Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্বপ্নের দৌড় ব্রিটিশদের, সুইডেনকে হারিয়ে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের সেমিতে ইংল্যান্ড

লেটার মার্কস নিয়েই উত্তীর্ণ হ্যারি কেন অ্যান্ড কোং।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০১৮, ২১:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০১৮, ২১:৩৮

options
link
স্বপ্নের দৌড় ব্রিটিশদের, সুইডেনকে হারিয়ে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের সেমিতে ইংল্যান্ড zoom

সুইডেন: ০
ইংল্যান্ড: ২ (ম্যাগুয়ের, ডেলে আলি)

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বকাপের শুরুর দিকে নিজের দেশ নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন ডেভিড বেকহ্যাম। বেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই জানিয়েছিলেন, এবার তাঁর দল বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছে যাবে। খুব একটা ভুল কিন্তু আন্দাজ করেননি দুনিয়া কাঁপানো পোড়খাওয়া প্রাক্তন এই ব্রিটিশ মিডফিন্ডার। দুর্দান্ত দক্ষতার সঙ্গে টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল ইংল্যান্ড। দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর বিশ্ব মঞ্চে গর্জে উঠল থ্রি লায়ন্স। ফাইনাল আর মাত্র একধাপ দূরে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[বিশ্বকাপে রেকর্ড আত্মঘাতী গোলের, তবু অধরা সোনার বুট…]

বিশ্বকাপের শুরুতে ইংল্যান্ড ফেভরিটদের ব্র‌্যাকেটে ছিল না। কিন্তু প্রতিটা ম্যাচকেই গুরুত্ব দিয়েছেন সাউথগেট। আর সেই সঙ্গে ছিল ফুটবলারদের মধ্যে তীক্ষ্ম আগ্রাসী মনোভাব। ফলে যোগ্য দল হিসেবেই কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছিল দল। আগের ম্যাচে কলম্বিয়াকে হারাতে যদিও ফুটবলারদের ভালই পরিশ্রম করতে হয়েছিল। কিন্তু আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে টাইব্রেকার-আতঙ্ককে জয় করতে পেরেছে ইংল্যান্ড। এই বা কম কী। তাই এদিন হ্যারি কেনরা ছিলেন আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে। আর টুর্নামেন্টের এমন পর্যায়ে পৌঁছে কোনও দলকেই আর খাটো করা যায় না। তাই বিপক্ষকে হালকাভাবে নেওয়ার বোকামো করেননি তাঁরা। এদিন সাউথগেটের ছেলেদের লক্ষ্য ছিল একটাই। শুরুতেই গোল করে বিপক্ষের মনোবল ভেঙে দিতে হবে। যেমন স্ট্র্যাটেজি, তেমন কাজ। ইয়ংয়ের কর্নার কিককে কাজে লাগিয়ে দুর্দান্ত গোল করে দলকে এগিয়ে দেওয়ার কাজটি সেরে ফেলেন ম্যাগুয়ের। বাকিটা দ্বিতীয়ার্ধে সারেন ডেলে আলি। হেডারে গোল করে ইংল্যান্ডের সেমিফাইনালের টিকিট একপ্রকার পাকা করে ফেলেন তিনি। তবে স্টার্লিংয়ের নিশ্চিত গোল না বাঁচাতে পারলে আরও বড় ব্যবধানে হারতে হত সুইডেনকে।

ব্রাজিল বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গেই চলতি বিশ্বকাপে শুরু হয়ে গিয়েছে ইউরোপীয় পাওয়ার ফুটবলের অধ্যায়। সেই ঝলক দেখাল ইংল্যান্ড। সচল মাঝমাঠ ও ছন্দে থাকা উইংই যে দলের জয়ের চাবিকাঠি হয়ে উঠতে পারে, তা এদিন যেন দারুণভাবে স্পষ্ট। শেষ পর্যন্ত চেষ্টার কসুর করেননি সুইডিশ তারকারা। দু’গোল হজম করেও শিরদাঁড়া সোজা করে ছুটেছেন প্রতি আক্রমণে। যদিও সুইডিশদের সে আক্রমণ রুখে দেন ব্রিটিশ গোলকিপার পিকফোর্ড। লাগাতার লড়াই কাজে এল না সুইডিশদের। সুইডেনের বিরুদ্ধে কঠিন পরীক্ষায় লেটার মার্কস নিয়েই উত্তীর্ণ হ্যারি কেন অ্যান্ড কোং। ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের শেষ চারে গ্যারি লিনেকার, গ্যাসকোয়েনদের উত্তরসূরিরা।

 

[দুনিয়া কাঁপাচ্ছে ইউরোপের পাওয়ার ফুটবল, ফের প্রমাণিত রাশিয়া বিশ্বকাপে]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.