সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আর কয়েকমাস পরেই ভারতের অনুষ্ঠিত হতে চলেছে অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবল বিশ্বকাপ। গোটা দেশের মোট ছ’টি শহরকে বেছে নেওয়া হয়েছে বিশ্বকাপের ম্যাচগুলির জন্য। অক্টোবর মাসের ৬ থেকে ২৮ তারিখ পর্যন্ত চলবে টুর্নামেন্ট। নবী মুম্বই, মারগাঁও, কোচি, গুয়াহাটির সঙ্গে রয়েছে দিল্লির নামও। কিন্তু এবার দূষণের কারণে ম্যাচ আয়োজন নিয়েই সমস্যায় পড়তে পারে ভারতের রাজধানী শহরটি।গতবছর দিওয়ালির পর দেখা যায়, দিল্লির বায়ুদূষণের মাত্রা প্রচুর পরিমাণে বেড়ে যায়। যার জন্য কেন্দ্র এবং দিল্লির অরবিন্দ কেজরীওয়াল সরকার একাধিক পদক্ষেপও করে। আর এবার ১৯ ফেব্রুয়ারি দেশ জুড়ে পালিত হবে দিওয়ালি। কিন্তু তারপরেই বিশ্বকাপের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ বাকি থেকে যাবে। তাই আশঙ্কা করা হচ্ছে ওই ম্যাচগুলি থেকে বঞ্চিত হতে পারে দিল্লি। অবশ্য এখনও পর্যন্ত বিশ্বকাপের সূচী ঠিক হয়নি।
এবার দার্জিলিংয়ের হোম থেকে শিশু-পাচার?
টুর্নামেন্টের আয়োজক কমিটির প্রধান জেভিয়ার সেপ্পি বলেন, ‘দিল্লির আবহাওয়া সংক্রান্ত গত ৬-৭ বছরের রিপোর্ট আমরা খতিয়ে দেখছি। কারণ এই ব্যাপারে তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। খেলার সূচী এখনও তৈরি হয়নি। এর অন্যতম কারণ এই বায়ুদূষণ। দিওয়ালির আগে পর্যন্ত দিল্লি খেলা আয়োজনের জন্য উপযুক্ত। কিন্তু দিওয়ালির পর অবস্থা খুবই খারাপ হয়ে যায়। তাই কেবলমাত্র গ্রুপ লিগের ম্যাচই রাজধানীতে হবে না কি পরের দিকের হাইভোল্টেজ ম্যাচও এখানে আয়োজন করা হবে, সেই নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।’ সেপ্পি আরও জানান, আগামী মাসেই ফিফার পর্যবেক্ষক দল দেশের ছ’টি শহর ঘুরে দেখবেন। তখনই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, ‘দূষণ এমন একটি জিনিস, যা আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারব না। অথবা একদিনেই দূষণের মাত্রা কমাতে পারব না। তাই দিল্লিতে ম্যাচ আয়োজন করার ব্যাপারে দূষণের ব্যাপারটি মাথায় রেখেই সূচী তৈরি করতে হবে।’
একই বলে ড্রেসিংরুমে ফিরলেন ওয়ার্নার ও রেনশ, কিন্তু কেন?
গত বছর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) জানিয়েছিল বিশ্বের দূষিত শহরগুলির মধ্যে দিল্লি একাদশ স্থানে রয়েছে। এছাড়া ২০১৬ সালে দিওয়ালির পর শহরের বায়ুদূষণের পরিমাণ এতটাই বেড়ে যায় যে, বিসিসিআইও পর্যন্ত দু’টি রঞ্জি ম্যাচ বাতিল করতে বাধ্য হয়। এখন দেখার বিশ্বকাপ ফুটবলের ম্যাচ আয়োজন করতে পারে কিনা দিল্লি।