরা zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঘাড়ে চোট পেয়ে টেস্ট এবং ওয়ানডে সিরিজে খেলতে পারেননি শুভমান গিল (Shubman Gill)। এবার গোড়ালির চোটে কাবু টিম ইন্ডিয়ার টি-টোয়েন্টি সহ-অধিনায়ক। জানা গিয়েছে, অনুশীলন চলাকালীন চোট পেয়েছিলেন। সেই কারণে লখনউয়ের পর আহমেদাবাদেও তিনি খেলতে পারবেন কি না, থাকছে প্রশ্ন। স্ক্যান করে বোঝা যাবে আঘাত কতটা গুরুতর। কিন্তু গিল আদৌ কি চোটের কারণে বাদ পড়েছেন গিল, নাকি এর নেপথ্যে অন্য গল্প? সোশাল মিডিয়ায় এই প্রশ্নটিই উসকে দিয়েছেন ক্রিকেটভক্তরা।

এশিয়া কাপের টি-টোয়েন্টি দলে সুযোগ পেয়েছিলেন শুভমান গিল। এরপর থেকে ওপেন নামছেন। শেষ ছ’টি টি-টোয়েন্টিতে তাঁর রান যথাক্রমে ০, ৪, ২৯*, ৪৬, ১৫, ৫। দলে ফিরে আসার পর থেকে ১৪ ইনিংসে তাঁর রান মাত্র ২৬৩। গড় ২৩.৯০। স্ট্রাইকরেট ১৪২.৯৩। এরমধ্যে একটিও হাফসেঞ্চুরি নেই। রবিবার ধরমশালায় এর সঙ্গে জুড়েছে ২৮ রানের ইনিংস। সেই কারণেই প্রশ্ন উঠছিল, এবার কি বাদ পড়বেন গিল?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নেটিজেনদের অনেকেই মনে করছেন, গিলকে সমালোচনা থেকে বাঁচানোর জন্য ‘চোট’কে ঢাল হিসাবে ব্যবহার করছে টিম ম্যানেজমেন্ট। প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে সিরিজে তিন ম্যাচে তাঁর রান মাত্র ৩২। গড় ১০.৬৬। স্ট্রাইকরেট ১০৩.২২। কটকে ৪, মুলানপুরে শূন্য গিলকে প্রভূত চাপের মধ্যে ফেলেছিল। ধরমশালায় ২৮ রান করে পুরনো ছন্দের আভাস দেখিয়েছিলেন মাত্র। এই পরিস্থিতিতে তাঁর গোড়ালির চোটের খবর আবারও উদ্বেগ এবং একই সঙ্গে জল্পনা ছড়িয়েছে।

এক নেট নাগরিকের কথায়, “চতুর্থ টি-টোয়েন্টির আগে হঠাৎ করেই ‘আহত’ শুভমান গিল। তাঁকে বাদ দেওয়া হয়নি। বিশ্রামও দেওয়া হয়নি। চোটকে কেবল ঢাল হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। কঠিন সিদ্ধান্ত এড়াতে অধিনায়ক এবং কোচের এক অসাধারণ কৌশল এটা।” একানায় ছিটকে যাওয়ার পর মনে করা হয়েছিল, ওপেনিংয়ে অভিষেক শর্মার সঙ্গী হিসাবে ফের একবার দেখা যাবে সঞ্জু স্যামসনকে। কিন্তু দূষণের কারণে চতুর্থ টি-টোয়েন্টি বাতিল হওয়ায় সেটা হয়ে ওঠেনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

এই প্রসঙ্গে এক নেটিজেন লিখছেন, ‘এটা সত্যিই দুঃখজনক যে, সঞ্জু স্যামসনের মতো খেলোয়াড়দের সুযোগের চেয়ে ভাগ্যের উপরই বেশি নির্ভর করতে হচ্ছে। এই পর্যায়ে এসে ক্রিকেটারদের ভাগ্যের উপর নির্ভর করতে হবে কেন? এটা দেখতে মোটেও ভালো লাগছে না। অথচ এই ফরম্যাটে ফর্মে রয়েছে ও। তা সত্ত্বেও দিনের পর দিন ডাগআউটে বসে থাকতে হয়েছে ওকে। লখনউয়ে শুভমান ছিটকে যাওয়ার পর ওর জন্য একটা সুযোগ ছিল। যা আবহাওয়ার কারণে পেল না।’ উল্লেখ্য, ২০২৪ সাল থেকে ওপেনার হিসাবে দেখা গিয়েছে সঞ্জু স্যামসনকে। ৫১টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ৯৯৫ রান করেছেন তিনি। তবে, মাত্র ১২ ইনিংসে তিনটি সেঞ্চুরিও হাঁকিয়েছিলেন তিনি। স্ট্রাইক রেট ১৪৭.৪০। এখন দেখার, আহমেদাবাদে ভাগ্য সঞ্জুকে কোন দিকে যায়!

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.