Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬

ঔরঙ্গাবাদ অস্ত্র মামলায় দোষী সাব্যস্ত আবু জুন্দাল-সহ ১২

মোদি, তোগাড়িয়াকে খুনের ছক কষেছিল আবু জুন্দাল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৮, ২০১৬, ১৭:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৮, ২০১৬, ১৭:৩৩

options
link
ঔরঙ্গাবাদ অস্ত্র মামলায় দোষী সাব্যস্ত আবু জুন্দাল-সহ ১২ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মহারাষ্ট্র কন্ট্রোল অফ অর্গ্যানাইজড ক্রাইম অ্যাক্ট বা MCOCA আইন অনুযায়ী বিশেষ আদালত বৃহস্পতিবার ২০০৬ সালের ঔরঙ্গাবাদ অস্ত্র মামলায় দোষী সাব্যস্ত করল আবু জুন্দাল-সহ মোট ১২ জনকে। এই জুন্দালই ২৬/১১ মুম্বই হামলার অন্যতম ষড়যন্ত্রী বলে জানা গিয়েছে৷

আদালত আজ জানায়, ২০০২ সালের পর গুজরাত দাঙ্গার পর তৎকালীন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সভাপতি প্রবীণ তোগাড়িয়াকে হত্যার ছক কষেছিল অভিযুক্ত ১২ জন৷ তাদের দোষী সাব্যস্ত করার সঙ্গে সঙ্গে আদালত জানিয়ে দিয়েছে, এই ঘটনার নেপথ্যে বড়সড় চক্রান্ত ছিল। প্রসঙ্গত গোধরা হামলার বদলা নিতেই এই হামলার ছক কষা হয়েছিল বলে রায়ে দাবি করেছে আদালত। এই মামলায় ২২ জন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিচার চলেছে। ১২ জন দোষী সাব্যস্ত, ৮ জন অভিযুক্ত, একজন পলাতক এবং একজন সাক্ষী হয়ে গিয়েছে। আজ আদালত মন্তব্য করে, “সন্ত্রাস চালানোর পরিকল্পনা করে অভিযুক্তরা নিজেদের ‘জিহাদি’ বলে দাবি করছে৷”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

২০০৬ সালের ৮ মে মহারাষ্ট্র এটিএস একটি গাড়ি পাকড়াও করে। গাড়িতে সেসময় তিনজন সন্দেহভাজন জঙ্গি ছিল। ঔরঙ্গাবাদে চাঁদওয়াদ-মানমাদ জাতীয় সড়কের কাছে গাড়িটি আটক করে, অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে এটিএস। গাড়ি থেকে ৩০ কেজির আরডিএক্স, ১০ একে ৪৭ রাইফেল, প্রচুর পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার হয়। সন্ত্রাসদমন শাখার আধিকারিকরা বুঝতে পারেন, দেশে বড়সড় হামলার ছক ছিল জঙ্গিদের। সেদিন আর একটা গাড়ি এটিএস-এর নাগালের বাইরে চলে গিয়েছিল। সম্ভবত সেই গাড়িতেই আবু জুন্দাল ছিল, পরে সে বাংলাদেশ হয়ে পাকিস্তান পালিয়ে যায়।

২০১২ সালে অবশেষে জুন্দালকে আটক করে গ্রেফতার করলে, পুলিশকে ওই অভিযুক্ত জঙ্গি তাদের আরও এক ডেরার সন্ধান দেয়। সেখান থেকে আরও ১৩ কেজি আরডিএক্স, ১২০০ কার্তুজ, ৫০টি হাত গ্রেনেড এবং ২২টি ম্যাগাজিন উদ্ধার হয়। ২০১৩ সালে এটিএস-এর দায়ের করা চার্জশিট মোতাবেক এই মামলার বিচার শুরু হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.