সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্বয়ং ভগবানের মুখে হুমকি। আর্জেন্টিনার সমর্থকদের কাছে ঈশ্বর ও মারাদোনা সমার্থক। সেই ঈশ্বরই এবার ভয় দেখালেন বর্তমান কোচ সাম্পাওলিকে। প্রথম ম্যাচে আর্জেন্টিনা ড্র করার পর তাঁর সাফ হুমকি, ঘরে ফেরা মুশকিল হবে কোচের।
[ বিশ্বকাপের গত ২০ বছরের ইতিহাসে সবথেকে বেশি ফাউল সহ্য করতে হল নেইমারকেই ]
মেসির পেনাল্টি মিস নিয়ে ততটা বিচলিত নন মারাদোনা। সেদিন ভিভিআইপি বক্সে বসে অবশ্য মারাদোনাসুলভই প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন। শরীরী ভাষায় হতাশা ছিল স্পষ্ট। তবে পরে বলেন, তিনিও পেনাল্টি মিস করেছেন। তা সত্ত্বেও তিনি মারাদোনা। হরেদরে মেসির পাশেই দাঁড়িয়েছেন। বুঝিয়ে দিয়েছেন একটা পেনাল্টি মিস করা নিয়ে মেসির মতো খেলোয়াড়ের জাত বিচার করা উচিত নয়। তবে কোচ সাম্পাওলিকে ছেড়ে কথা বলেননি তিনি। জানিয়েছেন, সাম্পাওলির দল যদি এরকম খেলাই খেলতে থাকে তবে ওঁর ঘরে ফেরা মুশকিল। ছোট্ট দেশে আইসল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপে কুলীন আর্জেন্টিনার আটকে যাওয়া অঘটনই বটে। অ্যাগুয়েরোর গোলে এগিয়েই গিয়েছিল আর্জেন্টিনা। তবে আইসল্যান্ড কিন্তু রেয়াত করেনি। ছোট-বড় দলের পার্থক্য মুছে গোল শোধ করে দিয়েছে। তারপরই চমকের পর চমক। ১২ গজ দূর থেকে পেনাল্টি মিস করলেন মেসি। যা অপ্রত্যাশিত ও অভাবনীয়। তারপর আর কোনওভাবেই গোলের ব্যবধান বাড়াতে পারেনি আর্জেন্টিনা। যা দেখে দৃশ্যত হতাশ মারাদোনা। মেসিকে ব্লক করে দিয়েছিলেন বিপক্ষের ডিফেন্ডাররা। বোতলবন্দি মেসি অনেক চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু সেদিন কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এই পরিস্থিতি প্রায় নিশ্চল ছিলেন সাম্পাওলি। যেন তাঁর কোনও প্ল্যান বি নেই। মেসি আটকে গেলে কীভাবে দল এগোবে তার কোনও রূপরেখা জানা নেই। ফলত ভরাডুবি হল। ডেভিডদের কাছে আটকে যেতে হল গোলিয়াথদের। এ দিকেই ইঙ্গিত মারাদোনার। তাঁর বক্তব্য হুমকির মতো শোনাচ্ছে ঠিকই। তবে কোচকে যে দলের সংকট কাটাতে আরও চালাক-চতুর হতে হবে এমনটাই মত তাঁর। নতুবা ঈশ্বরের কথাই হয়তো ফলবে, ঘরে ফেরা মুশকিল হবে সাম্পাওলির। অথবা খুঁজে নিতে হবে নতুন দেশ।
[ নেইমারকে ট্যাকলের প্রতিবাদে নবান্ন ঘেরাও! নেটদুনিয়ায় টানটান বিশ্বকাপ যুদ্ধ ]