Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬

বিশ্বকাপের ফাইনালে পেনাল্টি বিতর্কে আর্জেন্টাইন রেফারি নেস্টর পিতানা

রেফারির সিদ্ধান্ত ভুল, মুণ্ডপাত করলেন বিশ্বের তাবড় ফুটবল বিশেষজ্ঞরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০১৮, ০৯:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০১৮, ০৯:৩০

options
link
বিশ্বকাপের ফাইনালে পেনাল্টি বিতর্কে আর্জেন্টাইন রেফারি নেস্টর পিতানা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পেনাল্টি দিয়ে বিতর্কের কেন্দ্রে ঢুকে পড়লেন আর্জেন্টিনার রেফারি নেস্টর পিতানা। সারা বিশ্ব জুড়ে ফুটবল বিশেষজ্ঞরা জানিয়ে দিলেন, পেনাল্টি দিয়ে সম্পূর্ন ভুল করেছেন রেফারি। ঘটনাটি ঘটে ৩৭ মিনিটে। কর্নার থেকে হেড করতে উঠেছিলেন মাতুইদি। তার ঠিক পিছনে ছিলেন পেরিসিচ। মাতুইদি হেড মিস করলে সেই বল হাতে এসে লাগে পেরিসিচের। পরে সেই বল তিনি যথারীতি বের করে দেন। রেফারি প্রথমে ব্যাককিকের সিদ্ধান্ত দিলেও পরে হ্যান্ডবলের দাবি ওঠে ফ্রান্স শিবিরে। হাতে বল লেগেছে বলে রেফারির দিকে প্রথম ইঙ্গিত করে ছুটে যেতে থাকেন মাতুইদি। আর্জেন্টাইন রেফারি ভার-এর দ্বারস্থ হন। তিনি স্বয়ং মাঠের বাইরে গিয়ে টিভিতে রিপ্লে দেখে সিদ্ধান্ত নেন পেনাল্টির। ক্রোটরা যথারীতি তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ছিলেন। পেনাল্টির সিদ্ধান্তকে তাঁরা কোনওমতে মেনে নিতে পারেননি। কিন্তু রেফারি থাকেন অনড়। গ্রিজম্যান সেই পেনাল্টি থেকে ফ্রান্সকে ২-১ গোলে এগিয়ে দেন।

[হেরেও স্বপ্ন দেখতে শিখিয়ে গেল ফুটবলবিশ্বের ‘বাজিগর’ ক্রোয়েশিয়া]

তবে রেফারির সিদ্ধান্তে সোচ্চার প্রাক্তন ফুটবলাররা। রিও ফার্দিনান্দ, ক্লিন্সম্যান থেকে শুরু করে অ্যালেন শিয়ারার, জার্মেইন জিনাস, বাইচুং ভুটিয়া-প্রত্যেকেই মনে করছেন রেফারির উচিত হয়নি পেনাল্টি দেওয়া। জার্মানির প্রাক্তন ফুটবলার ক্লিন্সম্যান তো বলেই দিলেন, “রেফারির মনে পেনাল্টি দেওয়া নিয়ে সংশয় ছিল। যখন তিনি নিশ্চিত নন, তখন কেন তিনি পেনাল্টি দিতে গেলেন? রেফারির উচিত হয়নি অযথা ঝুঁকি নিয়ে পেনাল্টি দেওয়া। মানছি তিনি ভারের সাহায্য নিয়েছেন। কিন্তু ভারের সাহায্যও তো ভুল ছিল। দেখতে হবে একজন ডিফেন্ডার ইচ্ছাকৃত ভাবে বক্সের মধে্য বল হাতে লাগিয়েছে কিনা।” ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ফুটবলার অ্যালেন শিয়ারারও মনে করছেন রেফারির উচিত হয়নি অযথা এই পেনাল্টি দেওয়া। “কী অদ্ভুত সিদ্ধান্ত। ভাবতেই পারছি না। এমন অকাট্য সিদ্ধান্ত একজন রেফারি নিতে পারেন তা ভাবাই যায়না। ভার, ভার, ভার, না-মেনে নিতে পারলাম না।” বলেছেন শিয়ারার।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
[পরাজয়েও মন জয় মদ্রিচের, সোনালি ট্রফি না এলেও হাতে এল সোনার বল]

অনেকে মনে করছেন, ক্রোয়েশিয়া হারার মূলে রেফারির দেওয়া এই পেনাল্টি। তিনি যদি এভাবে বোকামি না করতেন তাহলে ফাইনালে ক্রোটরা এভাবে ভেঙে পড়ে না। এমনিতেই ১৯৭৪-এর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে কখনও প্রথমার্ধে তিন গোল হয়নি। আর সেই তিন গোল হওয়ার পিছনে থাকল কিনা রেফারির অবদান। বাইচুং ভুটিয়া তো বলেই দিলেন, “কোনওমতে এটা পেনাল্টি ছিল না। পেরিসিচের হাতে বল লেগেছিল ঠিক। কিন্তু বক্সের মধ্যে হাতে বল লাগলেই তো পেনাল্টি হতে পারে না। দেখতে হবে পেরিসিচ ইচ্ছাকৃতভাবে বল হাতে লাগিয়েছে কিনা। সেই দিক দিয়ে বলতে পারি ইচ্ছাকৃতভাবে কখনও হাতে বল লাগায়নি পেরিসিচ। তাহলে কেন পেনাল্টি দেওয়া হবে?” তবে ব্যারেটো বলছেন, “এটা পেনাল্টি। বক্সের মধ্যে যেভাবে ক্রোয়েশিয়ার ফুটবলার হাত লাগিয়েছেন তাতে রেফারির সিদ্ধান্ত সঠিক। একটা কথা জানবেন, বক্সের মধ্যে হাতে বল লাগানো মানেই রেফারি পেনাল্টি না দিয়ে ঝুঁকি নেবেন না।” সত্যি পেনাল্টি নিয়ে বিতর্কের বুদবুদ ওঠা শুরু হয়ে গেল। ভবিষ্যতে মনে হয় না ছাড় পাবেন আর্জেন্টাইন রেফারি নেস্টর পিতানা। তবে ভাগ্যিস ফ্রান্স ৪-২ গোলে জিতে গেল। তাই হয়তো বড়সড় বিতর্কের ঝড় উঠল না। নাহলে?

[খেলোয়াড় ও কোচ হিসেবে হাতে বিশ্বকাপ, ফুটবল ইতিহাসে বিরল কৃতিত্ব দেশঁর]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.