এক ইনিংস এবং ১৫৯ রানে জয়ী ইংল্যান্ড
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সিরিজ শুরুর আগে কোচ রবি শাস্ত্রী সদর্পে ঘোষণা করেছিলেন ইংল্যান্ডের সুইং সামলাতে প্রস্তুত ভারত। আর পাঁচটা ইংল্যান্ড সফরের মতো এবারে আর হতাশ হতে হবে না ভারতীয় সমর্থকদের। কিন্তু কোচের যা বাক্যবাণই সার। ছবিটা তো আদৌ বদলায়নি। ইংল্যান্ডের সুইংয়ের জুজুতে দিশেহারা বিরাটরা আরও একবার আত্মসমর্পণ করলেন। এজবাস্টনে যার ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল, লর্ডসে তা আরও প্রবলভাবে প্রকাশিত হল।
[লর্ডসে বিরাটদের ম্যাচ চলাকালীন বাউন্ডারির বাইরে এ কাজও করলেন অর্জুন!]
একে জেমস অ্যান্ডারসন, স্টুয়ার্ট ব্রড, সাম কুরানের সুইং ত্রয়ী সঙ্গে দোসর সময়-অসময়ে বৃষ্টি, আকাশে মেঘের চাদর। সুইংয়ে অনভ্যস্ত ভারতের ক্রিকেটাররা যে জুজু দেখবেন তেমনটাই হয়তো স্বাভাবিক ছিলেন। প্রথম ইনিংসে ভারতের স্কোর ছিল সাকুল্যে ১০৭। জবাবে একটা সময় ইংল্যান্ডও ৮৯ রানে পাঁচ উইকেট খুঁইয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল। কিন্তু তারপর বেয়ারস্টো আর ক্রিস ওকস ঘুরে দাঁড়ান। বেয়ারস্টো ইনিংস শেষ করেন বেয়ারস্টো, ওকস শেষ করেন ১৩৭ রানে। সাম কুরানও বেহেতি গঙ্গায় হাত সাফ করার মতো ফটাফট ৪০ রানের ইনিংস খেলে দিলেন। টেস্ট ক্রিকেটের নিরিখে যাকে ঝেড়ো ইনিংস বলাই যায়। ৩৯৬ রানে প্রথম ইনিংস ডিক্লেয়ার করল ইংল্যান্ড।
[টিম ইন্ডিয়ার খাবারের মেনুতে গোমাংস কেন? বিতর্কের ঝড় নেটদুনিয়ায়]
প্রথম ইনিংসের স্কোরেই মোটামুটি স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল ভারতের হার অবধারিত।যদি কেউ বিরাটদের বাঁচাতে পারেন তিনি হলেন বরুণদেব। তিনি সহায় থাকলে হয়তো কোনওক্রমে বেঁচে যেতে পারে এ যাত্রা। কিন্তু তেমন কিছুই হল না। বরুণদেব এদিন লর্ডসের ভূমিতে লুকোচুরিই খেললেন। কখনও এলেন কখনও গেলেন। তাই শেষ রক্ষা করতে পারল না ভারত। প্রথম ইনিংসের মতোই দ্বিতীয় ইনিংসে ভারতীয় ইনিংসের তাসের ঘর ভেঙে পড়ল এক ঝটকায়। পাতে দেওয়ার মতো ব্যাট করলেন হার্দিক পাণ্ডিয়া আর অশ্বিন। হারের ফলে ৫ ম্যাচের সিরিজে ২-০ তে পিছিয়ে গেল ভারত।