সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হাত ধরে হাঁটতে শেখান। হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলে ঘুরে দাঁড়াতে শেখান। খোলা আকাশে ওড়ার স্বপ্ন দেখাতে শেখান। আর সেই স্বপ্নপূরণের জন্য নিজের সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা চালিয়ে যান। তাই প্রত্যেক সন্তানের কাছে তিনি স্পেশ্যাল। তিনি বাবা। তাঁকে উৎসর্গ করে বছরের অন্তত একটা দিন তো বিশেষ সেলিব্রেশন হতেই পারে। সেই দিনটি আজ, রবিবার। ভারচুয়াল দুনিয়ায় চলছে বাবাদের ধন্যবাদ জানানোর পালা। যেখানে শামিল ভারতীয় ফুটবল অধিনায়ক সুনীল ছেত্রীও।
[দিল্লিতে নেমেই বাজপেয়ীকে দেখতে এইমসে মমতা, কথা চিকিৎসকদের সঙ্গে]
এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করেন তিনি। আর সেখানেই জানান, কীভাবে তাঁর বড় হওয়ার পিছনে বাবার অবদান রয়েছে। সুনীল বলছেন, “জীবনে যত সাফল্য পেয়েছি, তা বাবাকে ছাড়া সম্ভব হত না। তিনিই আমাকে মোটিভেট করতেন। এবং চেষ্টা করতেন আমার মধ্যে থেকে সেরাটা বের করে আনার। বাবার দেওয়া মন্ত্রই এখনও মেনে চলেছি। নিজের দিনটা তাড়াতাড়ি শুরু করতে হবে। হেলথি খাবার খাবার খেয়ে সুস্থ থাকতে হবে। যেখানেই থাকি, এই মন্ত্রই অনুসরণ করি। বাবার জন্যই সাফল্যের খিদে বেড়েছে। তিনিই এগিয়ে যাওয়ার তাগিদ অনুভব করিয়েছেন। শুধু আমার বাবাই নন, সব বাবারাই নিজেদের মতো করে সন্তানকে সেরা করে তুলতে চান।” আর তাই এই বিশেষ দিনে সমস্ত বাবাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারত অধিনায়ক। শুধু সুনীলই না, কুস্তিগির সুশীল কুমারও বাবার সঙ্গে ছবি পোস্ট করে তাঁকে ফাদার্স ডে-র শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। খেলার দুনিয়ার মতোই বিনোদন জগতের তারকারাও সোশ্যাল মিডিয়ায় বাবার প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেছেন। অভিনেত্রী কৃতী শ্যানন, অনিভেতা সানি দেওলরাও লিখেছেন, বাবার অবদান ছাড়া জীবনে সাফল্য হয়তো অধরাই থেকে যেত।
This Father’s Day, I have a special message for my dad and all the #UnstoppableDads out there. Tag your dad to thank him for the inspiration he truly is. Join the #UnstoppableDads movement by @KelloggsMuesli #HappyFathersDay pic.twitter.com/NElawYKsGd
— Sunil Chhetri (@chetrisunil11) June 17, 2018
[রাতারাতি সুপারস্টার আইসল্যান্ডের গোলকিপার, ফাঁস করলেন মেসিকে রুখে দেওয়ার ফর্মুলা]
Because of my father WE R WHAT WE R TODAY, Love you Papa.@aapkadharam @thedeol #HappyFathersDay pic.twitter.com/Bni3u1aGeg
— Sunny Deol (@iamsunnydeol) June 17, 2018
এদিকে ফাদার্স ডে উপলক্ষে সেজে উঠেছে গুগল ডুডলও। ১৯০৮ সালে ভার্জিনিয়ার এক গির্জায় প্রথম পালিত হয়েছিল ফাদার্স ডে। মননঘায় এক বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছিল দুশোজনেরও বেশি ব্যক্তির। যাঁরা প্রত্যেকেই কারও না কারও বাবা ছিলেন। তাঁদের স্মৃতির উদ্দেশ্যেই এই দিনটি বিশেষভাবে পালন করা শুরু হয়। ওয়াশিংটনে ১৯১০ সাল থেকে দিনটি পালিত হচ্ছে। আর সেই ট্র্যাডিশন এখনও চলছে। গুগলে এদিন ডাইনোসরের পরিবারে রঙের ছ’টা। অনেকটা এভাবেই মাতৃদিবসের ডুডলটি তৈরি করেছিল গুগল।