Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তীরে এসে ডুবল তরী, কোরিয়ার কাছে হেরে বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্নভঙ্গ ভারতের

শেষ হল এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের স্বপ্নও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১, ২০১৮, ২০:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১, ২০১৮, ২০:২১

options
link
তীরে এসে ডুবল তরী, কোরিয়ার কাছে হেরে বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্নভঙ্গ ভারতের zoom

কোরিয়া রিপাবলিক: ১

ভারত:  ০

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ম্যাচটি ছিল এএফসি অনুর্ধ্ব-১৬ চ্যাম্পিয়নশিপের কোয়ার্টার ফাইনাল। জিতলেই সুযোগ ছিল সেমিফাইনাল খেলার। কিন্তু তার থেকেও বড় ব্যাপার ছিল এই ম্যাচ জিতলেই পাওয়া যেত পেরু বিশ্বকাপে খেলার ছাড়পত্র। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। শক্তিশালী কোরিয়া রিপাবলিকের কাছে ০-১ গোলে হেরে এশিয়া কাপ, এবং বিশ্বকাপ দুই স্বপ্নই শেষ হল ভারতের।

[জোর করে পায়ুসঙ্গমের পর নির্যাতিতার কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন রোনাল্ডো!]

১৬ বছরের ২৪ জন কিশোরের কাঁধে ছিল ১২৫ কোটি ভারতীয় স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করার দায়িত্ব। ওরা লড়ল, ওরা প্রাণপন লড়াই করল। কিন্তু অসম লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত তাই হল যা হয়তো ভবিতব্যই ছিল। সুযোগ ছিল বিশ্বকাপের মঞ্চে খেলার। তাও নিজের যোগ্যতায়। এএফসি এশিয়া কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে কোরিয়া রিপাবলিককে হারাতে পারলেই পেরুতে বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়ার ছাড়পত্র পেয়ে যেত ভারতীয় অনুর্ধ্ব-১৬ ফুটবল দল। এর আগে ২০১৭ বিশ্বকাপে ভারত সুযোগ পেয়েছিল, কিন্তু সেটা আয়োজক দেশ হিসেবে।

এই নিয়ে দ্বিতীয়বার ভারতের কাছে সুযোগ ছিল ভারতের কাছে। ১৬ বছর আগেও এমন সুযোগ এসেছিল ভারতের কাছে। সেবারও একটা ম্যাচ জিতলেই অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পেত ভারত। সেবারও সামনে ছিল দক্ষিণ কোরিয়া। কিন্তু ১-৩ গোলে থামতে হয়েছিল ২০০২ সালে। সেই চেনা প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে হেরে আবারও বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জনের স্বপ্নভঙ্গ হল ভারতীয় অনুর্ধ্ব-১৬ দলের।

[সৌরভের পর ব্যারেটো, নির্বাচনী প্রচারে ফের চমক টুটু শিবিরের]

গোটা টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত ফর্মে ছিল ভারত। গ্রুপ পর্বে ইরান, ইন্দোনেশিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে খেলেও একটিও গোল খায়নি ভারত। গোলকিপার নীরজ কুমার, রক্ষণে সাবাস আহমেদ, গুরকিরত সিংরা দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন। তাই শক্তিশালী কোরিয়ার বিরুদ্ধে শুরু থেকেই রক্ষণাত্মক স্ট্র্যাটেজি নেন কোচ বিবিয়ানো ফার্নান্ডেজ। লক্ষ্য ছিল কোনওরকম অনেক শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ৯০ মিনিট গোল না খাওয়া। পেনাল্টি শুটআউট হলে ভারতের সুযোগই বেশি থাকত। কারণ গোটা টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত ফর্মে ছিল ভারতীয় দল। ইতিমধ্যেই একটি পেনাল্টি বাঁচিয়েও ফেলেছিল সে। কোচের স্ট্র্যাটেজিমতো প্রথমার্ধে প্রাণপণ রক্ষণ সামলেছে তরুণ ভারতীয় ফুটবলাররা। কোরিয়ার মুহুর্মুহু আক্রমণের পরেও মচকে যায়নি ভারতীয় রক্ষণ। একের পর এক দুর্দান্ত সেভ করে গিয়েছে গোলকিপার নীরজ। প্রথমার্ধে কোনও গোলও খায়নি ভারত। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুটাও দুর্দান্ত হয়েছিল। কিন্তু শেষটা প্রত্যাশিত হল না। ম্যাচের ৬৭ মিনিটে গোল পেয়ে গেল কোরিয়া রিপাবলিক। এক গোলে পিছিয়ে পড়ার পর একাধিকবার আক্রমণ শানানোর চেষ্টা করেও শেষরক্ষা হয়নি। দুর্দান্ত লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত শূন্য হাতেই ফিরতে হল ভারতকে। এশিয়া কাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার পাশাপাশি শেষ হল বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্নও।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.