সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জমে উঠেছে আইপিএল। রানের পাহাড় গড়ছে কয়েকটা দল। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ নিজেদের রেকর্ড নিজেরাই ভেঙেছে।
এবারের মেগা ইভেন্টে ২৫০-র বেশি রান উঠেছে পাঁচ বার। রানের এই উৎসবে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার সুনীল গাভাসকর (Sunil Gavaskar)। ব্যাটার ও বোলারদের মধ্যে কোনও প্রতিদ্বন্দ্বিতাই দেখা যাচ্ছে না। বোলারদের রক্ষা করার জন্য ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডকে পরামর্শ দিচ্ছেন লিটল মাস্টার।
মাঠের দৈর্ঘ্য কম। বাউন্ডারিও অপেক্ষাকৃত কাছে। ফলে ছয় মারতে বেশি সমস্যা হয় না ব্যাটারদের। নির্মম ভাবে প্রহৃত হচ্ছেন বোলাররা। বোলারদের রক্ষা করার জন্য বাউন্ডারির দৈর্ঘ্য বাড়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন সুনীল গাভাসকর।
[আরও পড়ুন: লিগ শিল্ড অতীত, ট্রফিই লক্ষ্য মোহনবাগানের, অনুশীলনে যোগ দিয়ে কী বলছেন হাবাস?]
বিজ্ঞাপনের বোর্ড এবং বাউন্ডারির দড়ি আরও কিছুটা পিছনে সরানোর কথা বলেছেন সর্বকালের অন্যতম সেরা ওপেনার। গাভাসকরের পরামর্শ, ”ক্রিকেট ব্যাটে পরিবর্তন আনার কথা বলছি না। সেগুলো নিয়মের মধ্যেই রয়েছে। তবে দীর্ঘদিন ধরে একটা কথাই আমি বলে চলেছি। প্রতিটি মাঠের বাউন্ডারির দৈর্ঘ্য বাড়ানো হোক। খুব সহজেই বিজ্ঞাপনের বোর্ড আর বাউন্ডারির দড়ি পিছনে সরানো সম্ভব। তাহলে ক্যাচ আর ছক্কার মধ্যে পার্থক্য করা যায়। নাহলে বোলারকেই ভুগতে হবে।”
আইপিএলে পাওয়ার হিটিং উপভোগ্য হয় ঠিকই। কিন্তু কখনও কখনও তা একেঘেয়েমির পর্যায়ে পৌঁছে যায়। ব্যাটার ও বোলারের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতাই দেখা যাচ্ছে না। গাভাসকর বলছেন, ”গত কয়েকদিন ধরে যা দেখছি তা হল, কোচরা ব্যাটারদের পরামর্শ দিচ্ছেন, এটাই শেষ রাউন্ড। আউট হোক বা না হোক, নেমেই ব্যাট চালাচ্ছে ব্যাটাররা। ব্যাটারদের এহেন প্রাধান্য দেখতে ভালোই লাগে। কিন্তু কিছুক্ষণ পরে তা আর আগের মতো আর উপভোগ্য হয় না।” গাভাসকরের পরামর্শ কি শুনলেন বোর্ড কর্তারা?
[আরও পড়ুন: পাতালে তলিয়ে যাচ্ছে চিন! বেজিং ও অন্য বড় শহরের দশা দেখে শিউরে উঠছেন গবেষকরা]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন