Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
সুশান্ত-শামি

‘ওর সঙ্গে যদি একবার কথা বলতে পারতাম’, বন্ধু সুশান্তের প্রয়াণে আক্ষেপ শামির

একাধিকবার আত্মহননের চেষ্টা করেছিলেন ভারতীয় পেসার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৯, ২০২০, ১৬:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৯, ২০২০, ১৬:১৫

options
link
‘ওর সঙ্গে যদি একবার কথা বলতে পারতাম’, বন্ধু সুশান্তের প্রয়াণে আক্ষেপ শামির zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একবার নয়, একাধিকবার আত্মহননের চেষ্টা করেছিলেন। অবসাদের যন্ত্রণাটা তিনি ভালই বোঝেন। তাই বন্ধু সুশান্তের অকাল প্রয়াণে আক্ষেপের সুর মহম্মদ শামির গলায়। বলছেন, “যদি একবার ওর সঙ্গে কথা বলতে পারতাম।”

গত রবিবার বান্দ্রার ফ্ল্যাটে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন বলিউড অভিনেতা। কিন্তু কেন সুশান্ত এমনটা করলেন? কীসের জন্য অবসাদে ভুগছিলেন তিনি? তদন্ত করছে পুলিশ। তাঁর মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ ভারতীয় পেসার শামিও (Mohammad Shami)। আর তাই বলছেন, সুশান্তের সঙ্গে দেখা একবার দেখা করা গেলে হয়তো তাঁর মনের কথা জানতে পারতেন। তাঁকে বোঝাতে পারতেন। একটি সাক্ষাৎকারে অবসাদ প্রসঙ্গে শামি বলেন, “অবসাদ এমন একটা সমস্যা যেখানে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সেই ব্যক্তিকে গুরুত্ব দেওয়ার। এমন একজন প্রতিভাবান অভিনেতার চলে যাওয়াটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। ও আমার ভাল বন্ধু ছিল। ওর সঙ্গে কথা বলে যদি মনের অবস্থাটা বুঝতে পারতাম, খুব ভাল হত।”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘এটাই শেষবার’, আত্মহত্যার ৩ দিন আগে পরিচারকদের বেতন মিটিয়ে বলেছিলেন সুশান্ত]

শামি জানান, তিনিও জীবনের একটা সময় চূড়ান্ত অবসাদে ভুগেছেন। ব্যক্তিগত জীবনের নানা সমস্যায় জর্জরিত হয়ে পড়েছিলেন। এমনকী আত্মঘাতী হওয়ার কথাও চিন্তা করেছেন। তবে সেই সময় তাঁর পাশে ছিল পরিবার। বাড়ির লোকেরাই সেই মুশকিল পরিস্থিতি থেকে শামিকে টেনে বের করে এনেছিলেন। বুঝিয়ে ছিলেন, তিনি ঠিক ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন। আর এই কারণেই শামির মনে হচ্ছে, সেই কঠিন সময় সুশান্তও যদি কাউকে মনের কথাগুলো খুলে বলতে পারতেন, তাহলে হয়তো এভাবে চলে যেতে হত না তাঁকে।

ভারতীয় পেসার বলেন, “মানসিক চাপ বাড়লে শরীরের উপরও তার প্রভাব পড়ে। এক্ষেত্রে অনেক সময় অন্যের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা মিটতে পারে। খেলার মাঠেও এরকম হলে সতীর্থ ও সাপোর্ট স্টাফদের সঙ্গে মাঠের বাইরে কথা বলতাম। আমায় সকলেই উৎসাহ দিত। আমরা সত্যিই একটা পরিবারের মতো ছিলাম। এবং ওই দুঃসময়টা পার করতে পেরেছি বলে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে হয়।” তবে আক্ষেপ একটাই, সুশান্তের (Sushant Singh Rajput) কোনও সাহায্য করতে পারলেন না।

[আরও পড়ুন: সীমান্তে উত্তেজনার মধ্যেও IPL-এর টাইটেল স্পনসর থাকছে চিনা সংস্থা, জানাল BCCI]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.