Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬

মনবীরের গোলে ৬ বছর পর সন্তোষ ট্রফি চ্যাম্পিয়ন বাংলা

ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে গোল করেন পাঞ্জাব তনয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৬, ২০১৯, ১৭:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৬, ২০১৯, ১৭:৩১

options
link
মনবীরের গোলে ৬ বছর পর সন্তোষ ট্রফি চ্যাম্পিয়ন বাংলা zoom

গোয়া-০

বাংলা-১ (মনবীর সিং)

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৬ বছরের খরা কাটল অবশেষে। গোয়ার ঘরের মাঠে তাদের অতিরিক্ত সময়ে হারিয়ে ফের সন্তোষ ট্রফি ঘরে তুলল কোচ মৃদুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছাত্ররা। গোটা ম্যাচে একাধিক সুযোগ নষ্ট। শেষপর্যন্ত ১১৯ মিনিটে মনবীর সিংয়ের বাঁ-পায়ের জোরালো শটে ছ’বছরের খরা কাটাল বাংলার। আর সেই গোলের সুবাদেই ৭১তম সন্তোষ ট্রফির ফাইনালে গোয়াকে তাদেরই ঘরের মাঠে চ্যাম্পিয়ন হল বঙ্গ ব্রিগেড। এই নিয়ে মোট ৩২ বার সন্তোষ ট্রফি জিতল বাংলা।

রবিবার ফাইনালে গোয়াকে সমর্থন করতে স্টেডিয়ামে ভিড় করেছিলেন প্রচুর দর্শক। প্রতি মুহূর্তে দলের জন্য গলা ফাটাতে থাকেন তাঁরা। তবে সেই সমর্থনকে কাজে লাগাতে পারেনি গোয়া। উল্টোদিকে, গোটা ম্যাচে বাংলার খেলোয়াড়রা বিপক্ষ খেলোয়াড়দের এক ইঞ্চিও জমি ছাড়েনি। গোটা ম্যাচে কমপক্ষে ৫-৬টি সহজ গোলের সুযোগ নষ্ট করেছে বাংলার খেলোয়াড়রা। এর মধ্যে একটি বল পোস্টেও লাগে। গোয়ার খেলোয়াড়রাও মাঝেমধ্যে আক্রমণ শানিয়েছিল। কিন্তু তাঁরাও গোল করতে পারেনি। বাংলার গোলরক্ষক শঙ্কর রায়ও দুর্দান্ত খেলেছেন এদিন। তবে নির্ধারিত সময়ে কোনও দলই গোল করতে পারেনি। শেষে খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। কিন্তু সেখানেও প্রথমার্ধ গোলশূন্য ছিল। সবাই যখন ভাবছে খেলা ট্রাইবেকারে গড়াবে, তখনই গোল করেন মনবীর সিং। ১১৯ মিনিটে করা পাঞ্জাব তনয়ের গোলটি আর পরিশোধ করার সুযোগ পায়নি গোয়া। এদিন ম্যাচে বাংলার রক্ষণের পাশাপাশি মাঝমাঠও দুর্দান্ত খেলেছে। নিজেদের মধ্যে পাস খেলে বারবার আক্রমণে যাচ্ছিল তাঁরা। আর তাতেই খেই হারিয়ে ফেলেছিলেন গোয়ার খেলোয়াড়রা। কিন্তু ফরোয়ার্ডরা বারবার গোল করতে ব্যর্থ হয়েছেন। গোয়াও মাঝেমধ্যে সুযোগ পেয়েছিল কিন্তু সেটা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয় তাঁরা।

এদিন ম্যাচ শেষে আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন বাংলার খেলোয়াড়রা। বঙ্গ কোচ মৃদুল বন্দোপাধ্যায় ম্যাচের পর বলেন, ‘ছেলেরা খুব ভাল খেলেছে। পরিকল্পনামাফিক ফুটবল খেলেই এই জয়। আমার দলের গোলকিপার এবং রক্ষণও দুর্দান্ত খেলেছে। ছেলেরা সবাই শৃঙ্খলাপরায়ণ। চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় স্বভাবতই খুব আনন্দ হচ্ছে।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.