সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শনিবার দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়াম কিছুটা ভরে উঠেছিল। শুরুতেই তাঁরা কিছুটা নিরাশ হলেন বটে। গিলের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হয়ে গেলেন যশস্বী। ডবল সেঞ্চুরি থেকে ২৫ রান দূরে থামল ভারতীয় ওপেনারের ইনিংস। স্বাভাবিকভাবে আউট হয়ে রেগে গিয়েছিলেন যশস্বী। নন-স্ট্রাইকার এন্ডে অধিনায়ক শুভমান গিলকেও কিছু একটা বলে বসেন তিনি। ডবল সেঞ্চুরি হাতছাড়া করে ক্ষোভ ধরে রাখতে পারেননি তিনি। দ্বিতীয় দিনের শেষে এ ব্যাপারে মুখ খুলেছেন যশস্বী।
রান আউটের জন্য গিলকে দায়ী করেছেন যশস্বী? তিনি বলেন, “এটা খেলারই অঙ্গ। এমনটা হতেই পারে।” দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে প্রথম দিনের শেষে ভারতের রান ছিল ২ উইকেট হারিয়ে ৩১৮। যশস্বী অপরাজিত ছিলেন ১৭৩ রানে। প্রথম দিনে দুরন্ত সেঞ্চুরিতে অনেক রেকর্ড ভেঙেছেন। দ্বিতীয় দিনে তিনি ডবল সেঞ্চুরি করে ফেলবেন, সেরকম আশা করেছিলেন অনেকে। যশস্বীকে দেখেও খুব একটা অস্বস্তিতে মনে হয়নি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত যে রান আউট ‘ঘাতক’ হয়ে দেখা দেবে, তা কে জানত!
১৭৫ রানের মাথায় মিড অফে বল পাঠিয়ে রানের জন্য দৌড়ন যশস্বী। উলটো দিকে থাকা গিল কিছুটা এগিয়ে থমকে যান। যদিও সেখান থেকে আদৌ রান হওয়া কার্যত অসম্ভব ছিল। তেগনারিন চন্দ্রপলের হাতে বল সোজা চলে আসে। যশস্বী যেমন সেটা না দেখেই দৌড় দেন, তেমনই শুভমানও তাঁকে থামাননি। ফলে মাঝপথ থেকে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করেন যশস্বী। কিন্তু সেটা যথেষ্ট ছিল না। তিনি ক্রিজে পৌঁছনোর অনেক আগেই উইকেট ভেঙে দেন তেভিন ইমলাচ।
যদিও সেসব এখন অতীত। নিজের ইনিংস সম্পর্কে যশস্বী বলেন, “সব সময় আমার চেষ্টা থাকে বেশিক্ষণ উইকেটে থাকার। যখন ব্যাট করতে নামি, ভাবছিলাম, যদি একঘণ্টা ব্যাট করতে পারি তাহলে বড় রান করতে পারব। কারণ পরের দিকে রান করা সহজ হয়ে যাবে।” উল্লেখ্য, ৫১৮ রানে ডিক্লেয়ার ঘোষণা করে ভারত। জবাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান ৪ উইকেটে ১৪০। দ্বিতীয় দিনের শেষে ভারত এগিয়ে ৩৭৮ রানে।