সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইউরো শুরুর আগে ফ্রান্স মানে পোগবা, গ্রিজম্যানদের নামই বেশি শোনা গিয়েছে সবার মুখে৷ কিন্তু রোমানিয়ার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে যাবতীয় আকর্ষণের স্পট লাইট যেন কেড়ে নিয়ে গেলেন পায়েট৷ তাঁর পিঠে লেগে গেল তারকার তকমা৷ ফ্রান্স ম্যাচ জিতল ২-১ গোলে৷
স্টেড দি ফ্রঁসে হাজারে হাজারে সমর্থক ফ্রান্সের নীল জার্সি গায়ে গোটা ৯০ মিনিট চেঁচিয়ে গেলেন৷ তাঁদের মাঝে হলুদ জার্সি পরে প্রায় কুড়ি হাজার রোমানিয়ার সমর্থকও ছিল৷ কিন্তু শেষ হাসি হাসল ফ্রান্সই৷ সৌজন্যে পায়েট৷ একটা সময় তিনি নিজেই নিশ্চিত ছিলেন না যে ইউরোতে আদৌ সুযোগ পাবেন কি না৷ সুযোগ পেতেই তা কাজে লাগালেন৷ পরে জানালেন, “আগেও তো দেশের হয়ে নামার সুযোগ পেয়েছি৷ তবে যে কোনও কারণেই হোক নিজেকে মেলে ধরতে পারিনি৷ ঠিক করেছিলাম কঠিন পরিশ্রম করে আবার জায়গা করে নেব৷ সেটা করতে পেরেছি৷ আমার গোলে দেশকে জেতাতে পেরেছি বলে বেশি ভাল লাগছে৷”
ফ্রান্স এদিন জিতলেও কোচ দেঁশর মাথায় একাধিক চিন্তা দানা বাঁধতে পারে৷ প্রথমেই আসবে আক্রমণ নিয়ে চিন্তা৷ এদিন ম্যাচের শুরু থেকে জিরু, গ্রিজম্যানেরা যেভাবে একের পর এক সহজ গোলের সুযোগ নষ্ট করলেন, হাইলাইটস দেখলে নিজেরাই লজ্জা পেয়ে যেতে পারেন৷ সঠিক সময় পায়েটের ‘ওয়ান্ডার’ গোল না এলে, ম্যাচটি হয়তো ড্র করেই মাঠ ছাড়তে হত তাদের৷ এবং দ্বিতীয় চিন্তা অবশ্যই রক্ষণকে ঘিরে৷ ফ্রান্সের গোলরক্ষক হুগো লোরিস এদিন দুর্দান্ত পারফরম্যান্স না করলে, ফ্রান্স আদৌ ম্যাচটা জিততে পারত কি না সেটা নিয়েও প্রশ্ন থাকছে৷